ক্যাটাগরি করুণ কাহিনী

চুক্তির বিয়ের সংসার | পর্ব ১ | ফুলশয্যার রাতে ডিভোর্স পেপার

ফুলশয্যার রাতেই রাজ মৌকে ডিভোর্স পেপার সাইন করার নির্দেশ দেয়। মা মরা মেয়েটির চোখের পানি পড়ে কাগজে। রাজ সুমাইয়ার জন্য বিয়ে করেছে, মৌ শুধু চুক্তির অংশ। রক্তের দাগ দেখে রাজ বুঝে, কিন্তু সোফায় ঘুমায়। পরদিন মৌ শাড়ি পরতে না পেরে লজ্জিত হয়, রাজ তাকে শেখায়। বিয়েবাড়িতে অপমানের পর রাজ তাকে স্ত্রী বলে পরিচয় দেয়।

চাচাত বোন যখন আদূরে বউ | পর্ব ১২ | নিলীমার প্রসব ও ছেলে জনির জন্ম

নিলীমার প্রসবের সময় আসে, হুম টেনশনে ভোগে। জরুরি ভাবে হাসপাতালে নেওয়া হয়। ছেলে জনির জন্ম হয়। নিলীমা কাঁদে, হুম চোখের পানি মুছিয়ে চুমু দেয়। নাম রাখা হয় জনি। নিলীমার পাগলামি ফিরে আসে—ছেলেকে কেউ কোলে নিতে পারবে না!

চাচাত বোন যখন আদূরে বউ | পর্ব ২ | নিলীমার কান্না ও আলাদা হওয়ার ব্যথা

নিলীমা আর লেখকের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের গল্প এগিয়ে যায়। যখন তাদের আলাদা ঘরে ঘুমানোর নির্দেশ দেওয়া হয়, নিলীমা রাতে কাঁদতে কাঁদতে ভাইয়ের কাছে ছুটে আসে। তার কান্না ও আলাদা হওয়ার ভয় প্রকাশ করে যে তাকে ছাড়া ঘুম আসে না। আবেগঘন মুহূর্তে তারা আবার একসাথে জড়িয়ে ঘুমায়।

সেলফিশ | পর্ব ১২ | মিরার সাথে রাত ও স্বর্নার গর্ভবতী হওয়ার চাঞ্চল্য

মিরা কাব্যের ঘরে আপত্তিকর অবস্থায় আসে এবং তাকে নিজের করে নেওয়ার কথা বলে। পরদিন স্বর্না হাজির হয়ে ঘোষণা করে সে কাব্যের সন্তান নিয়ে গর্ভবতী। কাব্য অস্বীকার করলেও স্বর্না স্মরণ করায় জ্বরের রাতের ঘটনা। মিরা শুনে চড় মারে কাব্যকে এবং আত্মহত্যার চেষ্টা করে।

সেলফিশ | পর্ব ১১ | কাব্যর মিরাকে ছাড়ার সিদ্ধান্ত ও ম্যামের রহস্যময় সারপ্রাইজ

কাব্য ম্যামকে সব সত্য বলে, মিরাকে ভালোবাসে না বলে মন ভাঙায়। মিরা কাঁদে, কিন্তু কাব্য নিজেকে খারাপ বানিয়ে সম্পর্ক ছেদ করে। পরদিন অফিসের ম্যাম তার ঘরে হাজির হয় এক রহস্যময় সারপ্রাইজ নিয়ে।

সেলফিশ | পর্ব ৬ | কাব্যর রহস্যময় জ্বর ও মিরার ভয়াবহ স্বপ্ন

কাব্য জ্বরে ভুগছে, ঘুম থেকে উঠে মুখে লিপস্টিকের দাগ দেখে বিস্মিত হয়। মিরা ভয়ানক স্বপ্ন দেখে, যেখানে তাকে সাপ দিয়ে নির্যাতন করা হয়। স্বপ্নের প্রভাবে সে সবার কাছে ক্ষমা চাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। মিরা স্বীকার করে কাব্যকে ভালোবাসে, কিন্তু বান্ধবীরা বিশ্বাস করে না।

সেলফিশ | পর্ব ৫ | মিরার অজানা ভালোবাসা ও কাব্যর জ্বর

মিরা কাব্যকে বন্ধুত্বের ছলে প্রেমে ফেলতে চায়, কিন্তু সময়ের সাথে নিজেই তার প্রতি আকৃষ্ট হয়। কাব্য জ্বরে ভুগছে, মিরা উদ্বিগ্ন হয়ে ওঠে। বান্ধবীরা মিরার আচরণ দেখে বুঝতে পারে সে কাব্যকে ভালোবাসছে। রাতে মিরা নিজেকে প্রশ্ন করে—আমি কি সত্যিই তাকে ভালোবাসি?

সেলফিশ | পর্ব ৩ | কাব্যর নতুন চাকরি ও কলেজ জীবনের চ্যালেঞ্জ

কাব্য একটি প্রাইভেট কোম্পানিতে চাকরি পায় এবং আশার আলো দেখতে শুরু করে। বাড়িওয়ালার মেয়ের জন্য ঘর ছাড়তে হয়, কিন্তু আন্টির যত্নে সকালের খাবার পায়। কলেজে প্রথম দিনেই মিরা তাকে লক্ষ্য করে ব্যঙ্গ করে, আর স্যার তাকে অবহেলা করেন। ক্লাসে সবাই তার পোশাক দেখে হাসে, আর মন ভারী হয়।

সেলফিশ | পর্ব ১ | কাব্যর ভালোবাসা ও স্বর্নার নির্মম সত্য

কাব্য স্বর্নাকে ভালোবাসে, কিন্তু স্বর্না ঘৃণা করে তাকে, জানিয়ে দেয় সব ভালোবাসা ছিল অভিনয়। কাব্য ভেঙে পড়ে, বাড়িতে পিতামাতার অপমান, বইয়ের উপর আগুন। হতাশায় ঢাকায় চলে আসে। একা, দরিদ্র, কিন্তু আশার আলো জ্বলে যখন বাড়িওয়ালার ছেলেকে পড়ানোর সুযোগ পায়।

তোমাকে খোঁজে | পর্ব ১৩ | আদিবার প্রত্যাবর্তন ও নেহালের ক্ষমা

আদিবা সায়ানের বিয়ের আগে নেহালের কাছে ফিরে আসে, কিন্তু নেহাল প্রথমে তাকে সরিয়ে দেয়। মিতির আবেদনে নেহাল আদিবাকে ক্ষমা করে। সায়ান-মিতির বিয়ে হয়, আর আদিবা-নেহালের পুনর্মিলন ঘটে। গল্পের শেষে দুই জুটির ভবিষ্যতের আশা জাগে।

তোমাকে খোঁজে | পর্ব ১২ | আদিবার সংকট ও নেহালের এক্সিডেন্টের খবর

বিয়ের মঞ্চে আদিবার ফোন বাজে—নেহাল-মিতির বাস এক্সিডেন্টের খবর। সায়ানের মা তাকে জোর করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। মিতি আদিবাকে জড়িয়ে ধরে, আর সায়ানের মা মিতির সাথে সায়ানের বিয়ের পরিকল্পনা করে। নেহাল ক্রিটিক্যাল, আদিবা মানসিক সংকটে।

তোমাকে খোঁজে | পর্ব ১১ | সায়ানের মায়ের বিরোধিতা ও আদিবার মানসিক যন্ত্রণা

গায়েহলুদের পর আদিবার সাথে সায়ানের মায়ের তীব্র বচসা হয়, যেখানে তিনি আদিবাকে নেহালের স্ত্রী হওয়ার কথা উল্লেখ করে সায়ানের জীবন থেকে সরে যেতে বলেন। আদিবা মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে, আর নেহাল-মিতি শহর ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেয়।