ক্যাটাগরি কলেজ লাইফ

কনফিউশন | পর্ব ১২ | তিরার নতুন ক্রাশ ও কাব্য-আরশির একাকী যাত্রা

তিরা বিয়ের জন্য দেখা যাদিদের ছবি দেখে মুগ্ধ হয় এবং তাকে ফোন করে দুষ্টুমি করে। আরশি হাসপাতালে যায় রশ্নির সন্তান জন্মের সময়। ফেরার পথে কাব্যের সাথে একা যাত্রায় আরশির মনের অবস্থা নিয়ে কাব্য লক্ষ্য করে এবং সিগারেট না খাওয়ার কথা বলে, যা আরশিকে নড়ে দেয়।

কনফিউশন | পর্ব ৯ | কাব্যর বয়স ও তিরার ভাঙা স্বপ্ন

তিরা জানতে পারে কাব্য আসলে ৩৬ বছরের এবং তাকে মেয়ের মতো দেখে, যা তার প্রেমের স্বপ্ন ভেঙে দেয়। আরশি বুঝতে পারে কাব্য তিরাকে বোকা বানাচ্ছে, কিন্তু নিজের প্রতি তার আগ্রহের কথা ভেবে মনে মনে বিভ্রান্ত হয়।

কনফিউশন | পর্ব ৭ | আরশির সিগারেট বিরোধী যুদ্ধ ও ভাবীর বুদ্ধি

আরশি কাব্যর সিগারেট খাওয়া ও অসভ্যতা নিয়ে তীব্র আপত্তি জানায়, ফটোশ্যুটে যাওয়া মানা করে। তিরা ভাবী রশ্নির কাছে সাহায্য চায়। রশ্নি কাব্যর ভালোগুণের কথা বলে আরশিকে রাজি করাতে চায়, আর তিরা খুশি হয়ে ভাবীর বুদ্ধিমত্তার প্রশংসা করে।

কনফিউশন | পর্ব ৬ | কাব্যের সাহায্য ও আরশির চা

কাব্য আরশির বাজার তুলে দেয় এবং আরশি অপ্রত্যাশিতভাবে তাকে চা খেতে ডাকে। তিরা ফটোশ্যুটের প্রস্তাব দেয়, কিন্তু কাব্য শুধু আরশির উপস্থিতিতে যেতে রাজি হয়। টিভির সিগারেট বিরোধী বিজ্ঞাপনে কাব্য তার রসিকতায় সবাইকে হাসায়।

কনফিউশন | পর্ব ৩ | তিরার ক্রাশ ও আরশির বিষন্নতা

তিরা আরশির সাথে রান্নাঘরে সময় কাটায় এবং কাব্যকে নিয়ে উত্তেজিত হয়, কিন্তু আরশি তার সিগারেট খাওয়া ও গালের দাগ নিয়ে সতর্ক করে। কাব্য আরশির ছাদে দাঁড়ানো দৃশ্যে মুগ্ধ হয় এবং ফেসবুকে তিরার রিকোয়েস্ট অ্যাকসেপ্ট করে, কিন্তু আরশির বিষন্ন ছবি দেখে গভীরভাবে আকৃষ্ট হয়।

কনফিউশন | পর্ব ১ | কাব্যর প্রথম দেখা ও তিরার ক্রাশ

তিরা আরশির বাড়িতে এসেছে বিশ্রাম নিতে। চায়ের দাওয়াতের আগেই সে নিচতলার নতুন ভাড়াটিয়া কাব্যের সাথে ধাক্কা খায়। প্রথম দেখাতেই মুগ্ধ হয় তিরা। কাব্যর চোখ, হাসি, নাম—সব মিলিয়ে তার মন জয় করে নেয়। সে আরশিকে জোর দিয়ে কাব্যর নম্বর চুরি করতে বলে, কিন্তু আরশি প্রত্যাখ্যান করে। তিরার প্রেমের শুরু হয় এক কনফিউশনের মধ্যে দিয়ে।

আমার চন্দ্রাবতী | পর্ব ৬+৭ | দুআর ঢাকা ভ্রমণ ও ইয়াদের মনের তাপ

দুআ ও রামিসা ঢাকায় পাড়ি জমায়, কিন্তু তাসনিমের উপস্থিতিতে দুআ ভীত। ইয়াদের বাসায় পৌঁছে সে ইয়াদের সাথে অপ্রত্যাশিত দেখা পায়। ইয়াদ মুগ্ধ হয় তার পবিত্র চেহারায়, আর দুআ অনুভব করে নতুন আবেগ। দুজনের মনেই জাগে অজানা তাপ।

আমার চন্দ্রাবতী | পর্ব ৪ | ইয়াদের হুমকি ও দুআর অজ্ঞান

ইয়াদ জামালকে ফোন করে কঠিন হুমকি দেয় এবং রেকর্ডিং সংরক্ষণ করে। বন্ধুদের সাথে বাইক ট্যুরে বেরিয়ে সে ঢাকার রাস্তায় দুআকে ধাক্কা দেয়। দুআ কুকুরছানা বাঁচাতে গিয়ে অজ্ঞান হয়ে পড়ে। ইয়াদ তাকে চেনে না, কিন্তু তার মা থেকে শুনে দুআর কথা এবং মনে অদ্ভুত আকর্ষণ অনুভব করে।

হৃদমাঝারে | পর্ব ৮ | আয়ানের ছবি লুকানো ও জিয়ার দিদির বিয়ে

আয়ানের মা বাসন্তীদেবী জিয়ার ছবি বালিশের নিচে পেয়ে খুশি হন এবং পাত্রী দেখার প্রস্তুতি নেন। জিয়া দিদির বিয়ের খবর পেয়ে কলকাতায় ফেরার চেষ্টা করে। আয়ান জিয়াকে কল করে সারপ্রাইজের কথা বলে, কিন্তু জিয়া ভাবে পিমণি কল করেছে। পাত্রী দেখার দিন জিয়া দিদিকে সাজায়, আর আয়ান ভয়ে উত্তেজিত হয়ে পড়ে।

হৃদমাঝারে | পর্ব ৫ | জিয়ার এক্সিবিশন ও আয়ানের মেসেজ

জিয়া আয়ানকে ক্যাফেতে ব্ল্যাক কফির প্রেমের কথা শুনে হেসে উঠে। তারপর তার ফটোগ্রাফি এক্সিবিশনে নির্বাচিত হওয়ার খবরে আনন্দিত হয়। রাতে আয়ান মেসেজ করে বাড়ি পৌঁছানোর খোঁজ নেয়। কয়েকদিন পর এক্সিবিশনে জিয়া সেরা ফটোগ্রাফারের পুরস্কার পায়, আর আয়ান তার স্কুটি চালিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তাব দেয়।

হৃদমাঝারে | পর্ব ৪ | জিয়ার স্কুটিতে আয়ান ও ক্যাফের চা

জিয়া ও অংশুমান শিলিগুড়ির কলেজে সফটওয়্যার সমস্যা সমাধানে যায়। সেখানে হঠাৎ জিয়ার স্কুটির সামনে আয়ান এসে পড়ে। পরিচয় হয় পৌলমীর, যে ঈর্ষায় ভাঙা মন নিয়ে ক্লাসে ফিরে। জিয়া আয়ানকে ক্যাফেতে নিয়ে যায়, সেখানে তাদের মধ্যে গভীর আলোচনা হয়। পরের সাক্ষাতের জন্য চুক্তি হয় আগামী সানডে বিকেল ৫টায়।

হৃদমাঝারে | পর্ব ২ | জিয়া ও আয়ানের চা-এর দোকানের মুহূর্ত

জিয়া আর আয়ানের আকস্মিক দেখা হয় প্রকৃতির মাঝে। জিয়া ছবি তুলছিল, আয়ান হঠাৎ সামনে এসে পড়ে ছবি নষ্ট করে দেয়। ঝামেলা থেকে শুরু হয় গল্প, চা-এর দোকানে দুধ চা খেয়ে আয়ান প্রথমবার বাঙালি স্বাদ উপভোগ করে। তাদের মধ্যে জমে আলাপ, মজা, আর অদ্ভুত নীরবতা।