ক্যাটাগরি কলেজ লাইফ

হৃদমাঝারে | পর্ব ৮ | আয়ানের ছবি লুকানো ও জিয়ার দিদির বিয়ে

আয়ানের মা বাসন্তীদেবী জিয়ার ছবি বালিশের নিচে পেয়ে খুশি হন এবং পাত্রী দেখার প্রস্তুতি নেন। জিয়া দিদির বিয়ের খবর পেয়ে কলকাতায় ফেরার চেষ্টা করে। আয়ান জিয়াকে কল করে সারপ্রাইজের কথা বলে, কিন্তু জিয়া ভাবে পিমণি কল করেছে। পাত্রী দেখার দিন জিয়া দিদিকে সাজায়, আর আয়ান ভয়ে উত্তেজিত হয়ে পড়ে।

হৃদমাঝারে | পর্ব ৫ | জিয়ার এক্সিবিশন ও আয়ানের মেসেজ

জিয়া আয়ানকে ক্যাফেতে ব্ল্যাক কফির প্রেমের কথা শুনে হেসে উঠে। তারপর তার ফটোগ্রাফি এক্সিবিশনে নির্বাচিত হওয়ার খবরে আনন্দিত হয়। রাতে আয়ান মেসেজ করে বাড়ি পৌঁছানোর খোঁজ নেয়। কয়েকদিন পর এক্সিবিশনে জিয়া সেরা ফটোগ্রাফারের পুরস্কার পায়, আর আয়ান তার স্কুটি চালিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তাব দেয়।

হৃদমাঝারে | পর্ব ৪ | জিয়ার স্কুটিতে আয়ান ও ক্যাফের চা

জিয়া ও অংশুমান শিলিগুড়ির কলেজে সফটওয়্যার সমস্যা সমাধানে যায়। সেখানে হঠাৎ জিয়ার স্কুটির সামনে আয়ান এসে পড়ে। পরিচয় হয় পৌলমীর, যে ঈর্ষায় ভাঙা মন নিয়ে ক্লাসে ফিরে। জিয়া আয়ানকে ক্যাফেতে নিয়ে যায়, সেখানে তাদের মধ্যে গভীর আলোচনা হয়। পরের সাক্ষাতের জন্য চুক্তি হয় আগামী সানডে বিকেল ৫টায়।

হৃদমাঝারে | পর্ব ২ | জিয়া ও আয়ানের চা-এর দোকানের মুহূর্ত

জিয়া আর আয়ানের আকস্মিক দেখা হয় প্রকৃতির মাঝে। জিয়া ছবি তুলছিল, আয়ান হঠাৎ সামনে এসে পড়ে ছবি নষ্ট করে দেয়। ঝামেলা থেকে শুরু হয় গল্প, চা-এর দোকানে দুধ চা খেয়ে আয়ান প্রথমবার বাঙালি স্বাদ উপভোগ করে। তাদের মধ্যে জমে আলাপ, মজা, আর অদ্ভুত নীরবতা।

হৃদমাঝারে | পর্ব ১ | জিয়ার প্রেমের ইশারা ও আয়ানের গম্ভীর চোখ

জিয়া অফিস ট্যুরে দার্জিলিংয়ের হোটেল স্নো হোয়াইটে পৌঁছায়, যেখানে সে ক্যামেরা হাতে প্রকৃতির ছবি তোলে। এক কলেজ কাপলকে সাহায্য করতে গিয়ে তার দেখা হয় গম্ভীর প্রফেসর আয়ান রায় চৌধুরীর সাথে। তাদের প্রথম কথোপকথনে জিয়া তাঁকে হানিমুনে এসেছেন বলে মন্তব্য করে অপ্রস্তুত করে দেয়।

প্রিয় অভিমান | পর্ব ৫ | রনকের ভয় ও রুহানির বদলে যাওয়া মন

রনক রুহানির বাড়িতে পা রাখে ভয়ে ভয়ে, অস্বস্তিতে কাবু। রুহানি মজা নেয়, কিন্তু পরে তাকে সাজায় সার্ভেন্ট। ফালাক পার্টিতে রুহানিকে নতুন রূপে দেখে মুগ্ধ হয়, কিন্তু নিজেকে বাজে ভাবনা থেকে সামলায়। রুহানি ফালাকের প্রতি ক্রমশ আকৃষ্ট হয়, আর তায়েফকে চড় মারে যখন জানে এক মেয়েকে গায়ে হাত দেওয়া হয়েছে।

প্রিয় অভিমান | পর্ব ৪ | রুহানির প্রতিশোধ ও ফালাকের ঝাল কফি

রুহানি ফালাকের কফিতে মরিচের গুঁড়ো মিশিয়ে প্রতিশোধ নেয়। ফালাক ঝাল সহ্য করতে না পেরে রাগে কাঁপে এবং রুহানিকে তাড়া করে। পুকুর পাড়ে দুজনের তীব্র মুখোমুখি হয়, যেখানে ফালাক রুহানিকে 'বিল্লি রাণী' বলে ডাকে আর রুহানি জবাব দেয়, 'আপনি খাটাশের সর্দার'।

প্রিয় অভিমান | পর্ব ২ | রুহানির প্রতিশোধ ও ফালাকের জরুরি মিটিং

রুহানি ফালাকের গাড়ির চাকায় পিন ঢুকিয়ে প্রতিশোধ নেয়। ফালাক চাকা ফেটে যাওয়ায় জরুরি মিটিংয়ে যেতে বিপদে পড়ে। শুভের গাড়িতে চড়ে সময় মতো পৌঁছায়। এদিকে রুহানি ক্লাস টেস্টে মাত্র ৬ পায়, স্যার বাবার কাছে খবর দেবার হুমকি দেয়। রুহানি ভয়ে পড়ে যায়।

অনুভবে আজো তুমি | পর্ব ১৪ | মেহেরের সাহস ও ফায়াজের স্বপ্ন

মেহের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সাজে ফায়াজের দৃষ্টি আটকায়। ফায়াজ তাকে নিয়ে যায় একান্ত জায়গায়, মেহের লুচু বলে গালাগালি করে। ফায়াজ আহত হয় যখন মেহের ভালোবাসার কথা না বলে। পরে মেহের ফায়াজের জ্বরের খবর পেয়ে তার বাসায় যায়, তাকে কিস করে। ফায়াজ ভাবে সব স্বপ্ন, কিন্তু শিশিরের কাছে সত্য জেনে বুঝে মেহের আসলে এসেছিল।

অনুভবে আজো তুমি | পর্ব ১৩ | মেহেরের ভয় ও ফায়াজের প্রেমের স্বীকারোক্তি

মেহের ফায়াজের ভয়ে লাইব্রেরিতে লুকোয়, কিন্তু ফায়াজ তাকে খুঁজে পায়। ওয়াশরুমে আটকে মেহের কাঁদে, ফায়াজ রেগে যায়। সে মেহেরকে ভালোবাসার কথা স্বীকার করে এবং ৩ মাসের সুযোগ চায়। মেহেরের কামড়ে ফায়াজের হাতে দাগ পড়ে, যা সে স্মৃতি হিসেবে রাখতে চায়।

অনুভবে আজো তুমি | পর্ব ১০ | মেহেরের ভালোবাসার প্রস্তাব ও ফায়াজের রাগ

মেহের ফায়াজের কাছ থেকে ভ্যালেন্টাইন্স ডেতে গোপনে ফুল পায়, কিন্তু ফেলে রেখে যায়। ফায়াজ রাগান্বিত হয়, কিন্তু তার ভালোবাসা লুকোতে পারে না। মেহেরকে চিরকুটে ডেকে আনে এবং তার সাহসকে চ্যালেঞ্জ করে। মেহের ভয়ে কাঁপছে, কিন্তু ফায়াজের আকর্ষণ এড়াতে পারে না।

অনুভবে আজো তুমি | পর্ব ৯ | মেহেরের নাক মুছার লজ্জা ও ফায়াজের অস্থির মন

মেহের ফায়াজের দেওয়া টিস্যু দিয়ে নাক মুছে চলে যায়, যা নিয়ে ফায়াজের বন্ধুরা হাসে। মেহের লজ্জায় ভোগে, আর ফায়াজ রাতে ঘুমাতে না পেয়ে তার কান্নারত মুখ মনে করে। পরদিন ফায়াজ মেহেরকে ডেকে নাম ও ডিপার্টমেন্ট জিজ্ঞাসা করে, কিন্তু ধমক দেওয়ায় মেহের আবার কাঁদে।