লেখক গল্পহাব টিম

সারপ্রাইজ লাভার | পর্ব ২৩+২৪ | আরোহির জন্মদিনের বিশ্বাসঘাতকতা, আয়ানের নাটকীয় প্রতিশোধ ও ভেঙে যাওয়া হৃদয়

আরোহির জন্মদিনে আয়ান তাকে ফুলের অর্কিড নিয়ে রায়াকে প্রপোজ করে বলে প্রতিশোধ নেয়। আরোহি ভেঙে পড়ে, কাঁদতে কাঁদতে বাড়ি ফিরে পরিবারের সারপ্রাইজ পায়। রাতভর কান্নায় কাটায়, আয়ানের কথা মনে করে। তার ভালোবাসা নিয়ে খেলার ব্যথা গভীরে জমে।

সারপ্রাইজ লাভার | পর্ব ২৫+২৬ | আরোহির মানসিক ভাঙন, আয়ানের প্রতিশোধ ও পরিবারের ভালোবাসার আশ্রয়

আরোহি আয়ানের প্রতিশোধের কথা জেনে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে, নিজেকে বন্ধ করে রাখে। সাজি ও জান্নাত উদ্বিগ্ন হয়ে বাড়িতে আসে। ডাক্তার দ্বীপ তাকে চেক করে মানসিক অবসাদ ও অনাহারের কথা জানায়। সুস্থ হওয়ার পর আরোহি মায়ের কোলে মাথা রেখে বুঝে—পরিবারের ভালোবাসাই সত্যি।

সারপ্রাইজ লাভার | পর্ব ২৭+২৮ | আরোহির কানাডা প্রস্থান, আয়ানের অনুশোচনা ও সানভির সাথে নতুন শুরু

আরোহি আয়ানকে এড়াতে কানাডায় চলে যায়, সাজি ও জান্নাতের কাছে গোপনে বিদায় নেয়। আয়ান তাকে খুঁজতে কলেজে যায়, কিন্তু সাজি তাকে উপেক্ষা করে। কানাডায় পৌঁছে আরোহি ফুফি ও ভাই সানভির স্নেহে সান্ত্বনা পায়। এদিকে আয়ান অনুতপ্ত হয়, রায়া তাকে জোর করে নিয়ে যায়।

সারপ্রাইজ লাভার | পর্ব ২৯+৩০ | আরোহির কানাডার নতুন জীবন, সানভির সাথে বন্ধুত্ব ও আয়ানের অতীতের ছায়া

আরোহি কানাডায় সানভির সাথে নতুন জীবন শুরু করে। ভার্সিটি ভর্তি, তিন্নির সাথে বন্ধুত্ব এবং ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন পূরণের পথে এগোয়। আয়ান তাকে খুঁজে পায় না, মন ভাঙা চলে। আরোহি সারপ্রাইজ শব্দে বিচলিত হয়, আয়ানের স্মৃতি ফিরে আসে।

সারপ্রাইজ লাভার | পর্ব ৩১+৩২ | আরোহির ব্রিজে মুখোমুখি আয়ান, রায়ার ষড়যন্ত্রের রহস্য ও সাজির ফ্ল্যাশব্যাক

আরোহি আয়ানের সাথে ব্রিজে মুখোমুখি হয়, ক্ষোভে তাকে ঘৃণা জানায়। আয়ান সব বলতে চায়, কিন্তু আরোহি শুনতে নারাজ। সাজির ফোনে জানা যায়—রায়া আয়ানকে বলি দিয়েছিল আরোহির জীবনের মূল্যে। আরোহির মনে হতাশা ও বিভ্রান্তি ছড়িয়ে পড়ে।

সারপ্রাইজ লাভার | পর্ব ৩৩ | আয়ানের দুর্ঘটনা, রক্তদান ও আবার প্রেমের প্রস্তাব

আয়ানের দুর্ঘটনার পর আরোহি হাসপাতালে ছুটে আসে। আয়ানের জন্য জরুরি রক্তের ব্যবস্থা করে সানভি। ২৪ ঘন্টার মধ্যে জ্ঞান ফেরায় আয়ান। সুস্থ হওয়ার পর আয়ান আরোহিকে আবার বিয়ের প্রস্তাব দেয়, আর আরোহি 'হ্যাঁ' বলে। গল্পের সমাপ্তি ঘটে পুনর্মিলনের আনন্দে।

নাইওরি | পর্ব ১ | জেসমিনের নাটক শোনার বায়না ও রঞ্জুর ডায়েরি

কেশবপুর গ্রামের প্রভাবশালী চেয়ারম্যান জয়নাল মির্জার বাড়িতে আষাঢ়ের বৃষ্টিভেজা সন্ধ্যায় নাটক শোনার আসর। তার কন্যা জেসমিন নাটক শোনার জন্য বায়না করে বারান্দায় জায়গা পায়। অন্যদিকে, সূর্যমনি গ্রামে ফিরে আসা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র রঞ্জু ডায়েরি লিখে ক্ষোভ উদ্বেগ উদ্গীরণ করে, শহরের স্মৃতি আর গ্রামের নিস্তব্ধতায় মন ভারী।

নাইওরি | পর্ব ২ | জেসমিনের আমভর্তা ও রঞ্জুর প্রথম দেখা

আষাঢ়ের বৃষ্টিভেজা দিনে জেসমিন পুকুরঘাটে আমভর্তা বানাচ্ছিল, আর রঞ্জু ধান বাঁচাতে এসে তাকে প্রথম দেখে মুগ্ধ হয়। বৃষ্টির মধ্যে একসাথে হোগলা তুলতে গিয়ে দুজনের চোখাচোখি, কিন্তু মানিক রঞ্জুকে সতর্ক করে দেয়—জেসমিন চেয়ারম্যানের মেয়ে, স্পর্শ করা নিষিদ্ধ।

নাইওরি | পর্ব ৩ | রঞ্জুর চিঠি ও জেসমিনের অপেক্ষা

জেসমিন রঞ্জুর চিঠি পায়, যেখানে কামিনী ফুল ও কবিতার মাধ্যমে তার ভালোবাসা জানানো হয়। চিঠির রহস্যময় প্রেরক কে সে নিয়ে জেসমিনের মন ঘোরে। সপ্তাহখানেক পর আবার চিঠি আসে, আর জেসমিন ধীরে ধীরে রঞ্জুর প্রতি আকৃষ্ট হয়।

নাইওরি | পর্ব ৪ | রঞ্জুর পরিচয় ও জেসমিনের প্রথম দেখা

জেসমিন রঞ্জুকে ভীতু বলে চিঠি লেখে, কিন্তু রঞ্জুর আবেগঘন উত্তরে তার মন নরম হয়। কামিনী ফুলের গাছের পানি দেওয়ার আমন্ত্রণে জেসমিন রঞ্জুর সাথে প্রথমবার মুখোমুখি হয়। দুজনের মধ্যে গড়ে ওঠে ভালোবাসার প্রথম মুহূর্ত, আর মতি হয়ে ওঠে তাদের গোপন যোগাযোগের চাবিকাঠি।

নাইওরি | পর্ব ৫ | জমির দ্বন্দ্ব ও জেসমিন-রঞ্জুর প্রেম

হারুন ব্যাপারী ও জয়নাল মির্জার মধ্যে জমির দখল নিয়ে উত্তেজনা চরমে। এদিকে জেসমিন ও রঞ্জু গোপনে দেখা করে, প্রেমের স্বপ্ন দেখে। মানিক তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে, কিন্তু জেসমিন আত্মবিশ্বাসী। রঞ্জু চাকরি শুরু করে ভবিষ্যৎ গড়ার প্রতিজ্ঞা করে।

নাইওরি | পর্ব ৬ | জেসমিন-রঞ্জুর গোপন দেখা ও মিত্তির দিঘির রহস্য

জেসমিন কুটুমবাড়িতে এসেছে, আর রঞ্জু অপ্রত্যাশিতভাবে তার কাছে আসে। মানিকের সাহায্যে ঠিকানা পেয়ে রঞ্জু জেসমিনকে দেখতে আসে। দুজন মিত্তির দিঘিতে ডোঙায় বসে কথা বলে, যেখানে জেসমিন দিঘির রহস্যময় কাহিনী শোনায়। কিন্তু ইয়াসিন আলী তাদের দেখে ফেলে, আর তারা সাঁতরে পালায়। রাতে রঞ্জু জেসমিনের জ্বরের খবর পেয়ে জানালায় আসে।