পিচ্চি বউ | শেষ পর্ব | মিথিলার সন্তান ও অভ্রের আনন্দ
অভ্র ও মিথিলার জীবনে এলো নতুন সদস্য। মিথিলার প্রসবের সময় রক্তের অভাবে সংকট, কিন্তু এক অপরিচিতের সাহায্যে সব ঠিক হয়। মেয়ে আয়েশা জন্ম নেয়, আনন্দে ভরপুর পরিবার।
অভ্র ও মিথিলার জীবনে এলো নতুন সদস্য। মিথিলার প্রসবের সময় রক্তের অভাবে সংকট, কিন্তু এক অপরিচিতের সাহায্যে সব ঠিক হয়। মেয়ে আয়েশা জন্ম নেয়, আনন্দে ভরপুর পরিবার।
নিলিমার কঠোর প্রত্যাখান আর গ্রামের ছেলে সিমুলের হৃদয় ভাঙা। প্রেম নিয়ে স্বপ্ন ভাঙার পরই বাবার মৃত্যুর খবরে ধ্বংস হয়ে যায় তার জগৎ। বাবা হারানোর বেদনা আর প্রেমের অপমানের মধ্যে তার সংগ্রাম শুরু।
নিলিমার কঠোর প্রত্যাখান আর গ্রামের ছেলে সিমুলের হৃদয় ভাঙা। প্রেম নিয়ে স্বপ্ন ভাঙার পরই বাবার মৃত্যুর খবরে ধ্বংস হয়ে যায় তার জগৎ। বাবা হারানোর বেদনা আর প্রেমের অপমানের মধ্যে তার সংগ্রাম শুরু।
নিলিমার কঠোর প্রত্যাখান আর গ্রামের ছেলে সিমুলের হৃদয় ভাঙা। প্রেম নিয়ে স্বপ্ন ভাঙার পরই বাবার মৃত্যুর খবরে ধ্বংস হয়ে যায় তার জগৎ। বাবা হারানোর বেদনা আর প্রেমের অপমানের মধ্যে তার সংগ্রাম শুরু।
বাবার মৃত্যুর পর সংসারের দায়িত্ব নিয়ে সিমুল ঢাকায় ফিরে রিকশা চালাতে শুরু করে। একদিন গাড়িতে ধাক্কা খেয়ে নির্যাতনের শিকার হয়। মানসিক চাপে ভুগছে সে। হঠাৎ মায়ের অসুস্থতার খবরে তাড়াতাড়ি গ্রামে ফেরার প্রস্তুতি নেয়।
বিয়ের দিন আদিবা নেহালের কাছে পালিয়ে আসে, কিন্তু নেহাল তাকে ছাড়তে নারাজ। চাবি খুঁজতে গিয়ে ফুলদানি ভাঙে, রাগে আদিবাকে ধরে তোলে নেহাল। কপাল কেটে যাওয়ায় নেহালের রাগ পরিণত হয় অনুশোচনায়। আদিবা তাকে নিচ বলে, কিন্তু নেহাল জানায়—তাকে ছাড়া তার জীবন অসম্পূর্ণ।
বিয়ের আসর থেকে পালিয়ে আসা আদিবাকে নেহাল জোর করে নিজের কাছে রাখে। আদিবার বাবা-মায়ের অপমানে সায়ান ভেঙে পড়ে। নেহাল আদিবাকে খাওয়াতে জোর করে, শারীরিক ক্ষত হয়। আদিবা আত্মহত্যার চেষ্টা করে, ছুরি নিজের পেটে ঢোকায়।
আদিবা ছুরি দিয়ে নিজেকে আঘাত করে, নেহাল রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে বাঁচাতে ডাক্তার ডাকে। চার ব্যাগ রক্তের প্রয়োজন হয়, নেহাল নিজের রক্ত দিতে বাধ্য করে ডাক্তারকে। জ্ঞান ফেরার পর আদিবা নেহালকে ঘৃণা জানায়, আর মিতি জানায়—আদিবা নেহালের স্ত্রী।
নেহাল আদিবাকে রক্ত দিয়ে বাঁচায়, কিন্তু আদিবা তাকে অপরাধী সাব্যস্ত করে। মিতির বিয়ের প্রস্তাব হয় সায়ানের সাথে। পুলিশ আদিবার বন্ধুদের কাছ থেকে সত্য জানে। শেষে মিতি বিয়ের রেজিস্ট্রি পেপার দেখায়—আদিবা নেহালের স্ত্রী!
নেহাল আদিবাকে ছলনার অপরাধ দেখায় এবং তাকে ধাক্কা দেয়, আবির চৌধুরী রেগে নেহালকে মারধর করে। সায়ান আদিবাকে ভালোবাসার কথা বলে এবং বিয়ের প্রস্তাব দেয়। নেহাল আদিবার কাছে আসে, সায়ানের সাথে তার দ্বন্দ্ব হয়, মিতি হস্তক্ষেপ করে শান্ত করে।
গায়েহলুদের পর আদিবার সাথে সায়ানের মায়ের তীব্র বচসা হয়, যেখানে তিনি আদিবাকে নেহালের স্ত্রী হওয়ার কথা উল্লেখ করে সায়ানের জীবন থেকে সরে যেতে বলেন। আদিবা মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে, আর নেহাল-মিতি শহর ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেয়।
বিয়ের মঞ্চে আদিবার ফোন বাজে—নেহাল-মিতির বাস এক্সিডেন্টের খবর। সায়ানের মা তাকে জোর করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। মিতি আদিবাকে জড়িয়ে ধরে, আর সায়ানের মা মিতির সাথে সায়ানের বিয়ের পরিকল্পনা করে। নেহাল ক্রিটিক্যাল, আদিবা মানসিক সংকটে।