ট্যাগ সুখের সমাপ্তি

আমার চন্দ্রাবতী | পর্ব ৩৬ এবং অন্তিম পর্ব | ইয়াদের জন্মদিন ও দুআর গর্ভাবস্থার শেষ মুহূর্ত

ইয়াদের জন্মদিনে দুআ গোপনে সারপ্রাইজ আয়োজন করে। গর্ভাবস্থার শেষ মাসে ক্লান্ত হলেও স্বামীর জন্য কেক বানায়, ঘর সাজায়। ইয়াদ ফিরে এসে সব দেখে আবেগাপ্লুত হয়। রাতে দুজনের মধ্যে ভালোবাসার গভীর মুহূর্ত ঘনীভূত হয়, আর দুআ তার শেষ প্রশ্ন রাখে: তার দাগওয়ালা মেয়ে কি একদিন তার মতো ভালো জীবন পাবে?

#যদি প্রেম দিলে না প্রাণে | শেষ পর্ব | মৈনাক-অপর্ণার পুনর্মিলন ও সুখের সমাপ্তি

মৈনাক অপর্ণার ফ্ল্যাটে এসে তার ভুল স্বীকার করে এবং ক্ষমা চায়। অপর্ণার প্রতি তার ভালোবাসা প্রকাশ করে বসু ভিলায় ফিরে আসে। এক বছর পর অপর্ণা গর্ভবতী হয়, আর তীর্থ বেকসুর খালাস পায়। সত্যেন ঘটক ও তার ছেলে দোষী সাব্যস্ত হয়। প্রেম, ক্ষমা ও ন্যায়ের জয়ে গল্পের শেষ।

#না চাহিলে যারে পাওয়া যায় | শেষ পর্ব | রুহি-রায়ীনের সুখের সমাপ্তি

ঝিলিক ও শিখা পরিবার ছেড়ে চলে যায়, রুহি গর্ভবতী হয়ে সুখের সংসার গড়ে। রায়ীন রুহিকে ভালোবাসার প্রতিজ্ঞা করে, আর তাদের জীবনে বাজে রবীন্দ্রসংগীতের সুর। সম্পর্কের শেষ পর্বে ফিরে আসে শান্তি ও প্রেমের চিরন্তন মুহূর্ত।

অনুভবে আজো তুমি | অন্তিম পর্ব | মেহেরের মা হওয়া ও ফায়াজের সুখের সমাপ্তি

মেহের টুইন বাচ্চার মা হয়েছে—একটি ছেলে ও একটি মেয়ে। ফায়াজ আনন্দে ভেঙে পড়ে। চার বছর পর, পরিবার সুখে আছে। সকালের নাস্তা, স্কুল পাঠানো, আর রাতে ফায়াজের লাল শাড়ি উপহার—সবেতে ভরপুর তাদের ভালোবাসা। গল্পের শেষ হয় সুখের নেশায়।

অনুভবে আজো তুমি | পর্ব ৩০ | মেহেরের গর্ভবতী হওয়া ও ফায়াজের আনন্দের খবর

মেহেরের বাবা তাকে ও ফায়াজকে ক্ষমা চায়। রাতে মেহের আর ফায়াজের মধুর মুহূর্ত চলে। কয়েকদিন পর ফায়াজ জানতে পারে মেহের গর্ভবতী। সবাইকে খুশির খবর দেয়। ফাইজা বেবির ফুপ্পি হওয়ার ঘোষণা দেয়। গল্পটি শেষের পথে।

অনুভবে আজো তুমি | পর্ব ২৯ | ফায়াজের শাস্তি ও মেহেরের ভালোবাসার প্রতিজ্ঞা

ফায়াজ মেহেরের সামনে হাজির হয় এবং নিজেকে শাস্তি চায়। মেহের তাকে সারাজীবন ভালোবাসার শাস্তি দেয়। রাতে মেহের নিশ্চিত করে যে সব সত্যি, আর ফায়াজ তাকে হারিয়ে ফেলার ভয়ে আতঙ্কিত হয়। পরদিন সকালে পরিবারের সাথে মধুর মুহূর্ত কাটে।

সারপ্রাইজ লাভার | পর্ব ৩৩ | আয়ানের দুর্ঘটনা, রক্তদান ও আবার প্রেমের প্রস্তাব

আয়ানের দুর্ঘটনার পর আরোহি হাসপাতালে ছুটে আসে। আয়ানের জন্য জরুরি রক্তের ব্যবস্থা করে সানভি। ২৪ ঘন্টার মধ্যে জ্ঞান ফেরায় আয়ান। সুস্থ হওয়ার পর আয়ান আরোহিকে আবার বিয়ের প্রস্তাব দেয়, আর আরোহি 'হ্যাঁ' বলে। গল্পের সমাপ্তি ঘটে পুনর্মিলনের আনন্দে।

একদিন তুমিও ভালোবাসবে | পর্ব ৬৬ | পরিবারের মিলন ও রাজ-কোয়েলের বিয়ের প্রস্তুতি

রাজ কোয়েলের বাবা আশীষবাবুর সত্যি উদ্দেশ্য উদঘাটন করে পরিবারের মধ্যে মিটমাট ঘটায়। কোয়েল ও মা মৃন্ময়ীদেবীর সাথে আশীষবাবুর মিলন হয়। রাজ কোয়েলকে নিজের রাজরানী করে রাখার প্রতিশ্রুতি দেয়। সাত বছর পর তাদের বিয়ের আয়োজন চলছে, সবাই একত্রিত হয়েছে।

চুক্তির বিয়ের সংসার | পর্ব ১১ | রাজ-মৌয়ের পুনর্মিলন ও সুখের সংসারের শুরু

রাজ মৌকে ছেড়ে চলে যায়, কিন্তু জ্বরে অচেতন হয়ে শুধু মৌয়ের নাম ডাকে। মৌ রিওর কাছ থেকে খবর পেয়ে রাজের কাছে ছুটে আসে। দুজনে ভুল বুঝে কষ্ট দিলেও পরস্পরকে ভালোবাসে। মৌ ক্ষমা চায়, রাজও অনুতপ্ত হয়। রিচির মাঝে দাঁড়িয়ে তারা আবার এক হয়। সবাই মিলে শুরু করে 'সুখের সংসার'।

সেলফিশ | পর্ব ১৪ ও শেষ | নীলার পতন ও কাব্যের দুই বউয়ের সুখের সমাপ্তি

নীলা (নীশা) কাব্যকে জোর করে বিয়ের প্রস্তাব দেয়, মিরা ও স্বর্নাকে হত্যার হুমকি দেয়। কাব্য মিরার আত্মঘাতের হুমকি দেখে ভেঙে পড়ে। রিয়া পুলিশ নিয়ে এসে নীলাকে গ্রেফতার করে। স্বর্না বেঁচে যায় কিন্তু ভ্রূণ হারায়। কাব্য মিরা ও স্বর্নাকে একসাথে বিয়ে করে, পরিবারের কোলাহলে শুরু হয় নতুন জীবন।

ডায়েরী শেষ পাতা | পর্ব ৬ | নুসরাতের ফিরে আসা ও সাজ্জাদের সারপ্রাইজ

সাজ্জাদ ২ মাস পর নুসরাতের বাসায় হাজির হয় সারপ্রাইজ দিতে। নুসরাতের রুমে ছড়ানো তার ছবি দেখে অবাক হয়। নুসরাত তাকে জড়িয়ে ধরে, কষ্টের দিন শেষে দুজনের মন জুড়িয়ে যায়। গল্পের শেষে তারা সুখে একসাথে ঘুমিয়ে পড়ে।

গ্রামের ছেলেটি | পর্ব ২২ | শেষ পর্বে বিয়ে ও গর্ভবতী হওয়ার চমক

শিমুল ও নিলিমার মধ্যে বিচ্ছেদের টানাপোড়েন চলতে থাকে। নিলিমার বন্ধু তাকে প্রোপোজ করলে শিমুল মন ভেঙে পড়ে। পরে জানা যায় নিলিমা গর্ভবতী, আংটিটি ছিল শিমুলের জন্য। দুজনে বিয়ে করে নতুন জীবন শুরু করে।