ট্যাগ পরিবারের দ্বন্দ্ব

নাইওরি | পর্ব ১০ | মসলা বাটার প্রথম দিন ও জমির দ্বন্দ্ব

জেসমিন শ্বশুরবাড়িতে মসলা বাটতে বাধ্য হয়, রঞ্জু তাকে সাহায্য করে। রঞ্জু ঢাকায় চলে যাওয়ার পর জেসমিন কেশবপুরে আসে। হারুন ব্যাপারী জয়নাল মির্জাকে কালিসুরির জমি নিয়ে কথা তোলে, কিন্তু চেয়ারম্যান সূক্ষ্ম হুমকি দিয়ে বিষয়টি ঘুরিয়ে দেন। হারুন বুঝতে পারেন, বিয়েটি ছিল ভুল সিদ্ধান্ত।

আমার চন্দ্রাবতী | পর্ব ২৭ | ইয়াদের বাবার প্রস্তাব ও দুআর অস্থিরতা

ইয়াদের বাবা সাজ্জাদ সাহেব দুআর বাসায় এসে বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে আসেন, আর দুআ আনন্দ-উদ্বেগে ভরপুর হয়। ইয়াদ ফোন কেটে সিম ফেলে দেয়, তার রাগের কারণ বন্ধুরা বুঝতে পারে। দুআ ইয়াদের মায়ের সাথে কথা বলে শান্তি পায়, কিন্তু যোগাযোগহীনতায় মন ভারী হয়। ইয়াদ চট্টগ্রামের পথে ছুটে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।

আমার চন্দ্রাবতী | পর্ব ২৬ | ইয়াদের ফিরে আসা ও দুআর তেলে ভেজা মুহূর্ত

ইয়াদ ফিরে এসে দুআকে আবদার করে আর আশ্বাস দেয়, আর দুআ তার তেল মাখা মাথায় ভিডিও কলে লজ্জায় পড়ে। সাজ্জাদ সাহেব হঠাৎ চট্টগ্রামে আসায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। প্রেম ও পরিবারের টানাপোড়েনে দুআর মন বিচলিত হয়।

আমার চন্দ্রাবতী | পর্ব ৩ | দুআর অভিমান ও ঢাকায় যাওয়ার স্বপ্ন

দুআ মায়ের কাছ থেকে ঢাকায় যাওয়া বারণ শুনে অভিমানে ভেঙে পড়ে। রিজোয়ান ও বন্ধুদের সাহায্যে সে কারখানায় গিয়ে বাবাকে রাজি করায়। অন্যদিকে, ইয়াদ বাড়ি ফিরে জানতে পারে মাইশার হবু শ্বশুরবাড়ি থেকে মেহমান আসছে, যাদের সাথে আছে দুআ। মারিয়া ইয়াদকে দুআর ছবি দেখায়, আর ইয়াদ মনে মনে মুগ্ধ হয়।

#না চাহিলে যারে পাওয়া যায় | পর্ব ৩৬ | রায়ীনের ফিরে আসা ও আশরাফের অনুশোচনা

রায়ীন ফিরে এলে পরিবারে ফিরে আসে আনন্দ, রুহি ছেলেকে জড়িয়ে কাঁদে। আশরাফ সবার সামনে শিখার হিংসার তীব্র নিন্দা করে অনুশোচনা করে, আফজাল-শিখাকে নাসিরাবাদে চলে যাওয়ার নির্দেশ দেয়। ঝিলিকের কারণে রায়ীন ফিরে এসেছে জেনে আশরাফ তাকে ঋণী বলে স্বীকার করে।

#না চাহিলে যারে পাওয়া যায় | পর্ব ৩৫ | ঝিলিকের বিশ্বাসভঙ্গ ও রায়ীন-রুহির রহস্যময় অদৃশ্য হওয়া

ঝিলিক সৌরভের সাথে অন্য মেয়ের ঘনিষ্ঠ ছবি দেখে বিশ্বাসভঙ্গের আঘাত পায় এবং তীব্র মানসিক সংগ্রামে ভোগে। অন্যদিকে, রায়ীন ও তার শিশু ছেলে রাহি রহস্যজনকভাবে অদৃশ্য হয়ে যায়, রুহি ও পরিবার হন্যে হয়ে খোঁজে। শুভ অনুশোচনায় ভুগছে, আর রোজীর মাথা ঘুরে মাটিতে পড়ে যায়।

#না চাহিলে যারে পাওয়া যায় | পর্ব ৩০ | রুহির বাচ্চা বাঁচার আনন্দ ও শিখার প্রতিহিংসার বিষ

রুহি পড়ে যাওয়ার পর শুভের হাতে বেঁচে যায়, রায়ীন জানায় বাচ্চা ঠিক আছে। ঝিলিক সৌরভের হাত থেকে প্রাণে বেঁচে, শিখা রোজীর কাছে রুহির ক্ষতি না করার অনুরোধ শুনে কঠিন হয়ে ওঠে। প্রতিহিংসার বিষ তার হৃদয় জুড়েছে।

#না চাহিলে যারে পাওয়া যায় | পর্ব ২৪ | রুহির জন্য শশুরের উপহার ও শুভের বিষোদ্গার

রুহিকে শশুরবাড়ির গয়না ও হীরের হার দেয় রোজী, আশরাফের চোখে জল। শেষ ইচ্ছে পূরণের আহ্বান আসে বংশধরের জন্য। ঝিলিক সৌরভের কাছ থেকে মুক্তির ঘোষণা দেয়। শুভ রুহির মনে সন্দেহ বুনতে থাকে রায়ীন নিয়ে।

#না চাহিলে যারে পাওয়া যায় | পর্ব ২০ | রায়ীনের ব্যবসায়িক সিদ্ধান্ত ও রুহির আদর

রায়ীন একশো কোটি টাকা ব্যাংকে বিনিয়োগ করে আফজাল ও সৌরভের ক্রোধের মুখে পড়ে। সৌরভের গোপন প্রকল্প ফাঁস হওয়ায় তিক্ততা বাড়ে। রুহি আঘাত পাওয়া রায়ীনকে আইস দেয়, আর তাদের মধ্যে আবেগঘন মুহূর্ত তৈরি হয়। রায়ীন স্বীকার করে যে রুহির জন্য সে যেকোনো ব্যথা সহ্য করতে প্রস্তুত।

#না চাহিলে যারে পাওয়া যায় | পর্ব ১৯ | রুহির সংঘাত ও শুভের আত্মহত্যার চেষ্টা

রুহি শুভের কথা মনে করে মানসিক ভাবে ভেঙে পড়ে এবং রায়ীনকে জড়িয়ে কাঁদে, কিন্তু লজ্জায় সব গোপন রাখে। শুভ মাকে চাপ দিয়ে কিছু একটা চায়, হাত কেটে আত্মহত্যার ইঙ্গিত দেয়। রায়ীন রুহির চাকরি চিটাগংয়ে নিতে বলে। আফজাল রায়ীনকে জনসামনে চড় মারে।

#না চাহিলে যারে পাওয়া যায় | পর্ব ১০ | রুহির প্রত্যাবর্তন ও পরিবারের চাপ

রুহি শশুরবাড়িতে ফিরে ভারী শাড়ি ও গহনা পড়তে বাধ্য হয়। শাশুড়ি রোজী তাকে পরিবারের প্রতি দায়িত্ব মনে করিয়ে দেয়, আর আত্মীয়দের সামনে পরিচয়ের মঞ্চে রুহি অস্বস্তিবোধ করে। ঝিলিকের উপর সৌরভের নিষ্ঠুর আচরণ পরিবারের গভীর টানাপোড়েন তুলে ধরে।

#না চাহিলে যারে পাওয়া যায় | পর্ব ৯ | রুহির আগমন ও ঝিলিকের প্রথম দেখা

রুহি রায়ীনের বাড়িতে পৌঁছায় অবস্থায়, সবার সাথে পরিচয় হয় কিন্তু শিখার উপেক্ষা আর ঝিলিকের চ্যালেঞ্জিং আচরণে অস্বস্তিবোধ করে। রায়ীন তার সাথে তর্ক করে, আর রুহি স্পষ্ট করে দেয় যে সে তাকে মন থেকে মানেনি। বিছানা শেয়ার নিয়ে ঝগড়ায় উত্তপ্ত হয় পরিস্থিতি।