গ্রামের ছেলেটি | পর্ব ১৩ | নিলিমার হাসি ও রাকিবের স্বীকারোক্তি
শিমুল নিলিমার হাসি দেখে ভেঙে পড়ে, রাকিব রাইসাকে ভালোবাসি বলে স্বীকারোক্তি দেয়। তামান্না খাবার পাঠায়, নিলিমা শাড়ি পরে অফিসে আসে এবং শিমুলকে মিটিংয়ে পাঠায়।
শিমুল নিলিমার হাসি দেখে ভেঙে পড়ে, রাকিব রাইসাকে ভালোবাসি বলে স্বীকারোক্তি দেয়। তামান্না খাবার পাঠায়, নিলিমা শাড়ি পরে অফিসে আসে এবং শিমুলকে মিটিংয়ে পাঠায়।
নিলিমা শিমুলের বাসায় আসে এবং তার সাথে আবেগঘন মুহূর্ত কাটায়। ছাদে বসে নিলিমা ভার্সিটির অতীত ও ভুল প্রেমের কথা মনে করে। শিমুল নিজেকে গ্রামের গাইয়াভুত ছেলে হিসেবে চিনিয়ে দেয়, যাকে নিলিমা একসময় অপমান করেছিল।
আমার মা ঢাকায় বিভিন্ন বাসা বাড়িতে ছুটা কাজ করে। আমি আর আমার ছোট বোন গ্রামের বাড়িতে আমার নানুর কাছে থাকি। আমার বয়স যখন সাত বছর আর ছোট বোনটার চার।তখন একদিন আমার বাবা আমাদেরকে নানুর বাড়ি রেখে চলে গেছে।
রেজোয়ান নিলিকে বসিয়ে দিয়ে বেরিয়ে গেলো তিন্নি। রেজোয়ানকে রুমে নিয়ে এলো ফুয়াদ। নিলি চুপচাপ বিছানায় বসে রইলো। রেজোয়ান ওয়াশরুমে ঢুকে পড়লো। হুট করে নিলির মুখোমুখি হতে সংকোচ লাগছে।
তিন্নির কাছে সেদিন রাতে কোন ফোন এলো না। ফুয়াদ ফোন করলেও তিন্নি সংকোচে ঠিকমত কথা বলতে পারে নি। ফুয়াদ বাসায় এসে তিন্নির সঙ্গে দেখা করে এবং কফি খায়।
নিলির জ্ঞান ফিরে আসে ১২ ঘন্টা পরে। ডাক্তাররা তাকে ২৪ ঘন্টা পর্যবেক্ষণে রাখে। নিলির চিকিৎসার জন্য রেজোয়ান প্রচুর টাকা খরচ করে। জাহিদ নিলির পাশে থাকে।
রেজোয়ান প্লেনে ওঠার প্রস্তুতি নিচ্ছে, জাহিদের ফোন পেতে চেষ্টা করছে। জাহিদ জানায় নিলি অ্যাক্সিডেন্ট করে হস্পিটালাইজ। রেজোয়ান অস্থির হয়ে পড়ে।
নিলি হস্পিটালে এসেছে রেজোয়ানের সঙ্গে দেখা করতে। জাহিদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা করে নিলি ভেতরে ঢুকে রেজোয়ানের সঙ্গে কথা বলে। রেজোয়ান নিলিকে ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।
রেজোয়ানের বাসার ছাদে তিন্নি ও রেজোয়ান পাশাপাশি দাঁড়িয়ে। রেজোয়ান নিলির বিষয়ে গল্প বলতে শুরু করে। রেজোয়ান নিলিকে ভালোবাসে, কিন্তু নিলি রেজার সঙ্গে বিয়ে করতে চলেছে।
রেজোয়ান তিন্নিকে নিয়ে মায়ের বাড়ি যায়। তিন্নি রেজোয়ানের মাকে অফিসের গোপন বিষয় নিয়ে সাবধান করে। শায়লা মুরসালীন রেজোয়ানকে নিলির সাথে সম্পর্ক ছেড়ে বিয়ে করতে চাপ দেয়।
রেজোয়ান নিলির বিষয়ে তথ্য বের করার দায়িত্ব জাহিদকে দেয়. নিলির স্বামী মুবিন মারা যাওয়ার পর তাঁর শ্বশুরবাড়ির লোকজন সম্পত্তি বিক্রি করে দেশের বাইরে সেটেল হয়ে গেছে. নিলিকে রেজা গ্রুপের মালিক মি.রেজা চাকরী অফার করেছে.
রেজোয়ান ছাদে দাঁড়িয়ে কফি উপভোগ করছিল। তিন্নি এসে তার কানে চিৎকার করে এবং রেজোয়ানকে চমকে দেয়। তিন্নি রেজোয়ানের মন খারাপের কারণ জানতে চায়। রেজোয়ান গান গাইতে চায় এবং তিন্নিকে গান গাইতে বলে।