তুমি তাই | পর্ব ১-২ | অতীতের মুখোমুখি
অফিসের গোপন উন্মোচিত হয় যখন রেজোয়ান ও তিন্নি ছাদে মুখোমুখি হয়, এরপর নিলির সাক্ষাৎকারে অতীতের কষ্ট ও ধোঁকা প্রকাশ পায়, দুটো পর্বে প্রেম ও প্রতিশোধের টানাপোড়েন দেখা যায়।
অফিসের গোপন উন্মোচিত হয় যখন রেজোয়ান ও তিন্নি ছাদে মুখোমুখি হয়, এরপর নিলির সাক্ষাৎকারে অতীতের কষ্ট ও ধোঁকা প্রকাশ পায়, দুটো পর্বে প্রেম ও প্রতিশোধের টানাপোড়েন দেখা যায়।
গল্পহাব কালেকশন পর্ব ৩-৪-এ নিলি অফিসের সাক্ষাৎকারে চাকরির নিশ্চিতকরণ পায়, রেজোয়ান রিক্সা ঝগড়ায় জড়িয়ে পড়ে, তথ্য লিকের অভিযোগে পুলিশ আসে এবং রেজোয়ানের প্রতিশোধের ছায়া সবকে কাঁপিয়ে দেয়।
রেজোয়ান বাসায় ফিরে অদ্ভুত অনুভূতি অনুভব করছে। তিন্নি বাসায় না পেয়ে রেজোয়ানকে খাবার জন্য বাজার করতে বলে। রেজোয়ান ফ্রিজ খালি পেয়ে অবাক হয়ে যায়।
নিলি থানায় বন্দী অবস্থায় অমানুষিক নির্যাতনের শিকার। পুলিশ তাকে দোষী প্রমাণ করতে চায়। নিলি মিথ্যা অপবাদের দায়ভার মাথায় নিয়ে শাস্তি পেতে যাচ্ছে।
রেজোয়ান ছাদে দাঁড়িয়ে কফি উপভোগ করছিল। তিন্নি এসে তার কানে চিৎকার করে এবং রেজোয়ানকে চমকে দেয়। তিন্নি রেজোয়ানের মন খারাপের কারণ জানতে চায়। রেজোয়ান গান গাইতে চায় এবং তিন্নিকে গান গাইতে বলে।
নিলি অফিসে জয়েন করার এক সপ্তাহ পরে, রেজোয়ান তাকে ডেকে পাঠায়। নিলি ভয়ে ভয়ে রেজোয়ানের কাছে যায়। রেজোয়ান তাকে বলে যে আজ অথবা কাল পুলিশ তার বাসায় বা অফিসে আসতে পারে। নিলি ভয় পায় এবং রেজোয়ান তাকে একটি অফার দেয়।
রেজোয়ান নিলির বিষয়ে তথ্য বের করার দায়িত্ব জাহিদকে দেয়. নিলির স্বামী মুবিন মারা যাওয়ার পর তাঁর শ্বশুরবাড়ির লোকজন সম্পত্তি বিক্রি করে দেশের বাইরে সেটেল হয়ে গেছে. নিলিকে রেজা গ্রুপের মালিক মি.রেজা চাকরী অফার করেছে.
রেজোয়ান কর্তৃক অপহৃত রেজার নগ্ন ভিডিও ব্ল্যাকমেইলের শিকার হওয়ার কাহিনী এবং নিলির অফিসে এসে রেজোয়ানের সাথে তর্ক ও কান্নার বর্ণনা।
রেজোয়ান তিন্নিকে নিয়ে মায়ের বাড়ি যায়। তিন্নি রেজোয়ানের মাকে অফিসের গোপন বিষয় নিয়ে সাবধান করে। শায়লা মুরসালীন রেজোয়ানকে নিলির সাথে সম্পর্ক ছেড়ে বিয়ে করতে চাপ দেয়।
রেজোয়ানের বাসার ছাদে তিন্নি ও রেজোয়ান পাশাপাশি দাঁড়িয়ে। রেজোয়ান নিলির বিষয়ে গল্প বলতে শুরু করে। রেজোয়ান নিলিকে ভালোবাসে, কিন্তু নিলি রেজার সঙ্গে বিয়ে করতে চলেছে।
রেজোয়ান রেজাকে বিয়ের দাওয়াত পৌঁছে দেওয়ার সাথে সাথে সাথে প্রতিশোধের পরিকল্পনা করে। রেজোয়ান রেজাকে কিডন্যাপ করার হুমকি দেয়।
ফুয়াদ তিন্নির সার্টিফিকেট নষ্ট করে ফেলেছে। তিন্নি ফুয়াদের কপাল ফাটিয়ে দেয়। ফুয়াদ তিন্নিকে থানায় ডাইরী করতে বলে। নিলির বাসার বাইরে রেজোয়ান জাহিদকে নিলিকে কনভিন্স করার জন্য পাঠায়।