চিরেকুটের শব্দ | পর্ব ৬ | প্রান্তের দুর্ঘটনা ও অর্ণবের সন্দেহ
অর্থি তার প্রাক্তন প্রেমিক প্রান্তের দুর্ঘটনার খবর পায় এবং হাসপাতালে দেখতে যায়, কিন্তু অর্ণবের সন্দেহ ও নিষ্ঠুর মেসেজ তার জীবনকে আরও বিষাদময় করে তোলে।
অর্থি তার প্রাক্তন প্রেমিক প্রান্তের দুর্ঘটনার খবর পায় এবং হাসপাতালে দেখতে যায়, কিন্তু অর্ণবের সন্দেহ ও নিষ্ঠুর মেসেজ তার জীবনকে আরও বিষাদময় করে তোলে।
অর্থির নীরব জীবন ও ভালোবাসার রঙিন স্বপ্ন, কিন্তু অর্ণবের মনে রয়েছে অন্য পরিকল্পনা। ঈষিতার সাথে অর্ণবের গোপন ষড়যন্ত্র ও অর্থির করুণ লড়াইয়ের বিস্তারিত কাহিনী।
রুবাইয়া তার বাবাকে নিয়ে মানিকগঞ্জ রওনা হয় শাশুড়িকে নিয়ে আসতে। শাশুড়ি আসার পর ছেলে সিরাতকে ফিরে পাওয়ার আশায় থাকে। রুবাইয়া তার শাশুড়ির সাথে যোগাযোগ রাখে এবং তাকে নিয়ে আসার জন্য মায়ের কাছে অনুরোধ করে।
রুবাইয়া তার সন্তান সিরাতকে ফিরে পেতে পুলিশের সাহায্য চায়, কিন্তু ওসির কঠোর কথায় নিজের ভুল বুঝতে পারে এবং শাশুড়িকে মেনে নিয়ে সংসার করার সিদ্ধান্ত নেয়।
রুবাইয়ার কাছে স্যরি বলে মন নরম করে আমি বাসা থেকে বের হলাম। রুবাইয়া খুশি হলেও আমি আমার আম্মুর বুক থেকে তাকে আলাদা করে নিয়ে চলে গেলাম।
আমার মা অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় বিধবা হন, আমাকে সাত মাসের পেটে নিয়ে জন্ম দেন। আমার মামা আম্মুর জন্য একটা বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে আসে, আম্মু রাজি হন। বিয়ের পর লোকটা আমাকে আদর যত্ন করে কিন্তু কিছুদিন পর আমাকে মারধোর করে। আম্মু আমাকে নিয়ে বাড়ি থেকে চলে আসেন। আমি লেখাপড়া শেষ করে সরকারি কর্মকর্তা হই। ভালোবেসে বিয়ে করি রুবাইয়াকে। রুবাইয়া আম্মুকে সহ্য করতে পারে না।