চাচাত বোন যখন আদূরে বউ | পর্ব ৭ | নিলীমার রাতের আমন্ত্রণ ও ছাদের গোপন মুহূর্ত

নিলীমা রাতে ঘুম না আসায় হুমকে ছাদে ঘুরতে ডাকে। হুম তাকে কোলে করে নিয়ে যায়। আগের দিনের ঘটনা মনে করে হাসে মেডামের সাথে সাক্ষাতের পর। প্রেম, মিষ্টি তর্ক ও ঘনিষ্ঠতায় ভরপুর এই পর্বে আবেগ আরও গভীর হয়।

চাচাত বোন যখন আদূরে বউ | পর্ব ৬ | বাসরের প্রথম সকাল ও রান্নাঘরের মুহূর্ত

বাসর রাতের পর নিলীমা ও লেখকের প্রথম সকাল। নিলীমা পানি ছিটিয়ে হাসে, লজ্জায় চোখ নামায়, আর রান্নাঘরে গুনগুন করে গান গায়। প্রেম, লজ্জা ও দৈনন্দিন মুহূর্তে ভরপুর এই অধ্যায়ে ঘনিষ্ঠতা আরও গভীর হয়।

চাচাত বোন যখন আদূরে বউ | পর্ব ৫ | নিলীমার অপ্রত্যাশিত সিদ্ধান্ত ও বাসরের প্রস্তুতি

নিলীমা হঠাৎ ঘোষণা করে রাতেই বাসর করবে, কারণ হাসাহাসির জন্য সে ঈর্ষান্বিত হয়। হুম প্রথমে অবাক হলেও ফুল কিনে আনে। আবেগ, ঈর্ষা ও প্রেমের মিশ্রণে প্রস্তুতি শুরু হয় এক অপ্রত্যাশিত রাতের জন্য।

চাচাত বোন যখন আদূরে বউ | পর্ব ৪ | নিলীমার পরীক্ষা ও ঢাকায় নতুন জীবন

নিলীমার অপরিচিত নাম্বার থেকে কল, পরিচয় পরীক্ষার মাধ্যমে ভালোবাসার প্রমাণ। এসএসসি পাসের পর ঢাকায় ভর্তি, রান্নার দক্ষতা ও প্রতিদিনের সান্নিধ্যে গভীর হয় ঘনিষ্ঠতা। প্রতিদিন কলেজে যাওয়া-আসা, রাতে পড়াশোনা—নতুন জীবনের সূচনা।

চাচাত বোন যখন আদূরে বউ | পর্ব ৩ | নিলীমার কান্না ও ঢাকায় বিদায়

নিলীমা আর লেখকের ঘনিষ্ঠতা আরও গভীর হয়। পরিবার তাদের বিয়ে দেয়। নিলীমা স্কুলে এক ছেলের প্রেমের প্রস্তাব নাকচ করে। লেখক ঢাকার ভার্সিটিতে ভর্তি হয়, কিন্তু নিলীমা তাকে ছাড়া থাকতে পারে না। বিদায়ের মুহূর্তে সে কাঁদে, আর ঢাকায় পৌঁছে এক অপরিচিত নাম্বার থেকে রহস্যময় কল আসে।

চাচাত বোন যখন আদূরে বউ | পর্ব ২ | নিলীমার কান্না ও আলাদা হওয়ার ব্যথা

নিলীমা আর লেখকের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের গল্প এগিয়ে যায়। যখন তাদের আলাদা ঘরে ঘুমানোর নির্দেশ দেওয়া হয়, নিলীমা রাতে কাঁদতে কাঁদতে ভাইয়ের কাছে ছুটে আসে। তার কান্না ও আলাদা হওয়ার ভয় প্রকাশ করে যে তাকে ছাড়া ঘুম আসে না। আবেগঘন মুহূর্তে তারা আবার একসাথে জড়িয়ে ঘুমায়।

চাচাত বোন যখন আদূরে বউ | পর্ব ১ | প্রথম দিনের ঘটনা

নিলিমা ও লেখক একই বাসায় থাকে, যৌথ পরিবারের আবহে গড়ে ওঠা ঘনিষ্ঠতা। নিলিমা তাকে ভয় পায়, ভালোবাসে, আর সে তাকে মাথায় হাত বুলিয়ে ঘুম পাড়ায়। স্মৃতিতে ফিরে দেখায় সাত বছর আগের বিয়ের কথা, যখন তারা ছিল ক্লাস ৮ ও ৫-এ।

সেলফিশ | পর্ব ১৪ ও শেষ | নীলার পতন ও কাব্যের দুই বউয়ের সুখের সমাপ্তি

নীলা (নীশা) কাব্যকে জোর করে বিয়ের প্রস্তাব দেয়, মিরা ও স্বর্নাকে হত্যার হুমকি দেয়। কাব্য মিরার আত্মঘাতের হুমকি দেখে ভেঙে পড়ে। রিয়া পুলিশ নিয়ে এসে নীলাকে গ্রেফতার করে। স্বর্না বেঁচে যায় কিন্তু ভ্রূণ হারায়। কাব্য মিরা ও স্বর্নাকে একসাথে বিয়ে করে, পরিবারের কোলাহলে শুরু হয় নতুন জীবন।

সেলফিশ | পর্ব ১৩ | নীলার প্রতিশোধ ও মিরা-স্বর্নার মৃত্যুর মুখোমুখি

নীলা মিরা ও স্বর্নাকে পুরান গোডাউনে আটকে রেখে তাদের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নেয়, ঘোষণা করে সে কাব্যকে ভালোবাসে এবং তাদের কারণে তার ভালোবাসা হারায়। মিরা ও স্বর্না শোনে যে নীলা আসলে নীশা, যে প্লাস্টিক সার্জারি করে তাদের চেহারা নেয়। নীলা দুজনকে গুলি করার জন্য রিভলবার তোলে।

সেলফিশ | পর্ব ১২ | মিরার সাথে রাত ও স্বর্নার গর্ভবতী হওয়ার চাঞ্চল্য

মিরা কাব্যের ঘরে আপত্তিকর অবস্থায় আসে এবং তাকে নিজের করে নেওয়ার কথা বলে। পরদিন স্বর্না হাজির হয়ে ঘোষণা করে সে কাব্যের সন্তান নিয়ে গর্ভবতী। কাব্য অস্বীকার করলেও স্বর্না স্মরণ করায় জ্বরের রাতের ঘটনা। মিরা শুনে চড় মারে কাব্যকে এবং আত্মহত্যার চেষ্টা করে।

সেলফিশ | পর্ব ১১ | কাব্যর মিরাকে ছাড়ার সিদ্ধান্ত ও ম্যামের রহস্যময় সারপ্রাইজ

কাব্য ম্যামকে সব সত্য বলে, মিরাকে ভালোবাসে না বলে মন ভাঙায়। মিরা কাঁদে, কিন্তু কাব্য নিজেকে খারাপ বানিয়ে সম্পর্ক ছেদ করে। পরদিন অফিসের ম্যাম তার ঘরে হাজির হয় এক রহস্যময় সারপ্রাইজ নিয়ে।

সেলফিশ | পর্ব ১০ | মিরার ভালোবাসার স্বীকারোক্তি ও কাব্যর প্রতিক্রিয়া

মিরা কালো শাড়ি পরে কাব্যকে মুগ্ধ করে, আর তার সামনে স্বীকার করে তাকে ভালোবাসে। কাব্য প্রথমে বিভ্রান্ত হলেও শেষে মিরাকে জড়িয়ে নেয়। স্বর্না তাদের দেখে কাঁদতে কাঁদতে চলে যায়। অফিসে ম্যাম কাব্যকে জানায়, তাকে পার্কে তার গার্লফ্রেন্ডের সাথে দেখা গেছে।