ক্যাটাগরি থ্রিলার গল্প

#যদি প্রেম দিলে না প্রাণে | পর্ব ১ | মৈনাক-অপর্ণার আদালতের যুদ্ধ

মৈনাক বসু, কলকাতার নামকরা ব্যারিস্টার, আদালতে নিজের দ্বিতীয় স্ত্রী অপর্ণার কাছে পরাজিত হয়ে হতবাক। অপর্ণা নিজেকে প্রমাণের লড়াইয়ে নেমেছে, আর মৈনাক নিজের পেশার সাথে নিজেরই যুদ্ধে জড়িয়েছে। অতীতের বিষ এখন আদালতের মঞ্চে।

প্রিয় অভিমান | পর্ব ৬ | রুহানির প্রখরতা ও বাবার স্ট্রোকের খবর

রুহানি তায়েফের সাথে বন্ধুত্ব ছেড়ে পুকুর পাড়ে বসে থাকতেই ফালাকের সঙ্গে তীব্র তকরার হয়। ডিম ছোড়াছুড়ির পর সে বন্ধুদের নিয়ে বেড়াতে যায়, কিন্তু বাড়ি ফিরে শোনে বাবার স্ট্রোকের খবর। মায়ের কান্নায় ভেঙে পড়ে রুহানি।

প্রিয় অভিমান | পর্ব ৫ | রনকের ভয় ও রুহানির বদলে যাওয়া মন

রনক রুহানির বাড়িতে পা রাখে ভয়ে ভয়ে, অস্বস্তিতে কাবু। রুহানি মজা নেয়, কিন্তু পরে তাকে সাজায় সার্ভেন্ট। ফালাক পার্টিতে রুহানিকে নতুন রূপে দেখে মুগ্ধ হয়, কিন্তু নিজেকে বাজে ভাবনা থেকে সামলায়। রুহানি ফালাকের প্রতি ক্রমশ আকৃষ্ট হয়, আর তায়েফকে চড় মারে যখন জানে এক মেয়েকে গায়ে হাত দেওয়া হয়েছে।

প্রিয় অভিমান | পর্ব ৪ | রুহানির প্রতিশোধ ও ফালাকের ঝাল কফি

রুহানি ফালাকের কফিতে মরিচের গুঁড়ো মিশিয়ে প্রতিশোধ নেয়। ফালাক ঝাল সহ্য করতে না পেরে রাগে কাঁপে এবং রুহানিকে তাড়া করে। পুকুর পাড়ে দুজনের তীব্র মুখোমুখি হয়, যেখানে ফালাক রুহানিকে 'বিল্লি রাণী' বলে ডাকে আর রুহানি জবাব দেয়, 'আপনি খাটাশের সর্দার'।

প্রিয় অভিমান | পর্ব ৩ | রুহানির বাজিমাত ও রনকের স্বপ্ন

রুহানি ফালাকের নাম্বার ছড়ানোর পরিকল্পনা করে, কিন্তু ভুল নাম্বারে ফাঁদে পড়ে। স্যার তাকে রনকের সাথে বসায়। গ্রামের ছেলে রনকের বাবার স্বপ্নের কথা শুনে রুহানির মন নরম হয়। ফালাক দূর থেকে সব দেখে।

প্রিয় অভিমান | পর্ব ২ | রুহানির প্রতিশোধ ও ফালাকের জরুরি মিটিং

রুহানি ফালাকের গাড়ির চাকায় পিন ঢুকিয়ে প্রতিশোধ নেয়। ফালাক চাকা ফেটে যাওয়ায় জরুরি মিটিংয়ে যেতে বিপদে পড়ে। শুভের গাড়িতে চড়ে সময় মতো পৌঁছায়। এদিকে রুহানি ক্লাস টেস্টে মাত্র ৬ পায়, স্যার বাবার কাছে খবর দেবার হুমকি দেয়। রুহানি ভয়ে পড়ে যায়।

প্রিয় অভিমান | পর্ব ১ | রুহানি ও ফালাকের প্রথম দেখা ও সংঘাত

ভার্সিটির আতংক রুহানি আর নতুন সিনিয়র ফালাকের মুখোমুখি হওয়ায় শুরু হয় তীব্র সংঘাত। পা বাড়িয়ে ফালাক পড়ে যায়, হাসির মাঝে শুরু হয় অপমানের খেলা। কিন্তু ফালাক নিজেকে সামলায়, পাল্টা দেয় তীক্ষ্ণ কথায়। রুহানি হার মানে না, ঘোষণা করে যুদ্ধ। চ্যালেঞ্জ গৃহীত হয়। শুরু হলো প্রিয় অভিমানের গল্প।

সিঁদুরশুদ্ধি | পর্ব ১৬ | অভির রহস্যময় প্রকাশ, বিদ্যার প্রশ্ন ও ইনার ভিডিও কল

অভি বিদ্যার সামনে রহস্য উন্মোচন এড়ায়, তার পায়ের ব্যথা সারানো ও ছবি দেখে ভালোবাসা ঘোষণার পর বিদ্যা প্রশ্ন করে। অভি হ্যাকার হিসেবে ল্যাপটপে কাজ করে এবং ইনা থেকে ভিডিও কল পায়, যে তাকে বিপদের সতর্কতা দেয়। অভি হঠাৎ মিলিয়ে যায়, আর বিদ্যা তার আইডি লগইন দেখে অবাক হয়।

সিঁদুরশুদ্ধি | পর্ব ৬ | বিদ্যার অগ্নি দৃষ্টি, অপুর কঠিন সিদ্ধান্ত ও রহস্যময় যজ্ঞ

বিদ্যা অপশক্তিদের ধ্বংস করে অপুর মামার দিকে অগ্নি দৃষ্টি ফেলে। অপু জ্ঞান ফিরে পায়, কিন্তু বিজয়ের মামা জানায় অমাবস্যায় অঘোরীদের পূজা হবে। বিদ্যার কুমারীত্ব নষ্ট করাই একমাত্র উপায়। অপু মরমে ভেঙে পড়ে। রাতে যজ্ঞে বিদ্যার আগুনের বৃত্তে আবির্ভাব হয়।

সিঁদুরশুদ্ধি | পর্ব ৫ | বিদ্যার রূপান্তর, অপুর সংকট ও অদৃশ্য শক্তির যুদ্ধ

বিদ্যা হরিনাথের ছাগল তাড়ায়, অপু রাগ করে তাকে বকে। রঘুনাথ বাবু বিদ্যাকে অমাবস্যায় বলি দেওয়ার পরিকল্পনা করেন। রাতে সাপের বাচ্চারা বিদ্যার শরীরে প্রবেশ করে, কিন্তু রক্তচোষা মহিলা তাদের হারায়। অপু বিজয়ের মামার কাছে সাহায্য চায়, কিন্তু মন্ত্রে ভুল হয়ে অপু রক্ত বমি করে। বিদ্যা ক্রোধে ঘটি ছুড়ে মারে, আর তার শরীর থেকে অর্ধমানবী শক্তি বের হয়ে সব অপশক্তি গিলে ফেলে।

সিঁদুরশুদ্ধি | পর্ব ৪ | বিদ্যার রহস্যময় ডিম, রাতের আতঙ্ক ও বদলা

বিদ্যা সিমল গাছকে পরাজিত করে পাঁচটি উজ্জ্বল ডিম নেয়। রাতে ডিমগুলো তার ঘরে জ্বলতে থাকে এবং অদৃশ্য শক্তি তাকে রক্ষা করে। অপুর মা ও অনুরাধা বিদ্যাকে মারলে রাতে তাদের রহস্যময়ভাবে বদলা নেওয়া হয়। অপু ফিরে এসে বিদ্যাকে জড়িয়ে ধরে।

সিঁদুরশুদ্ধি | পর্ব ৩ | বিদ্যার রহস্যময় আঘাত, সাপের হামলা ও রহস্যময় বামনের আবির্ভাব

বিদ্যা বৌদির আহ্বানে গাছতলায় গিয়ে রহস্যময় সাপের হামলার শিকার হয়, রক্তাক্ত হয়ে জ্ঞান হারায়। রক্তলাল মহিলা তাকে উদ্ধার করে অপুর বাড়িতে ছুড়ে দেয়। বিদ্যার বাবা-মা এসে সিঁদুর মুছতে চায়, কিন্তু রঘুনাথ বাবু বাধা দেন। রাতে বিদ্যা জানালা দিয়ে রহস্যময় নারী ছায়া ও সাপের দেখা পায়, যেখানে এক পাখাওয়ালা বামন ডিম ধ্বংস করে। বিদ্যা টর্চ নিয়ে ছুটে যায়, আলোর বলয়ে অদৃশ্য হয়ে বামনের কাছে পৌঁছয়।