ক্যাটাগরি রোমান্টিক গল্প

তোর শহরে ভালোবাসা | পর্ব ৯ | কিডন্যাপ করে হানিমুনে নিয়ে আসা সামান্তার আতঙ্ক ও আদির রোমান্টিক জোরজবরদস্তি

আদি সামান্তাকে কিডন্যাপ করে হানিমুনে নিয়ে যায়। সামান্তা প্রথমে ভয় পেলেও আদির আবেগঘন আচরণে বিভ্রান্ত হয়। রাতে আদি তাকে জোরে চুমু দেয় এবং ভালোবাসার স্বীকারোক্তি করে। সামান্তা অন্য রুমে ঘুমাতে চাইলে আদি সব দরজা লক করে দেয়।

তোর শহরে ভালোবাসা | পর্ব ৮ | রাজের ফোন, আদির ভালোবাসা ও রহস্যময় অপহরণ

রাতে রাজের অপ্রত্যাশিত ফোনে বিপদে পড়ে সামান্তা। আদি ছাদে ভালোবাসা স্বীকার করে, কিন্তু সামান্তা মোহ বলে উড়িয়ে দেয়। পরদিন রাতে কে যেন সামান্তাকে অপহরণ করে। আদি না রাজ? রহস্য ঘিরে রাখে পরবর্তী পর্বের অপেক্ষা।

তোর শহরে ভালোবাসা | পর্ব ৭ | সামান্তার আঘাত, আদির উদ্বেগ ও রাজের অপ্রত্যাশিত প্রস্তাব

সামান্তাকে ফুপ্পি আয়েশা খান থাপ্পড় মারে ফোন ভাঙার অজুহাতে। আদি গালের দাগ দেখে রাগে ফুঁসে ওঠে এবং পরিবারকে জিজ্ঞাসা করে। রাজ কানাডার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে সামান্তার জন্য বিয়ের প্রস্তাব পাঠায়। আদি পার্টিতে সামান্তাকে সতর্ক করে ফোনে, রাজ থেকে দূরে থাকতে বলে।

তোর শহরে ভালোবাসা | পর্ব ৬ | আদির রাগ, সামান্তার কষ্ট ও এনগেজমেন্টের রাতে আবেগের বন্যা

আদি সামান্তাকে শপিংয়ে অন্য ছেলের সাথে দেখে রাগে ফেটে পড়ে। সামান্তা ক্ষুব্ধ হয় যখন আদি তাকে কাজিন বলে পরিচয় দেয়। নিশির এনগেজমেন্টে সামান্তা সুন্দর সাজে, আদি মুগ্ধ হয়। রাজের সাথে ডান্সে জ্বলে আদি, রুমে ঢুকে সামান্তাকে কোমড়ে চেপে ধরে এবং গালে চুমু দেয়।

তোর শহরে ভালোবাসা | পর্ব ৫ | সাইকেল দুর্ঘটনা ও শপিংয়ের গোপন দৃষ্টি

সামান্তা নিশির সাজানো সাইকেলে ঘুরছে, আদি দেখে হা করে যায়। দুজনে পড়ে যায়, সামান্তার হাতে ক্ষত। আদি তাকে কোলে তুলে নেয়, মেডিসিন লাগায়। পরে হলুদ পোশাকে আদি সামান্তাকে রাগায়। শপিংয়ে রাহুলের সাথে সামান্তাকে দেখে আদি রাগে ফুঁসে ওঠে, বাড়িতে শোধ নেওয়ার হুমকি দেয়।

তোর শহরে ভালোবাসা | পর্ব ৪ | সামান্তার ওড়না ও আদির রাতের ফোন

আদি সামান্তাকে সরিষা ক্ষেতের কথা শুনে হেসে উড়িয়ে দেয়। ছাদে ভয় দেখানোর চেষ্টা ব্যর্থ হয়। সকালে অনুপযুক্ত পোশাকে বের হওয়ায় আদি রাগে ফোঁস করে, গার্ডদের হুমকি দেয়। রাতে অপরিচিত নাম্বার থেকে ফোন করে আদি, সামান্তা তাকে থাপ্পড়ের হুমকি দেয়। আদি নিজেকে হাসব্যান্ড বলে দাবি করে, সামান্তা বিস্মিত হয়।

তোর শহরে ভালোবাসা | পর্ব ৩ | সামান্তার প্রতিশোধ ও আদির বোকা বনানো

সামান্তা আদির বদনাম করার প্রতিশোধ নেয় গাড়িতে বসেই। আদি রাগে স্পিড বাড়ায়, কিন্তু সামান্তা ভয় পায় না। সন্ধ্যায় লুডুর গুটি ছড়িয়ে পড়লে আদিকে গুগল করতে বাধ্য করে সে। আদি বোকা বনে যায়, আর সামান্তা হাসে জয়ী হয়ে।

সুখের নেশায় | পর্ব ২৭ | চৈত্রিকার সত্য উন্মোচন, সাফারাতের ভালোবাসা ও সিনথিয়ার রহস্য ফাঁস

চৈত্রিকা সচেতন হয়ে উঠে সিনথিয়াকে দেখে বিচলিত হয়। সাফারাতের কাছে ক্ষমা চায়, কিন্তু সাফারাত তাকে জানায় তার প্রতি গভীর ভালোবাসা। সিনথিয়া ফাঁস করে দেয় সে কখনও সাফারাতের বউ ছিল না, বরং আয়ানের স্ত্রী। অতীতের সব রহস্য উন্মোচিত হয়, আর চৈত্রিকা বুঝতে পারে সে সত্যিকারের ভাগ্যবতী।

তোর শহরে ভালোবাসা | পর্ব ১ ও ২ | সামান্তার প্রতিশোধ ও আদিলের অজানা অনুভূতি

সামান্তা বিয়ের পরপরই আদিলের ঘরে ঢুকতে অস্বীকার করে প্রতিশোধের প্রতিজ্ঞা করে। আদিল তাকে অবহেলা করলেও সামান্তা নিজেকে লুকিয়ে রাখে। দুই মাস পর, আদিল তাকে ছাদে দেখে রাগে ফেটে যায়। সামান্তাকে ভার্সিটি ড্রপ করতে গাড়ি চালানোর সময় সে বুঝতে পারে, সামান্তা তাকে চিনছে না—এবং তার স্বামীকে লাফাঙ্গা বলছে।

সুখের নেশায় | পর্ব ২৬ | চৈত্রিকার অজানা অতীত, সাফারাতের প্রতিশোধ ও সিনথিয়ার সত্য

চৈত্রিকা জানতে চায় সাফারাতের সাথে সিনথিয়ার অতীতের সত্য। সাফারাত মুখ খুলে বলে, আট বছর আগে বদ্ধ কক্ষে তাদের বন্দী হওয়ার ঘটনায় মিথ্যা অপবাদ লাগে তার মায়ের উপর। সমাজের চাপে বিয়ের সিদ্ধান্ত হয়, কিন্তু তা হয়নি। চৈত্রিকার কারণে তার মা অপমানিত হয়েছিল—এই কথা শুনে চৈত্রিকা মাটিতে ঢলে পড়ে।

সুখের নেশায় | পর্ব ২৫ | চৈত্রিকার অফিস প্রবেশ, তনয়ের সাক্ষাৎ ও সিনথিয়ার সারপ্রাইজ আগমন

চৈত্রিকা অফিসে কাজ শুরু করে মোনার কঠোর আচরণের মুখোমুখি হয়। ক্যান্টিনে তার ভার্সিটির প্রেমাসক্ত সিনিয়র তনয়ের সাথে দেখা হয়, যা সাফারাতের চোখে পড়ে। সন্ধ্যায় সাফারাত তাকে নিয়ে যায় গ্রামের চিলেকোঠায়, যেখানে চোখ খুলতেই সে দেখে সিনথিয়াকে—তার অতীতের বিশ্বাসঘাতিনী বন্ধু।

সুখের নেশায় | পর্ব ২৪ | মিমের হামলার মুখোমুখি, দিহানের উদ্ধার ও সাফারাতের রোমান্টিক সারপ্রাইজ

মিমকে আইসক্রিমের দোকানে হয়রানির মুখোমুখি হতে দেখে দিহান তাকে উদ্ধার করে। রানা ও তার দলকে ভয় দেখায় দিহান, মিম তার কাছে ভরসা পায়। বাড়িতে ফিরে চৈত্রিকা জানতে পারে ঘটনার কথা। সাফারাত চৈত্রিকাকে অফিসে পৌঁছে দেয়, আর মোনার অনুপযুক্ত দৃষ্টি কাটিয়ে দেয়। চৈত্রিকার জন্য বড় সারপ্রাইজের ইঙ্গিত দেয় সে।