ক্যাটাগরি অলৌকিক শক্তি

চারুলতা | পর্ব ৩ | নাগিনের রহস্য ও চারুলতার সুপ্ত শক্তি

চারুলতা জঙ্গলে অজ্ঞাত আক্রমণকারীদের হাত থেকে এক সুন্দরী মেয়েকে উদ্ধার করে। মেয়েটি নিজেকে ইচ্ছাধারী নাগিন মৃধা বলে পরিচয় দেয়। চারুলতার চোখে খুনের সময় জ্বলে ওঠা অগ্নি লাভা ও গলায় উল্টো তীরচিহ্ন দেখে মৃধা বুঝতে পারে তার মধ্যে শুভ শক্তি নিহিত আছে। চারুলতা নিজের পরিচয় ও শক্তি নিয়ে বিস্মিত হয়।

সিঁদুরশুদ্ধি | পর্ব ৪৯ | বিদ্যার সন্তানদের উদ্ধার, অভির ক্রাউন ও কুন্তী দেবীর প্রশ্ন

বিদ্যা পাঁচ সর্পকে নিয়ে ঝাউগাছের জঙ্গলে আক্রান্ত হয়। অভি তার কান্না শুনে ছুটে আসে। বিদ্যার শক্তি দিয়ে সুরক্ষা বলয় তৈরি করে অভি। আহত কনিষ্ঠ সাপকে উদ্ধার করে অভি উষ্ণ সরোবরে রাখে। বিদ্যা মারাত্মক আঘাত পায়। অভি নিষিদ্ধ ক্রাউন ব্যবহার করে অশরীদের নিয়ন্ত্রণ করে বিদ্যাকে বাড়ি নিয়ে আসে। কুন্তী দেবী জানতে চায়—বিদ্যা কে? অভি স্পষ্ট করে—"আমার ওয়াইফ সে"।

সিঁদুরশুদ্ধি | পর্ব ৪৭ | বিদ্যার সন্তান হারানো, অভির মায়া ও পাঁচ সর্পের উদ্ধার

বিদ্যার সন্তান হারানোর পর অভি তাকে মায়া প্রয়োগ করে বোতলে বন্দী করে। পাঁচ সর্প বুদ্ধি দিয়ে টুইংকেলের মায়াজাল ভাঙে ও বিদ্যাকে উদ্ধার করে। বিদ্যা ছদ্মবেশে অভির বাসায় প্রবেশ করে আশিষকে দেখায়, কিন্তু অভি হঠাৎ ফিরে এসে তাকে প্রশ্ন করে—“হু আর ইউ?”

সিঁদুরশুদ্ধি | পর্ব ৪৫ | অভির আত্মদান, বিদ্যার গর্ভবতী সত্য ও আশিষের মৃত্যু

অভি বিদ্যাকে লুকিয়ে রাখে বাবার রুমে, জুলিয়া সন্দেহ করে। বিদ্যার গর্ভবতী হওয়ার সত্য ফাঁস হয়। অভি বিদ্যাকে টুইংকেলের কাছে পাঠায়। মায়া বাধন ভাঙার পর শত্রু অশরীরা আশিষকে খেয়ে ফেলে। বিছানায় লেখা থাকে—"হি ইজ ডেড"।

সিঁদুরশুদ্ধি | পর্ব ৪৪ | বিদ্যার শক্তি জাগরণ, সাপদের আবির্ভাব ও অভির খোঁজে যাত্রা

বিদ্যার শক্তি পূর্ণাঙ্গভাবে জাগরণ ঘটে, সাগরতটে সাপদের আবির্ভাব হয়। দেবকী বিদ্যাকে বন্ধন করে অতীত স্মরণ করায়। সব মনে পড়ার পর বিদ্যা অভিকে খুঁজতে টুইংকেলের সাথে যাত্রা করে। রাতে অভির ঘরে ঢুকে পড়ে বিদ্যা, কিন্তু অভি তাকে চেপে ধরে নীরব করে দেয়।

সিঁদুরশুদ্ধি | পর্ব ৪৩ | বিদ্যার শক্তি পুনরুদ্ধার, সাপের আবির্ভাব ও লালপ্রভার পতন

বিদ্যার শরীরে জ্বলন্ত আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে না। গালিব ও তাহেরা শক্তি খোঁজার চেষ্টায় ব্যর্থ হয়। অঞ্জনা দেবী রনককে অভির প্রকৃত পরিচয় ফাঁস করেন। লালপ্রভা চেনাবতী ডাকিনী ডাকে, কিন্তু পাঁচ সাপ তাকে ধ্বংস করে। সাপরা বিদ্যাকে চিনে তাকে রক্ষা করে এবং তার শক্তি ফিরিয়ে দেয়। বিদ্যা জাগ্রত হয়ে লালপ্রভাকে শাসায়।

সিঁদুরশুদ্ধি | পর্ব ৪২ | দেবকী বনাম জুলিয়া, বিদ্যার মৃত্যুর পথযাত্রা ও রহস্যময় জ্বীনের আবির্ভাব

দেবকী ও জুলিয়ার মধ্যে তীব্র সংঘাত, বিদ্যার অবস্থার অবনতি, শ্যামল বাবুর মানসিক ভাঙন, এবং দেবকীর আহ্বানে রহস্যময় জ্বীন গালিবের আবির্ভাব। বিদ্যার শরীরে আগুন ধরে যায়, আর দেবকীর শেষ আশা নিভে যায়।

সিঁদুরশুদ্ধি | পর্ব ৪১ | বিদ্যার জীবন-মৃত্যু, অভির আক্রোশ ও রহস্যময় মায়াবী মহিলার আবির্ভাব

বিদ্যা জীবন-মৃত্যুর সাথে লড়ছে, অভি ওর শরীরে মায়া প্রবেশ করাতে ব্যর্থ হয়। দেবকী জানতে পারে বিদ্যার শরীর জ্বীনে রক্ষিত। অঞ্জনা দেবী ফাঁস করেন বিদ্যার ছোটবেলার বলির রহস্য। শ্যামল বাবু দেবকীর কলে ছুটে যান। লালপ্রভা জানে ঋষি মারা গেছে। অভির সামনে রহস্যময় মহিলা আবির্ভূত হয়।

সিঁদুরশুদ্ধি | পর্ব ৪০ | অঞ্জনা দেবীর আগমন, দেবকীর রহস্য ও বিদ্যার ভয়াবহ আঘাত

অঞ্জনা দেবী ও দেবকী বিদ্যার বাসায় হাজির হয়। অভির চোখে আগুন জ্বলে উঠে দেবকীর সাথে মুখোমুখি হয়। তীর্যক আক্রমণের মধ্যে বিদ্যা অচেতন হয়ে পড়ে, মুখ দিয়ে রক্ত ছুটতে থাকে। অঞ্জনা চিৎকার করে ওঠেন। অভি ক্লান্ত চোখে অশ্রু ফেলে। বিদ্যার জীবন নিয়ে চরম সংকট তৈরি হয়।

সিঁদুরশুদ্ধি | পর্ব ৩৯ | অভির মুক্তি, ঋষির ধ্বংস ও বিদ্যার সাথে প্রেমের পরিপূর্ণতা

অভি কাঁচের বোতল থেকে মুক্ত হয়ে ঋষির নৃশংসতা থামায়। বিদ্যাকে উদ্ধার করে আবেগের আতিশয্যে জড়িয়ে ধরে। ঋষি ধ্বংস হয় আগুনে। পরে বিদ্যা ও অভির মধ্যে ভালোবাসার পরিপূর্ণতা ঘটে, দীর্ঘ ২৫ বছরের অপেক্ষার অবসান হয় আদরে।

সিঁদুরশুদ্ধি | পর্ব ৩৮ | বিদ্যার সিঁথিতে সিঁদুর, অভির রহস্যময় শিশি ও ঋষির আগমন

বিদ্যা কক্সবাজারে জেগে উঠে রহস্যময় মহিলা দেখে ভীত। অভি তাকে সিঁথিতে সিঁদুর দিয়ে বলে—“তোমাকে ছাড়া আমি থাকতে পারবোনা।” বিদ্যা অভির শিশির নির্যাস এক গ্লাসে খেয়ে ফেলে। তারপর মাদকাবস্থায় কামুক হয়ে ওঠে। ঠিক তখন ঋষি অভির রূপ ধরে আক্রমণ করে।

সিঁদুরশুদ্ধি | পর্ব ৩১ | অভির অতীত দেখা, অঞ্জনা দেবীর আগুন ও দেবকীর আবির্ভাব

অভি তার অতীত দেখতে থাকে, যেখানে অপুর মৃত্যু ও রক্তপ্রভার ষড়যন্ত্র উন্মোচিত হয়। টুইংকেল তাকে ফিরিয়ে আনে। বিদ্যা ঋষির প্রকৃত পরিচয় জানতে পারে। অঞ্জনা দেবী অপুর জিনিসপত্র পোড়ায়। দেবকী দেবী শশ্মানে সুধারামকে চ্যালেঞ্জ করে আবির্ভূত হয়।