ক্যাটাগরি অলৌকিক শক্তি

সিঁদুরশুদ্ধি | পর্ব ৩০ | অভির স্মৃতি ফিরে আসা, বিদ্যার বিদায় ও রত্নার পলায়ন

অভি বিদ্যার স্বপ্নের রহস্য বুঝতে পারে। রত্না ও ধীরাজ পালায়। বিদ্যা শাশুড়ীর কাছে কাঁদে, অভি তাকে সান্ত্বনা দেয়। অভি অঞ্জনা দেবীকে ফোন করে নিজেকে পরিচয় দেয়। বিদ্যা বাড়ি ছাড়ে। অভি সিঁদুর দানী দিয়ে স্মৃতি ফিরে পেতে মন্ত্র পড়ে।

সিঁদুরশুদ্ধি | পর্ব ২৯ | টুইংকেলের যুদ্ধ, অভির সতর্কতা ও বিদ্যার সিঁথিতে সিঁদুর

টুইংকেল আগুনের পিশাচকে জলের শক্তিতে ধ্বংস করে। অভি বিদ্যার চেতনা ফিরাতে ব্যর্থ হয়, টুইংকেল তাকে শক্তি শেখায়। বিদ্যা জেগে উঠে অভিকে জড়িয়ে ধরে। অভি তার সিঁথিতে সিঁদুর দেয়। রাতে ঋষি, রত্না ও অন্যদের আক্রমণে অভি ক্রুদ্ধ হয়ে তাদের সতর্ক করে দেয়।

সিঁদুরশুদ্ধি | পর্ব ২৮ | অভির প্রেম স্বীকার, বিদ্যার ভালোবাসা ও ঋষির আক্রমণ

অভি বিদ্যাকে প্রেমের পরীক্ষায় ফেলে কান্নায় ভাসায়, কিন্তু বিদ্যা আবেগে ভেঙে পড়ে ভালোবাসা স্বীকার করে। ঋষি অভিকে আক্রমণ করে, অভি তাকে শক্তিতে পরাজিত করে। বিদ্যার মাথায় আঘাত লাগে, আর রত্না সান্যাল চিহ্ন দেখে আতঙ্কিত হয়। বিদ্যার রুমে অগ্নিকুন্ডে শুরু হয় রহস্যময় যজ্ঞ।

সিঁদুরশুদ্ধি | পর্ব ২৭ | অভির আক্সিডেন্ট, বিদ্যার কান্না ও রহস্যময় গিফট

নতুন বস ঋষি সান্যাল বিদ্যাকে হত্যার পরিকল্পনা করে, কিন্তু তাকে দেখেই মুগ্ধ হয়। বিদ্যা অপুর কবর রক্ষার জন্য ঈমামকে সতর্ক করে। অফিসে ঋষির সাথে তার প্রথম সাক্ষাত। রহস্যময় গিফটে সিঁদুরদানী পায় সে। বাইক রেসে অভির আক্সিডেন্টে বিদ্যা ভেঙে পড়ে, আর অভি চোখ মেলে তাকে বুকে জড়িয়ে নেয়।

সিঁদুরশুদ্ধি | পর্ব ২৫ | অভির ক্রোধ, বিদ্যার ভয় ও বিয়ের বাধ্যবাধকতা

অভি বিদ্যাকে রক্ষা করতে অবয়বকে ধ্বংস করে, কিন্তু বিদ্যার ঘাড়ের ক্ষতে রক্ত দেখে রেগে যায়। সিঁদুরদানী দেখিয়ে অতীতের কথা জানতে চায়। বিদ্যার বিরুদ্ধে বিয়ের আয়োজন করে এবং জোরপূর্বক সপ্তপদী ও সিঁদুর দান সম্পন্ন করে। রাতে বিদ্যা প্রতিরোধ করলেও অভি কাঁদতে থাকে, বিবেকের দ্বন্দ্বে ভোগে।

সিঁদুরশুদ্ধি | পর্ব ২৪ | বিদ্যার আত্মার আহুতি, অভির দহন ও কালো ছায়ার আবির্ভাব

বিদ্যা অভির জন্য নিজের রক্ত উৎসর্গ করে কর্ণপিশাচীকে প্রতিরোধ করে, কিন্তু আত্মহত্যার মতো এই কাজে সে হারায় চেতনা। অভি আগুনে জ্বলে যায়, তার শক্তি হারায়। টুইংকেল দেবী বুঝতে পারে সিঁদুরদানীর সাথে অভির পূর্বজন্মের সম্পর্ক। বিদ্যা অভিকে খুঁজে পৌঁছলে তার চুল থেকে বের হয় এক কালো ছায়া, যা ঘোষণা করে—"এবার তোকে কে বাঁচাবে?"

সিঁদুরশুদ্ধি | পর্ব ২৩ | অভির বিদ্যার সিঁদুর দানী, গভীর কান্না ও রহস্যময় যজ্ঞ

অভি বিদ্যার কান্না দেখে ভেঙে পড়ে, 'I’m the happiest person When I’m with you' বলে আবেগ ফাটিয়ে দেয়। বিদ্যা অভিকে সিঁদুর দানী উপহার দেয়, কিন্তু স্পর্শমাত্রই অভির শরীরে আগুন ধরে যায়। গভীর রাতে বিদ্যা ও সুধারাম যজ্ঞ শুরু করে, অজান্তেই অভির অলৌকিক শক্তির বিরুদ্ধে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে।

সিঁদুরশুদ্ধি | পর্ব ১৫ | অভির আলোকরশ্মি, বিদ্যার অপুদা ও কাপালিকের পরাজয়

অভি বিদ্যাকে রক্ষা করে আলোকরশ্মি দিয়ে তার স্মৃতি জাগায়। কাপালিক বিদ্যাকে মা ভৈরবীর বলি দিতে চায়, কিন্তু অভি জোনাকির আলো থেকে কুকুর তৈরি করে তাদের ধ্বংস করে। বিদ্যা অভির বুকে অপুদাকে দেখে বিভ্রান্ত হয়।

সিঁদুরশুদ্ধি | পর্ব ১২ | অভির প্রেম ঘোষণা ও বিদ্যার প্রতিরোধ

অভি বিদ্যার স্পর্শে তার গলার নিচে জ্বলন্ত চক্র দেখে নিশ্চিত হয় যে সে তার আসল বিদ্যা। শর্মিষ্ঠার সন্দেহ এড়িয়ে অভি বিদ্যাকে বাঁচায়। পরে রিয়াকে নির্দেশ দেয় বিদ্যাকে তার কাছে আনতে। বিদ্যা রান্নার সময় অভি তাকে জ্বালায়, আর বিদ্যা প্রতিশোধ নেয় গরম ছান্তা ও কাঁচ দিয়ে।

সিঁদুরশুদ্ধি | পর্ব ১০ | অভির আগমন, বিদ্যার সন্দেহ ও রসগোল্লার ডাক

বিদ্যার বাড়িতে হাজির হয় অভি, যার চেহারা তাকে অপুর কথা মনে করিয়ে দেয়। বিদ্যার মায়ের সন্দেহ জাগে তার রক্তের পিপাসা নিয়ে। রাতে এক রহস্যময় অবয়ক তাকে ডাকে। রাস্তায় বাইক চালকের ধাক্কায় বিদ্যা বাঁচে। অভি তাকে রসগোল্লা বলে ডাকতেই উত্তেজনা চরমে পৌঁছায়।

সিঁদুরশুদ্ধি | পর্ব ৬ | বিদ্যার অগ্নি দৃষ্টি, অপুর কঠিন সিদ্ধান্ত ও রহস্যময় যজ্ঞ

বিদ্যা অপশক্তিদের ধ্বংস করে অপুর মামার দিকে অগ্নি দৃষ্টি ফেলে। অপু জ্ঞান ফিরে পায়, কিন্তু বিজয়ের মামা জানায় অমাবস্যায় অঘোরীদের পূজা হবে। বিদ্যার কুমারীত্ব নষ্ট করাই একমাত্র উপায়। অপু মরমে ভেঙে পড়ে। রাতে যজ্ঞে বিদ্যার আগুনের বৃত্তে আবির্ভাব হয়।

সিঁদুরশুদ্ধি | পর্ব ৫ | বিদ্যার রূপান্তর, অপুর সংকট ও অদৃশ্য শক্তির যুদ্ধ

বিদ্যা হরিনাথের ছাগল তাড়ায়, অপু রাগ করে তাকে বকে। রঘুনাথ বাবু বিদ্যাকে অমাবস্যায় বলি দেওয়ার পরিকল্পনা করেন। রাতে সাপের বাচ্চারা বিদ্যার শরীরে প্রবেশ করে, কিন্তু রক্তচোষা মহিলা তাদের হারায়। অপু বিজয়ের মামার কাছে সাহায্য চায়, কিন্তু মন্ত্রে ভুল হয়ে অপু রক্ত বমি করে। বিদ্যা ক্রোধে ঘটি ছুড়ে মারে, আর তার শরীর থেকে অর্ধমানবী শক্তি বের হয়ে সব অপশক্তি গিলে ফেলে।