লেখক সালসাবিল সারা

আমার চন্দ্রাবতী | পর্ব ১৫ | ইয়াদের বিদায় ও দুআর অশ্রু

ইয়াদ বন্ধুর বাবার অসুস্থতায় জরুরি ঢাকায় ফিরতে বাধ্য হয়। বিদায়ের আগে রামিসার সাহায্যে দুআকে দেখে যায়, যার মুখে তাসনিমের নির্যাতনের ছায়া। ইয়াদ তাকে আশ্বাস দেয়, তার জন্যেই সে চট্টগ্রামে এসেছিল। দুআ ভাঙা মন নিয়ে তার চলে যাওয়া মেনে নিতে পারে না।

আমার চন্দ্রাবতী | পর্ব ১৬+১৭ | ইয়াদের প্রেম নিবেদন ও দুআর মুহূর্ত

ইয়াদ দুআকে ফোন করে সরাসরি প্রেম নিবেদন করে, তার দাগসহ সবকিছুতেই মুগ্ধ হওয়ার কথা স্বীকার করে। দুআ অবিশ্বাস ও আবেগে মূর্ছা যায়। ইয়াদ জিয়ার বিয়ের হুমকি ও বন্ধু ইয়াসিরের মানসিক অবস্থার মধ্যেও দুআকে ভালোবাসার স্বীকারোক্তি দেয়।

আমার চন্দ্রাবতী | পর্ব ১৮ | ইয়াদের অতীত ও দুআর অশ্রু

ইয়াদ দুআকে ফোন করে নিজের খারাপ অতীত স্বীকার করে এবং অনুতপ্ত হয়। দুআ তার সততায় কাঁদে, আর ইয়াদ তাকে ভালোবাসার আবেদন জানায়। দুই প্রাণের মধ্যে বিশ্বাস ও ভালোবাসার নতুন সম্পর্ক গড়ে উঠতে শুরু করে।

আমার চন্দ্রাবতী | পর্ব ১৯ | ইয়াদের মন জুড়ানো ভালোবাসা

ইয়াদ ও দুআ পুনরায় মিলিত হয় হবু শ্বশুরবাড়ির অনুষ্ঠানে। ইয়াদ দুআকে সাজসজ্জায় দেখে মুগ্ধ হয় এবং নির্জনে তাকে ভালোবাসার স্বীকারোক্তি দেয়। দুআ তার আবেগে ভেঙে পড়ে, কিন্তু লজ্জায় সরাসরি সাড়া দিতে পারে না। ইয়াদ তাকে হাত ধরে নিয়ে যাওয়ার মাধ্যমে তাদের সম্পর্কের নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে।

আমার চন্দ্রাবতী | পর্ব ২০ | ইয়াদের যত্ন ও দুআর লাজুক মুহূর্ত

ইয়াদ দুআর কানের দুল খুলে রক্ত মুছে দেয় এবং খাওয়ার জন্যে আদেশ দেয়, যা দুআকে অভিভূত করে। পরে গ্রামের ধানক্ষেতে ভ্রমণে ইয়াদ দুআর পায়ের কাঁটা বের করে দেয় এবং তাকে সান্ত্বনা দেয়, যেখানে তাদের মধ্যে ভালোবাসার গভীর আবেগ ফুটে ওঠে।

আমার চন্দ্রাবতী | পর্ব ২১+২২ | ইয়াদের প্রেমের প্রতিজ্ঞা ও দুআর বিশ্বাস

ইয়াদ ও দুআর মধ্যে গভীর ভালোবাসার সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হয়। ইয়াদ তার অতীত নিয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে আত্মঘাতী আচরণ করে, কিন্তু দুআ তাকে বিশ্বাস দেখিয়ে শান্ত করে। তাদের মধ্যে প্রেমের চূড়ান্ত প্রতিজ্ঞা হয়, যেখানে ইয়াদ ঘোষণা করে দুআকে কখনো ছাড়বে না।

আমার চন্দ্রাবতী | পর্ব ২৩ | ইয়াদের জেদ ও দুআর লাজুক হাসি

ইয়াদ দুআকে বাহুডোরে আবদ্ধ করে তার ভালোবাসা ও জেদ প্রকাশ করে, আর দুআ লাজুক হয়ে পড়ে। উপহার হিসেবে চুড়ির বক্স পেয়ে সে আনন্দিত হয়, কিন্তু ইয়াদের তীব্র নজরে বিচলিত হয়। অনুষ্ঠানে মাথাব্যথায় ভুগছে দুআ, আর ইয়াদ তাকে মায়ের সাথে নিরাপদে রাখতে নির্দেশ দেয়। হঠাৎ আগুন লাগার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ায়।

আমার চন্দ্রাবতী | পর্ব ২৪ | আগুনের মাঝে বাঁচার লড়াই ও ইয়াদের বিদায়

দুআ আগুনে আটকা পড়ে মৃত্যুর মুখোমুখি হয়, তাসনিমের ষড়যন্ত্রে তাকে মেরে ফেলার চেষ্টা হয়। ইয়াদ সময়মতো এসে তাকে উদ্ধার করে, শাড়ি ছিঁড়ে আগুন থেকে বাঁচায়। পরে জ্বরে ভুগছে দুআ, আর ইয়াদ বিদায় নেয় ক্রিকেট ম্যাচে যাওয়ার আগে। বিদায়ের মুহূর্তে দুআ প্রথমবার ভালোবাসা স্বীকার করে।

আমার চন্দ্রাবতী | পর্ব ২৫ | ইয়াদের ফোন ও দুআর ভাঙা মন

দুআ ইয়াদের ফোন পায় পাঁচ মাস পর, কিন্তু তার কঠোর কথায় ভেঙে পড়ে। রাগ-অভিমানের মধ্যেও ইয়াদের ভালোবাসা ফিরে আসে মৃদু হাসি আর আবেগে। ঢাকায় এসে দুআ তার ঘরে ঘরে ইয়াদকে অনুভব করে, আর মারিয়ার মাধ্যমে আবার তার সাথে কথা বলে, কাঁদতে কাঁদতে ডাকে, 'আসুন না ইয়াদ'।

আমার চন্দ্রাবতী | পর্ব ২৬ | ইয়াদের ফিরে আসা ও দুআর তেলে ভেজা মুহূর্ত

ইয়াদ ফিরে এসে দুআকে আবদার করে আর আশ্বাস দেয়, আর দুআ তার তেল মাখা মাথায় ভিডিও কলে লজ্জায় পড়ে। সাজ্জাদ সাহেব হঠাৎ চট্টগ্রামে আসায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। প্রেম ও পরিবারের টানাপোড়েনে দুআর মন বিচলিত হয়।

আমার চন্দ্রাবতী | পর্ব ২৮ | ইয়াদের আগমন ও বিয়ের ঘোষণা

ইয়াদ অপ্রত্যাশিতভাবে দুআর বাড়িতে আসে এবং তার জ্বরে ভোগা অবস্থায় রাগ-ভালোবাসার মিশ্রণে মুখোমুখি হয়। দুআর অবহেলার আক্ষেপ আর ইয়াদের নিজেকে সামলানোর চেষ্টা উভয়ের মধ্যে তীব্র আবেগের সৃষ্টি করে। শেষে ইয়াদ ঘোষণা করে, সে আজই দুআকে বিয়ে করবে, যে কোনো মূল্যে।

আমার চন্দ্রাবতী | পর্ব ২৭ | ইয়াদের বাবার প্রস্তাব ও দুআর অস্থিরতা

ইয়াদের বাবা সাজ্জাদ সাহেব দুআর বাসায় এসে বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে আসেন, আর দুআ আনন্দ-উদ্বেগে ভরপুর হয়। ইয়াদ ফোন কেটে সিম ফেলে দেয়, তার রাগের কারণ বন্ধুরা বুঝতে পারে। দুআ ইয়াদের মায়ের সাথে কথা বলে শান্তি পায়, কিন্তু যোগাযোগহীনতায় মন ভারী হয়। ইয়াদ চট্টগ্রামের পথে ছুটে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।