লেখক সালসাবিল সারা

আমার চন্দ্রাবতী | পর্ব ২৯ | ইয়াদের বিয়ের প্রস্তাব ও দুআর রাজি

ইয়াদ দুআর বাবার কাছে হঠাৎ বিয়ের প্রস্তাব দেয়, আর দুআর পরিবার চাঞ্চল্যে পড়ে। জ্বরে ভুগছে দুআ, কিন্তু ইয়াদের প্রতি ভালোবাসায় মন ভরে। পরিবারের অনুমতি পাওয়ার পর ছোট আয়োজনে বিয়ে সম্পন্ন হয়। রাতের চাঁদের আলোয় দুআ ও ইয়াদের মধ্যে গড়ে ওঠে রোমাঞ্চকর মুহূর্ত।

আমার চন্দ্রাবতী | পর্ব ৩০ | ইয়াদের বিদায় ও দুআর লুকানো কান্না

ইয়াদ ও দুআর ভোরের মুহূর্তগুলো কাটে প্রেমের নীরব আদান-প্রদানে। কিন্তু ক্রিকেট কোচিংয়ের ডাকে ফিরতে হবে ইয়াদকে। বিদায়ের আগে দুআকে জড়িয়ে ধরে সে, আর দুআ লুকায় অশ্রু। ইয়াদের চলে যাওয়ার পর ইশফাক ফের মাথা চাড়া দেয়, প্রতিশোধের আগুনে জ্বলছে তার চোখ।

আমার চন্দ্রাবতী | পর্ব ৩১ | ইয়াদের ফিরে আসা ও দুআর কান্না

ইয়াদ চট্টগ্রামে ফিরে আসে ক্রিকেট ম্যাচ জিতে এবং দুআকে জড়িয়ে ধরে তার কান্না থামায়। রিয়াদ জিয়ার প্রেমের প্রস্তাব দেয়, ইয়াদ সমর্থন করে। রাতে ছাদে বসে ইয়াদ-দুআ ঘনিষ্ঠ মুহূর্ত কাটায়, যেখানে প্রকৃতি ও ভালোবাসা মিলে রোমাঞ্চ তৈরি করে।

আমার চন্দ্রাবতী | পর্ব ৩২+৩৩ | দুআর গর্ভবতী হওয়া ও ইয়াদের প্রতিক্রিয়া

দুআ হাসপাতালে মাইশার প্রসবের সময় অসুস্থ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। ইয়াদ তার অবস্থা জেনে চট্টগ্রাম ছুটে আসে। দুআ তাকে গর্ভবতী হওয়ার কথা জানায়, ইয়াদ প্রথমে রাগ করলেও পরে তাদের সন্তানকে ভালোবাসার প্রতিজ্ঞা করে।

আমার চন্দ্রাবতী | পর্ব ৩৪ | ঢাকায় ফেরা ও অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি

ইয়াদ ও দুআ ঢাকায় ফিরে আসে। ফ্লাইটে দুআর বমি হয়, ইয়াদ তাকে সান্ত্বনা দেয়। বাড়িতে পৌঁছে দুআ ঘুমিয়ে পড়ে। জিয়া ও মারিয়া তাকে জড়িয়ে নেয়। ইয়াদ লাগেজ গুছায়। জানা যায় দুআ গর্ভবতী। ইয়াদ ও দুআ আবার মিলনের প্রস্তুতি নেয়।

আমার চন্দ্রাবতী | পর্ব ৩৫ | দুআর পেট ব্যথা ও ইয়াদের ফিরে আসা

দুআর পেট ব্যথা ও পায়ের টানে ইয়াদ জেগে উঠে তাকে যত্ন করে। ঔষধ মিস করায় রাগ হলেও সে তাকে শান্ত করে। ডাক্তার আসেন এবং বেডরেস্টের পরামর্শ দেন। ইয়াদ ফিরে এসে দুআকে মিস করে এবং বৃষ্টিতে ফোয়ারার পাশে তার সাথে মধুর মুহূর্ত কাটায়।

আমার চন্দ্রাবতী | পর্ব ৩৬ এবং অন্তিম পর্ব | ইয়াদের জন্মদিন ও দুআর গর্ভাবস্থার শেষ মুহূর্ত

ইয়াদের জন্মদিনে দুআ গোপনে সারপ্রাইজ আয়োজন করে। গর্ভাবস্থার শেষ মাসে ক্লান্ত হলেও স্বামীর জন্য কেক বানায়, ঘর সাজায়। ইয়াদ ফিরে এসে সব দেখে আবেগাপ্লুত হয়। রাতে দুজনের মধ্যে ভালোবাসার গভীর মুহূর্ত ঘনীভূত হয়, আর দুআ তার শেষ প্রশ্ন রাখে: তার দাগওয়ালা মেয়ে কি একদিন তার মতো ভালো জীবন পাবে?