লেখক আসরিফা সুলতানা জেবা

সুখের নেশায় | পর্ব ১৬ | চৈত্রিকার আংটি, সাফারাতের রাগ ও তাহাফের হুমকি

চৈত্রিকার আঙ্গুলে সাফারাতের দেওয়া আংটি দেখে তার বাগদত্তা হওয়ার কথা জানতে পারে সাফারাত, রাগে আগুন হয়ে ওঠে সে। চৈত্রিকাকে ফিরে পেতে চায় সে। বাড়ি ফেরার পথে তাহাফ তাকে ছাদে নিয়ে যায়, হুমকি দেয়। চৈত্রিকা প্রতিরোধ করে, তাহাফকে আঘাত করে। মিম সন্দেহ করে তাহাফই গোপন প্রেমিক, কিন্তু চৈত্রিকা তা অস্বীকার করে।

সুখের নেশায় | পর্ব ১৭ | সাফারাতের দৃঢ়তা ও চৈত্রিকার বাবার অবস্থা

সাফারাত চাচাতো ভাইয়ের বিরুদ্ধে মামলা নিয়ে চাচা-চাচীর আবেদন উপেক্ষা করে। চৈত্রিকার বাবার অবস্থা অবনতি হয়, তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। সাফারাত চৈত্রিকাকে ফোন করে কিন্তু বাবার মৃত্যুর খবর শুনে হতবাক হয়। অতীতের স্মৃতি ও বর্তমানের চাপে দুজনের মন ভারাক্রান্ত।

সুখের নেশায় | পর্ব ১৮ | চৈত্রিকার নিঃশব্দ যন্ত্রণা ও সাফারাতের ভালোবাসা

চৈত্রিকার বাবার মৃত্যুর পর সে নিঃশব্দে ভেঙে পড়ে, কাঁদে না কিন্তু মনে মনে জ্বলে। সাফারাত তাকে জোর করে কাঁদায়, আর তখনই ভেঙে পড়ে চৈত্রিকা। তাহাফের চাপানো রাগ, সাফারাতের আবেগঘন যত্ন, এবং চৈত্রিকার জ্ঞান হারানো—সব মিলিয়ে পর্বটি মানসিক যন্ত্রণা ও গভীর ভালোবাসার চমৎকার চিত্র।

সুখের নেশায় | পর্ব ১৯ | চৈত্রিকার বাবার কবর, সাফারাতের আবেগ ও মিমের ফাঁস

চৈত্রিকা বাবার কবর দেখতে চায়, সাফারাত নিয়ে যায়। কবরস্থানে চৈত্রিকার প্রশ্নে সাফারাত রাগান্বিত হয়। পরে তাকে কপালে চুমু দিয়ে বলে, 'আমরা এক হবো'। বাড়িতে ফিরে মিম সাফারাতকে সব ফাঁস করে দেয়। চৈত্রিকা ভয়ে আতঙ্কিত হয়, সাফারাত আসছে জেনে।

সুখের নেশায় | পর্ব ২০ | চৈত্রিকার দায়িত্ববোধ ও সাফারাতের জরুরি বিয়ের আদেশ

চৈত্রিকা পরিবারের দায়িত্বের কথা ভেবে বিয়ে মানসিকভাবে প্রস্তুত না হওয়ায় সাফারাত রাগান্বিত হয়। সে তাকে জোর করে বিয়ে করার আদেশ দেয়, কিন্তু চৈত্রিকা চাকরি ও পরিবার স্থিতিশীল করার পর বিয়ের প্রস্তাব দেয়। সাফারাত এক মাসের সময় দেয়, আর শেষে জারবেরা ফুলের ইঙ্গিত ও চুমুতে ভালোবাসা প্রকাশ করে।

সুখের নেশায় | পর্ব ২১ | চৈত্রিকার বিয়ে ও তাহাফের আগমন

চৈত্রিকার সাফারাতের সাথে সাদামাটা বিয়ে সম্পন্ন হয়, কিন্তু তাহাফ পরিবার নিয়ে হাজির হয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করে তোলে। সাফারাত রাগে ফেটে পড়ে তাহাফকে মারধর করে, চৈত্রিকা কাঁদতে থাকে। বিয়ের আনন্দ মুহূর্তেই দেখা দেয় নতুন সংঘাত।

সুখের নেশায় | পর্ব ২২ | চৈত্রিকার লজ্জা, সাফারাতের আবেগ ও অফিসে উপহাস

চৈত্রিকা সাফারাতের রুমে আটকা পড়ে তার অদ্ভুত আচরণে বিভ্রান্ত হয়। সাফারাত তাকে জ্যাকেট ফেলে দেয়, ওড়না দিয়ে মুখ মোছে, আর ঘুমাতে বলে। পরদিন অফিসে শাড়ি পরে আসা চৈত্রিকাকে উপহাস করা হয়, আর সাফারাতের নির্বিকারতা তাকে ভেঙে দেয়।

সুখের নেশায় | পর্ব ২৩ | চৈত্রিকার ইন্টারভিউ, সাফারাতের রাগ ও নোসপিনের গোপন চিহ্ন

চৈত্রিকা সাফারাতের অফিসে চাকরির ইন্টারভিউ দিতে আসে। মিহিতার সাথে দেখা, সাফারাতের উপস্থিতি ও অন্য ইন্টারভিউয়ারদের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। ইন্টারভিউতে চৈত্রিকা নিজেকে আনম্যারিড বলে উল্লেখ করে, যা সাফারাতকে ক্রুদ্ধ করে তোলে। লিফটে তাদের গোপন মুহূর্ত, আবেগঘন আলিঙ্গন ও নোসপিন পরানো হয়। সাফারাত চৈত্রিকাকে টিউশনি ছাড়ার নির্দেশ দেয়, পরিবারের দায়িত্ব নেওয়ার কথা বলে।

সুখের নেশায় | পর্ব ২৪ | মিমের হামলার মুখোমুখি, দিহানের উদ্ধার ও সাফারাতের রোমান্টিক সারপ্রাইজ

মিমকে আইসক্রিমের দোকানে হয়রানির মুখোমুখি হতে দেখে দিহান তাকে উদ্ধার করে। রানা ও তার দলকে ভয় দেখায় দিহান, মিম তার কাছে ভরসা পায়। বাড়িতে ফিরে চৈত্রিকা জানতে পারে ঘটনার কথা। সাফারাত চৈত্রিকাকে অফিসে পৌঁছে দেয়, আর মোনার অনুপযুক্ত দৃষ্টি কাটিয়ে দেয়। চৈত্রিকার জন্য বড় সারপ্রাইজের ইঙ্গিত দেয় সে।

সুখের নেশায় | পর্ব ২৫ | চৈত্রিকার অফিস প্রবেশ, তনয়ের সাক্ষাৎ ও সিনথিয়ার সারপ্রাইজ আগমন

চৈত্রিকা অফিসে কাজ শুরু করে মোনার কঠোর আচরণের মুখোমুখি হয়। ক্যান্টিনে তার ভার্সিটির প্রেমাসক্ত সিনিয়র তনয়ের সাথে দেখা হয়, যা সাফারাতের চোখে পড়ে। সন্ধ্যায় সাফারাত তাকে নিয়ে যায় গ্রামের চিলেকোঠায়, যেখানে চোখ খুলতেই সে দেখে সিনথিয়াকে—তার অতীতের বিশ্বাসঘাতিনী বন্ধু।

সুখের নেশায় | পর্ব ২৬ | চৈত্রিকার অজানা অতীত, সাফারাতের প্রতিশোধ ও সিনথিয়ার সত্য

চৈত্রিকা জানতে চায় সাফারাতের সাথে সিনথিয়ার অতীতের সত্য। সাফারাত মুখ খুলে বলে, আট বছর আগে বদ্ধ কক্ষে তাদের বন্দী হওয়ার ঘটনায় মিথ্যা অপবাদ লাগে তার মায়ের উপর। সমাজের চাপে বিয়ের সিদ্ধান্ত হয়, কিন্তু তা হয়নি। চৈত্রিকার কারণে তার মা অপমানিত হয়েছিল—এই কথা শুনে চৈত্রিকা মাটিতে ঢলে পড়ে।

সুখের নেশায় | পর্ব ২৭ | চৈত্রিকার সত্য উন্মোচন, সাফারাতের ভালোবাসা ও সিনথিয়ার রহস্য ফাঁস

চৈত্রিকা সচেতন হয়ে উঠে সিনথিয়াকে দেখে বিচলিত হয়। সাফারাতের কাছে ক্ষমা চায়, কিন্তু সাফারাত তাকে জানায় তার প্রতি গভীর ভালোবাসা। সিনথিয়া ফাঁস করে দেয় সে কখনও সাফারাতের বউ ছিল না, বরং আয়ানের স্ত্রী। অতীতের সব রহস্য উন্মোচিত হয়, আর চৈত্রিকা বুঝতে পারে সে সত্যিকারের ভাগ্যবতী।