ট্যাগ প্রেমের দ্বন্দ্ব

সেলফিশ | পর্ব ৫ | মিরার অজানা ভালোবাসা ও কাব্যর জ্বর

মিরা কাব্যকে বন্ধুত্বের ছলে প্রেমে ফেলতে চায়, কিন্তু সময়ের সাথে নিজেই তার প্রতি আকৃষ্ট হয়। কাব্য জ্বরে ভুগছে, মিরা উদ্বিগ্ন হয়ে ওঠে। বান্ধবীরা মিরার আচরণ দেখে বুঝতে পারে সে কাব্যকে ভালোবাসছে। রাতে মিরা নিজেকে প্রশ্ন করে—আমি কি সত্যিই তাকে ভালোবাসি?

সেলফিশ | পর্ব ৪ | মিরার বাজি ও কাব্যর প্রতি অদ্ভুত আচরণ

মিরা বান্ধবীদের সাথে বাজি ধরে কাব্যকে প্রেমে ফেলার চ্যালেঞ্জ নেয়। ক্লাসে তাকে তাকিয়ে হাসে, তারপর জোর করে বন্ধুত্বের হাত বাড়ায়। কাব্য বিভ্রান্ত, মিরার আচরণে ভয় পায়। মিরা ঘরে ফিরে বান্ধবীদের বলে—ওকে দুর্বল করার প্লান চলছে, কিন্তু সে নিজেই পড়বে না।

তোমাকে খোঁজে | পর্ব ১২ | আদিবার সংকট ও নেহালের এক্সিডেন্টের খবর

বিয়ের মঞ্চে আদিবার ফোন বাজে—নেহাল-মিতির বাস এক্সিডেন্টের খবর। সায়ানের মা তাকে জোর করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। মিতি আদিবাকে জড়িয়ে ধরে, আর সায়ানের মা মিতির সাথে সায়ানের বিয়ের পরিকল্পনা করে। নেহাল ক্রিটিক্যাল, আদিবা মানসিক সংকটে।

তোমাকে খোঁজে | পর্ব ৯-১০ | আদিবার বিশ্বাসঘাতকতা ও সায়ানের ভালোবাসার প্রস্তাব

নেহাল আদিবাকে ছলনার অপরাধ দেখায় এবং তাকে ধাক্কা দেয়, আবির চৌধুরী রেগে নেহালকে মারধর করে। সায়ান আদিবাকে ভালোবাসার কথা বলে এবং বিয়ের প্রস্তাব দেয়। নেহাল আদিবার কাছে আসে, সায়ানের সাথে তার দ্বন্দ্ব হয়, মিতি হস্তক্ষেপ করে শান্ত করে।

তোমাকে খোঁজে | পর্ব ৫ | আদিবার আত্মহত্যার চেষ্টা ও নেহালের রক্তদান

আদিবা ছুরি দিয়ে নিজেকে আঘাত করে, নেহাল রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে বাঁচাতে ডাক্তার ডাকে। চার ব্যাগ রক্তের প্রয়োজন হয়, নেহাল নিজের রক্ত দিতে বাধ্য করে ডাক্তারকে। জ্ঞান ফেরার পর আদিবা নেহালকে ঘৃণা জানায়, আর মিতি জানায়—আদিবা নেহালের স্ত্রী।

তোমাকে খোঁজে | পর্ব ১-২ | বিয়ের আসরে পালানো আদিবা ও নেহালের আবেগের দ্বন্দ্ব

বিয়ের দিন আদিবা নেহালের কাছে পালিয়ে আসে, কিন্তু নেহাল তাকে ছাড়তে নারাজ। চাবি খুঁজতে গিয়ে ফুলদানি ভাঙে, রাগে আদিবাকে ধরে তোলে নেহাল। কপাল কেটে যাওয়ায় নেহালের রাগ পরিণত হয় অনুশোচনায়। আদিবা তাকে নিচ বলে, কিন্তু নেহাল জানায়—তাকে ছাড়া তার জীবন অসম্পূর্ণ।

মেঘবৃষ্টির গল্পকথা | পর্ব ৬-৮+বোনাস | বৃষ্টির পরিচয় ও মেঘের ফিরে আসা

বৃষ্টি আয়েশার গোপন প্রেম উদ্ধার করে বিয়ে জমায়, কিন্তু নিজের পরিচয় হারায়। আফিয়া মায়ের ভুল স্বীকার করে, বৃষ্টি তাকে ছেড়ে যায়। দুই বছর পর ভারতে মেঘের সাথে আবার দেখা, যেখানে বৃষ্টি তার ভালোবাসা প্রকাশ করে।

ডায়েরী শেষ পাতা | পর্ব ৪ | নুসরাতের ফোন কল ও সাজ্জাদের ডায়েরীতে শেষ লেখা

সাজ্জাদ নুসরাতের ভালোবাসার মানুষের সাথে ফোনে কথা শুনে মন খারাপ করে। রাতে ডায়েরীতে লেখে নিজের আবেগ, নম্রতার স্মৃতি ও নুসরাতকে ছাড়ার সিদ্ধান্ত। অফিসে নুসরাতের কলে সাজ্জাদ বিপাকে পড়ে। সম্পর্কের টানাপোড়েন চলছে।

ডায়েরী শেষ পাতা | পর্ব ১ | চাকরির আগে বিয়ের কার্ড

সাজ্জাদ চাকরির সারপ্রাইজ নিয়ে নম্রতাকে দেখতে যায়, কিন্তু নম্রতা তাকে বিয়ের কার্ড দিয়ে বিদায় জানায়। চাকরি হওয়ার পরও সে তাকে ফিরে পায় না, বরং দেখে নম্রতা অন্যের সাথে শপিং করছে। ভাঙা ভালোবাসার গল্প শুরু হয় হতাশায়।

গ্রামের ছেলেটি | পর্ব ২২ | শেষ পর্বে বিয়ে ও গর্ভবতী হওয়ার চমক

শিমুল ও নিলিমার মধ্যে বিচ্ছেদের টানাপোড়েন চলতে থাকে। নিলিমার বন্ধু তাকে প্রোপোজ করলে শিমুল মন ভেঙে পড়ে। পরে জানা যায় নিলিমা গর্ভবতী, আংটিটি ছিল শিমুলের জন্য। দুজনে বিয়ে করে নতুন জীবন শুরু করে।

গ্রামের ছেলেটি | পর্ব ১৬ | নিলিমার ঈর্ষা ও তামান্নার আগমন

নিলিমার মা শিমুলের সম্পর্কে জানতে চায়, তামান্না শিমুলকে ভালোবাসে বলে মা জানায়। নিলিমা ঈর্ষায় জ্বলে, শিমুলকে কিস করে। তামান্না শিমুলের রুমে ঢুকে ফোনে নিলিমার সাথে কথা বলে, নিলিমা রাগে ফোন কাটে।

গ্রামের ছেলেটি | পর্ব ১৩ | নিলিমার হাসি ও রাকিবের স্বীকারোক্তি

শিমুল নিলিমার হাসি দেখে ভেঙে পড়ে, রাকিব রাইসাকে ভালোবাসি বলে স্বীকারোক্তি দেয়। তামান্না খাবার পাঠায়, নিলিমা শাড়ি পরে অফিসে আসে এবং শিমুলকে মিটিংয়ে পাঠায়।