তুমি তাই | পর্বঃ ২৬ | নিলির দুর্ঘটনা ও রেজোয়ানের অস্থিরতা
রেজোয়ানের বিছানার পাশে নিলি বসে আছে। রেজোয়ান সচেতন হয়ে নিলিকে জিজ্ঞাসা করে 'এসেছো নিলি?'। নিলি রেজোয়ানের জন্য কাঁদছে। রেজোয়ান নিলিকে বলে শাস্তি দেওয়ার কথা।
রেজোয়ানের বিছানার পাশে নিলি বসে আছে। রেজোয়ান সচেতন হয়ে নিলিকে জিজ্ঞাসা করে 'এসেছো নিলি?'। নিলি রেজোয়ানের জন্য কাঁদছে। রেজোয়ান নিলিকে বলে শাস্তি দেওয়ার কথা।
রেজোয়ান বিদেশে ফিরে যাওয়ার জন্য তাড়া দিতে শুরু করেছে। শায়লা মুরসালীন ছেলের বিয়ে দিয়ে তবে দেশ ছাড়বেন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। রেজোয়ান বিয়ের প্রস্তাবে নারাজ।
রেজোয়ান দেশে ফিরেছে তিন বছর পর। শায়লা মুরসালীন খুশিতে আত্মহারা। তিন্নি সন্তানসম্ভবা। রেজোয়ান নিলিকে দেখে বিমূঢ়। নিলি এখন ওয়েটার, রেস্টুরেন্টে কাজ করে। রেজোয়ান নিলির সাথে দেখা করে এবং নিলি রেজোয়ানের জীবন নিয়ে প্রশ্ন করে।
তিন্নি অন্ধকারে কেঁদে ফেলে। ফুয়াদ ঘরে এসে দেখে তিন্নি কাঁদছে। ফুয়াদ তিন্নিকে খেতে ডাকে। তিন্নি খেতে অস্বীকার করে। ফুয়াদ তিন্নির কান্নার কারণ জানতে চায়। তিন্নি বলে, সে একজনের প্রেমে পড়েছিল।
তিন্নির কাছে সেদিন রাতে কোন ফোন এলো না। ফুয়াদ ফোন করলেও তিন্নি সংকোচে ঠিকমত কথা বলতে পারে নি। ফুয়াদ বাসায় এসে তিন্নির সঙ্গে দেখা করে এবং কফি খায়।
নিলির জ্ঞান ফিরে আসে ১২ ঘন্টা পরে। ডাক্তাররা তাকে ২৪ ঘন্টা পর্যবেক্ষণে রাখে। নিলির চিকিৎসার জন্য রেজোয়ান প্রচুর টাকা খরচ করে। জাহিদ নিলির পাশে থাকে।
রেজোয়ান প্লেনে ওঠার প্রস্তুতি নিচ্ছে, জাহিদের ফোন পেতে চেষ্টা করছে। জাহিদ জানায় নিলি অ্যাক্সিডেন্ট করে হস্পিটালাইজ। রেজোয়ান অস্থির হয়ে পড়ে।
রেজোয়ান বিদেশে চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। শায়লা মুরসালীন রেজোয়ানকে ঐ মেয়ের সঙ্গে যোগাযোগ না করার শপথ নিতে বলে। রেজোয়ান শপথ নিতে অস্বীকার করে।
নিলি হস্পিটালে এসেছে রেজোয়ানের সঙ্গে দেখা করতে। জাহিদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা করে নিলি ভেতরে ঢুকে রেজোয়ানের সঙ্গে কথা বলে। রেজোয়ান নিলিকে ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।
রেজোয়ান এবং নিলি একটি ব্যবসায়িক পার্টিতে যোগ দেয়। সেখানে রেজার সঙ্গে নিলির হাত ধরে থাকা দেখে রেজোয়ান ভেঙে পড়ে। রেজা রেজোয়ানকে বিয়ে নিয়ে কংগ্রাচুলেট না করার জন্য হাসি ঠাট্টা করে। রেজোয়ান ও রেজার মধ্যে মারামারি বেধে যায়।
রেজোয়ান নিলির বাসায় গিয়ে তাঁকে বিয়ে নিয়ে প্রশ্ন করে। নিলি রেজোয়ানকে বাসা থেকে চলে যেতে বলে। রেজোয়ান নিলিকে জড়িয়ে ধরতে চায়।
ফুয়াদ তিন্নির সার্টিফিকেট নষ্ট করে ফেলেছে। তিন্নি ফুয়াদের কপাল ফাটিয়ে দেয়। ফুয়াদ তিন্নিকে থানায় ডাইরী করতে বলে। নিলির বাসার বাইরে রেজোয়ান জাহিদকে নিলিকে কনভিন্স করার জন্য পাঠায়।