সুখের নেশায় | পর্ব ৮ | চৈত্রিকার জ্বর, সাফারাতের কোলে ভর, নার্সের প্রশ্ন ও মিমের রাগ

চৈত্রিকা বৃষ্টিতে ভিজে জ্বরে কাঁপছে, সাফারাত তাকে কোলে তুলে হাসপাতালে নিয়ে আসে। নার্স জিজ্ঞাসা করে সাফারাত কি তার স্বামী, চৈত্রিকা লজ্জায় বলে সে বেস্ট ফ্রেন্ড। মিম দিহানকে দেখে ক্ষুব্ধ হয়, আর সাফারাত রাতভর নিচে দাঁড়িয়ে তাকে আশ্বাস দেয়।

সুখের নেশায় | পর্ব ৭ | চৈত্রিকার আঁচড়, সাফারাতের রাগ ও হাসপাতালের উত্তেজনা

চৈত্রিকাকে হয়রানির চেষ্টা হয়, সাফারাত তাকে উদ্ধার করে গাড়িতে তোলে। হাসপাতালে যাওয়ার পথে সাফারাত তার কাঁধের আঁচড় দেখে রেগে আগুন, দিহানকে ছেলেদের খুঁজে বার করতে নির্দেশ দেয়। লিফটে চৈত্রিকার ওড়না সরিয়ে আঁচড়ের কারণ জানতে চায়, উত্তেজনা চরমে পৌঁছায়।

সুখের নেশায় | পর্ব ৬ | সাফারাতের গোপন শত্রু, পৃথকের অপরাধ ও চৈত্রিকার বাবার দুর্ঘটনা

সাফারাত জানতে পারে চৈত্রিকার বাবার দুর্ঘটনার পিছনে তার চাচাতো ভাই পৃথকের হাত আছে। পুলিশের কাছে প্রমাণ জমা দেয় সে। চৈত্রিকা বাবার ওষুধ কিনতে ফার্মেসীতে যায়, হঠাৎ শরীরে তীব্র ব্যথা অনুভব করে। সাফারাতের মনের গভীর ব্যথা ও প্রতিশোধের আগুন উন্মোচিত হয়।

সুখের নেশায় | পর্ব ৫ | চৈত্রিকার বাবার অপারেশন, অজানা সাহায্যকারী ও মেহুলের স্মৃতি

চৈত্রিকার বাবার গাড়ি দুর্ঘটনার পর অপারেশনের টাকা অজানা এক ব্যক্তি জমা দেয়, যাকে দেখে চৈত্রিকার মনে সাফারাতের কথা ভাসে। হাসপাতালে মিমের প্রশ্নে ভেঙে পড়ে চৈত্রিকা, আর মেহুলের মৃত্যুর দায় নিজের ঘাড়ে চাপিয়ে নেয়। এদিকে সাফারাত পুলিশ স্টেশনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়, দিহানের চাচাত ভাইয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করতে।

সুখের নেশায় | পর্ব ৪ | চৈত্রিকার অপমান, সাফারাতের রহস্যময় কথা ও বাবার দুর্ঘটনা

চৈত্রিকা বৃষ্টিতে ভিজে সাফারাতের কাছ থেকে জ্যাকেট নেয়, যার ঘ্রাণে অতীতের স্মৃতি ফিরে আসে। সাফারাত রহস্যময় ভাবে বলে, 'অপমান আঁকড়ে ধরে রাখলে সুখ পালিয়ে যাবে'। চৈত্রিকা চাকরি ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেয়, কিন্তু বাড়ির দারোয়ান জানায় তার বাবাকে গাড়ি চাপা দিয়েছে। এদিকে সাফারাত রেগে পৃথককে মারতে থাকে।

সুখের নেশায় | পর্ব ৩ | চৈত্রিকার রহস্যময় ফুল, সাফারাতের আবির্ভাব ও বৃষ্টিতে ভেজা মুহূর্ত

চৈত্রিকা রহস্যময়ভাবে জারবেরা ফুল পায়, যা তার অতীতের স্মৃতি জাগায়। বৃষ্টিতে ভিজতে ভিজতে বাসস্ট্যান্ডে হঠাৎ সাফারাতের আবির্ভাব হয়, যার হিম স্পর্শ ও উত্তপ্ত নিঃশ্বাসে চমকে ওঠে সে। এদিকে সাফারাত পরিবারের সাথে তিক্ততা ও বাবার ফোন এড়ায়, আর চৈত্রিকার বাবা তাকে ছেলের মৃত্যুর জন্য দায়ী করে চলেছেন।

সুখের নেশায় | পর্ব ২ | চৈত্রিকার অপমান, সাফারাতের রাগ ও ফুলের গোপন উপহার

চৈত্রিকা সাফারাতের বাড়িতে অপমানিত হয় এবং জেরিনের থাপ্পড়ে ভেঙে পড়ে। সাফারাত রাগে জেরিনকে বাড়ি থেকে তাড়ায়। বাড়ি ফিরে কাঁদে চৈত্রিকা। পরদিন সকালে মিম তাকে অজানা প্রেরকের পাঠানো জারবেরা ফুল ও একটি কাগজ দেয়, যেখানে শুধু লেখা থাকে 'চৈত্রিকা'।

সুখের নেশায় | পর্ব ১ | চৈত্রিকার ভালোবাসার পুনর্মিলন ও অপমান

চৈত্রিকা বয়সের দোহাই দিয়ে পাত্রপক্ষের কাছ থেকে অপমানিত হয়, কিন্তু তাদের সাথে থাকা সাফারাতকে দেখে আবেগে ভেঙে পড়ে। অতীতের ভালোবাসার মানুষটিকে খুঁজে পেয়ে তার সাথে যোগাযোগের জন্য অফিসে যায়, কিন্তু সাফারাত তাকে চিনতে অস্বীকার করে এবং বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয়।

তোমাতেই পূর্ণ আমি | পর্ব ২৯ | শ্রেয়ার স্বপ্নের ভয়, তূর্যর প্রেমের কবিতা ও সিনথিয়ার গ্রেফতার

শ্রেয়া ভয়াবহ স্বপ্নে তূর্যর মৃত্যু দেখে কাঁদতে কাঁদতে জেগে উঠে। তূর্য তাকে শান্ত করে বেলকনিতে নিয়ে যায় এবং ভালোবাসার কবিতা শোনায়। সিনথিয়া ড্রাগস মামলায় গ্রেফতার হয়। প্রিয়ুর গায়েহলুদে তূর্য-শ্রেয়ার মজার ঝগড়া ও প্রেমের মুহূর্ত উপভোগ করে। গল্পের শেষে তূর্য শ্রেয়াকে চিরকুট লেখক হিসেবে স্বীকার করে।

তোমাতেই পূর্ণ আমি | পর্ব ২৮ | শ্রেয়ার মা হওয়ার ইচ্ছা ও তূর্যর আগ্রাসন, প্রিয়ুর হলুদে আতঙ্ক

শ্রেয়া তূর্যকে মা হতে চাওয়ার কথা বলে, কিন্তু তূর্য ভয়ে বিচলিত হয়ে প্রতিক্রিয়া জানায়। প্রিয়ুর গায়েহলুদে এক অচেনা ছেলে শ্রেয়াকে হয়রানি করতে চায়, তূর্য তাকে নির্মমভাবে শাস্তি দেয়। শ্রেয়া ভয়ে অজ্ঞান হয়ে পড়ে। তূর্যর আবেগ, আগ্রাসন ও অতিরিক্ত সুরক্ষার মধ্যে দিয়ে প্রেমের গভীরতা ফুটে ওঠে।

তোমাতেই পূর্ণ আমি | পর্ব ২৭ | প্রিয়ুর ভালোবাসা ও আয়ুশের আগমন, বিয়ের আসরে প্রেমের মুক্তি

প্রিয়ু ভালোবাসায় ভেঙে পড়ে আয়ুশকে স্বীকার করে, কিন্তু প্রত্যাখ্যাত হয়। বিয়ের আসরে আয়ুশ হঠাৎ আবির্ভূত হয়ে ঘোষণা করে প্রিয়ু তার গার্লফ্রেন্ড, এবং নিজের ইচ্ছায় তাকে বিয়ে করতে চায়। শ্রেয়া ও তূর্য আনন্দে দৃশ্যটি উপভোগ করে। গাড়িতে আকস্মিক ঠোঁট স্পর্শে বিস্মিত হয় শ্রেয়া।

তোমাতেই পূর্ণ আমি | পর্ব ২৬ | শ্রেয়ার বিয়ের পরের সকাল, তূর্যর মায়ের আগমন ও চিরকুটের আবেগঘন স্বীকারোক্তি

বিয়ের পরের সকালে শ্রেয়াকে নিয়ে তূর্য আনন্দে মাতোয়ারা। হঠাৎ তার মায়ের আগমনে বাড়িতে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। তূর্য তাকে স্পষ্ট জানায় তাকে মা হিসেবে মানে না। রাতে চিরকুটে তূর্যর আবেগঘন ভালোবাসা পড়ে শ্রেয়া মুগ্ধ হয় এবং প্রথমবার তার কপালে চুমু খায়।