আমার চন্দ্রাবতী | পর্ব ৪ | ইয়াদের হুমকি ও দুআর অজ্ঞান

ইয়াদ জামালকে ফোন করে কঠিন হুমকি দেয় এবং রেকর্ডিং সংরক্ষণ করে। বন্ধুদের সাথে বাইক ট্যুরে বেরিয়ে সে ঢাকার রাস্তায় দুআকে ধাক্কা দেয়। দুআ কুকুরছানা বাঁচাতে গিয়ে অজ্ঞান হয়ে পড়ে। ইয়াদ তাকে চেনে না, কিন্তু তার মা থেকে শুনে দুআর কথা এবং মনে অদ্ভুত আকর্ষণ অনুভব করে।

আমার চন্দ্রাবতী | পর্ব ৩ | দুআর অভিমান ও ঢাকায় যাওয়ার স্বপ্ন

দুআ মায়ের কাছ থেকে ঢাকায় যাওয়া বারণ শুনে অভিমানে ভেঙে পড়ে। রিজোয়ান ও বন্ধুদের সাহায্যে সে কারখানায় গিয়ে বাবাকে রাজি করায়। অন্যদিকে, ইয়াদ বাড়ি ফিরে জানতে পারে মাইশার হবু শ্বশুরবাড়ি থেকে মেহমান আসছে, যাদের সাথে আছে দুআ। মারিয়া ইয়াদকে দুআর ছবি দেখায়, আর ইয়াদ মনে মনে মুগ্ধ হয়।

আমার চন্দ্রাবতী | পর্ব ২ | ইয়াদের বিপিএল উদ্বোধনী ও দুআর খেলা দেখা

ইয়াদ বিপিএল উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ক্রিকেট ফিক্সিংয়ের অভিযোগ নিয়ে জনাব সিনহার সাথে তীব্র মুখোমুখি হয়। রাতে বন্ধুদের সাথে আড্ডায় যায়। অন্যদিকে, দুআ রামিসার বাসায় বিপিএল প্রথম ম্যাচ দেখে, যেখানে ইয়াদের ক্যাচ দেখে তার মনে অজানা অনুভূতি জাগে।

#আমার চন্দ্রাবতী | পর্ব ১ | দুআর চুরি আম আর গোপন জাল টাকা

দুআ ফারাবী, গ্রামের জমিদারের মেয়ে, বন্ধুদের সাথে মিলে আম চুরি করতে গাছে উঠেছে। জুবিন কাকা ধরা দেওয়ার পর সে জাল টাকা দিয়ে কৌশলে প্রাণে বাঁচে। কলেজে প্রথম দিন, তার অদ্ভুত পোশাক ও ত্বকের রোগ নিয়ে জেরিনের উপহাস, কিন্তু বন্ধুরা তাকে বাঁচায়। অন্যদিকে, ক্রিকেটার ইয়াদ থাইল্যান্ডে অতীতের প্রেমিকাকে নির্মমভাবে প্রত্যাখ্যান করে।

#যদি প্রেম দিলে না প্রাণে | শেষ পর্ব | মৈনাক-অপর্ণার পুনর্মিলন ও সুখের সমাপ্তি

মৈনাক অপর্ণার ফ্ল্যাটে এসে তার ভুল স্বীকার করে এবং ক্ষমা চায়। অপর্ণার প্রতি তার ভালোবাসা প্রকাশ করে বসু ভিলায় ফিরে আসে। এক বছর পর অপর্ণা গর্ভবতী হয়, আর তীর্থ বেকসুর খালাস পায়। সত্যেন ঘটক ও তার ছেলে দোষী সাব্যস্ত হয়। প্রেম, ক্ষমা ও ন্যায়ের জয়ে গল্পের শেষ।

#যদি প্রেম দিলে না প্রাণে | পর্ব ৪ | অপর্ণার পড়াশোনা ও মৈনাকের অপরাধবোধ

অপর্ণা আলিপুরদুয়ারে সুপ্রতীক ও ইন্দ্রানীর সান্নিধ্যে মনোরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শে সুস্থ হতে শুরু করে এবং আইন পড়ার সিদ্ধান্ত নেয়। মৈনাক তার বাবার কাছ থেকে সব সত্য জেনে অপরাধবোধে ভুগতে থাকে। অপর্ণার বাবার মৃত্যুতে মৈনাক গ্রামে যায় এবং তার মনে প্রশ্ন জাগে তার নিজের আচরণ নিয়ে।

#যদি প্রেম দিলে না প্রাণে | পর্ব ৩ | অপর্ণার লড়াই ও মৈনাকের বিবেকের দ্বন্দ্ব

অপর্ণা ননদ-নন্দর সাহায্যে তীর্থের জামিনের জন্য লড়াই শুরু করে। মৈনাক বসু বিবেকের দ্বন্দ্বে ভোগে, কারণ তাকে ধর্ষণকারীর পক্ষে মামলা লড়তে হচ্ছে। অপর্ণা মৈনাককে ভালোবাসে জেনে ইন্দ্রানী নাড়া খায়। পারিবারিক সমর্থন ও আইনি যুদ্ধের মধ্যে দিয়ে চলছে প্রেম, বিশ্বাস ও ন্যায়ের লড়াই।

#যদি প্রেম দিলে না প্রাণে | পর্ব ২ | অপর্ণার প্রথম রাতের অপমান ও মৈনাকের প্রত্যাখ্যান

বিয়ের প্রথম রাতে অপর্ণা মৈনাকের কাছ থেকে তীব্র প্রত্যাখ্যান ও অপমান সহ্য করে। স্বামীর ঘৃণা, টাকার বিনিময়ে বিয়ের অভিযোগ এবং নিষিদ্ধ ঘরে ঢোকার অপরাধে সে ভয়ে কাঁদে। মনপ্রভা দেবী নিজের সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ হন, আর ইন্দ্রানী ও সুপ্রতীক ঘটনা জেনে আসেন।

#যদি প্রেম দিলে না প্রাণে | পর্ব ১ | মৈনাক-অপর্ণার আদালতের যুদ্ধ

মৈনাক বসু, কলকাতার নামকরা ব্যারিস্টার, আদালতে নিজের দ্বিতীয় স্ত্রী অপর্ণার কাছে পরাজিত হয়ে হতবাক। অপর্ণা নিজেকে প্রমাণের লড়াইয়ে নেমেছে, আর মৈনাক নিজের পেশার সাথে নিজেরই যুদ্ধে জড়িয়েছে। অতীতের বিষ এখন আদালতের মঞ্চে।

#না চাহিলে যারে পাওয়া যায় | শেষ পর্ব | রুহি-রায়ীনের সুখের সমাপ্তি

ঝিলিক ও শিখা পরিবার ছেড়ে চলে যায়, রুহি গর্ভবতী হয়ে সুখের সংসার গড়ে। রায়ীন রুহিকে ভালোবাসার প্রতিজ্ঞা করে, আর তাদের জীবনে বাজে রবীন্দ্রসংগীতের সুর। সম্পর্কের শেষ পর্বে ফিরে আসে শান্তি ও প্রেমের চিরন্তন মুহূর্ত।

#না চাহিলে যারে পাওয়া যায় | পর্ব ৩৮ | রায়ীনের ফিরে আসা ও রুহির অভিমান

রায়ীন ফিরে এসে মায়ের কাছে কাঁদে, আশরাফ অপরাধবোধ প্রকাশ করে। রুহির কাছে গিয়ে রায়ীন তার ভুল স্বীকার করে, কিন্তু রুহি তীব্র অভিমান নিয়ে প্রশ্ন তোলে শুভের সাথে সম্পর্ক নিয়ে। রায়ীন নিজের অনুভূতি নিয়ে বিভ্রান্ত হয়।

#না চাহিলে যারে পাওয়া যায় | পর্ব ৩৭ | শুভের ঢাকায় ফেরা ও ঝিলিকের সাহসী সিদ্ধান্ত

শুভ ঢাকায় ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়, নতুন চাকরির অফার নিয়ে বাবার সমর্থন পায়। ঝিলিক সৌরভকে স্পষ্ট জানায় তাকে ছাড়তে চলেছে, ডিভোর্সের কথা ঘোষণা করে এবং প্যারিসে ফ্যাশন ডিজাইনিংয়ের কোর্সে যাওয়ার পরিকল্পনা করে। শিখার ষড়যন্ত্র ব্যর্থ হয়।