ক্যাটাগরি রোমান্টিক গল্প

সেলফিশ | পর্ব ৫ | মিরার অজানা ভালোবাসা ও কাব্যর জ্বর

মিরা কাব্যকে বন্ধুত্বের ছলে প্রেমে ফেলতে চায়, কিন্তু সময়ের সাথে নিজেই তার প্রতি আকৃষ্ট হয়। কাব্য জ্বরে ভুগছে, মিরা উদ্বিগ্ন হয়ে ওঠে। বান্ধবীরা মিরার আচরণ দেখে বুঝতে পারে সে কাব্যকে ভালোবাসছে। রাতে মিরা নিজেকে প্রশ্ন করে—আমি কি সত্যিই তাকে ভালোবাসি?

সেলফিশ | পর্ব ৪ | মিরার বাজি ও কাব্যর প্রতি অদ্ভুত আচরণ

মিরা বান্ধবীদের সাথে বাজি ধরে কাব্যকে প্রেমে ফেলার চ্যালেঞ্জ নেয়। ক্লাসে তাকে তাকিয়ে হাসে, তারপর জোর করে বন্ধুত্বের হাত বাড়ায়। কাব্য বিভ্রান্ত, মিরার আচরণে ভয় পায়। মিরা ঘরে ফিরে বান্ধবীদের বলে—ওকে দুর্বল করার প্লান চলছে, কিন্তু সে নিজেই পড়বে না।

সেলফিশ | পর্ব ৩ | কাব্যর নতুন চাকরি ও কলেজ জীবনের চ্যালেঞ্জ

কাব্য একটি প্রাইভেট কোম্পানিতে চাকরি পায় এবং আশার আলো দেখতে শুরু করে। বাড়িওয়ালার মেয়ের জন্য ঘর ছাড়তে হয়, কিন্তু আন্টির যত্নে সকালের খাবার পায়। কলেজে প্রথম দিনেই মিরা তাকে লক্ষ্য করে ব্যঙ্গ করে, আর স্যার তাকে অবহেলা করেন। ক্লাসে সবাই তার পোশাক দেখে হাসে, আর মন ভারী হয়।

সেলফিশ | পর্ব ২ | কাব্যর হাসপাতালের ঘটনা ও কলেজে ভর্তি

কাব্য রাস্তায় রক্তাক্ত প্রিন্সিপাল স্যারকে দেখে হাসপাতালে নিয়ে যায়, পুলিশের সন্দেহ এড়ায়। প্রিন্সিপাল কাব্যের মনের কষ্ট বুঝে তাকে নিজের কলেজে ভর্তির সুযোগ দেয়। পরদিন কলেজে প্রবেশের সময় এক সুন্দরী মেয়ের সাথে ধাক্কা লাগে, যে তাকে চড় মারে।

সেলফিশ | পর্ব ১ | কাব্যর ভালোবাসা ও স্বর্নার নির্মম সত্য

কাব্য স্বর্নাকে ভালোবাসে, কিন্তু স্বর্না ঘৃণা করে তাকে, জানিয়ে দেয় সব ভালোবাসা ছিল অভিনয়। কাব্য ভেঙে পড়ে, বাড়িতে পিতামাতার অপমান, বইয়ের উপর আগুন। হতাশায় ঢাকায় চলে আসে। একা, দরিদ্র, কিন্তু আশার আলো জ্বলে যখন বাড়িওয়ালার ছেলেকে পড়ানোর সুযোগ পায়।

তোমাকে খোঁজে | পর্ব ১৩ | আদিবার প্রত্যাবর্তন ও নেহালের ক্ষমা

আদিবা সায়ানের বিয়ের আগে নেহালের কাছে ফিরে আসে, কিন্তু নেহাল প্রথমে তাকে সরিয়ে দেয়। মিতির আবেদনে নেহাল আদিবাকে ক্ষমা করে। সায়ান-মিতির বিয়ে হয়, আর আদিবা-নেহালের পুনর্মিলন ঘটে। গল্পের শেষে দুই জুটির ভবিষ্যতের আশা জাগে।

তোমাকে খোঁজে | পর্ব ১২ | আদিবার সংকট ও নেহালের এক্সিডেন্টের খবর

বিয়ের মঞ্চে আদিবার ফোন বাজে—নেহাল-মিতির বাস এক্সিডেন্টের খবর। সায়ানের মা তাকে জোর করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। মিতি আদিবাকে জড়িয়ে ধরে, আর সায়ানের মা মিতির সাথে সায়ানের বিয়ের পরিকল্পনা করে। নেহাল ক্রিটিক্যাল, আদিবা মানসিক সংকটে।

তোমাকে খোঁজে | পর্ব ১১ | সায়ানের মায়ের বিরোধিতা ও আদিবার মানসিক যন্ত্রণা

গায়েহলুদের পর আদিবার সাথে সায়ানের মায়ের তীব্র বচসা হয়, যেখানে তিনি আদিবাকে নেহালের স্ত্রী হওয়ার কথা উল্লেখ করে সায়ানের জীবন থেকে সরে যেতে বলেন। আদিবা মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে, আর নেহাল-মিতি শহর ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেয়।

তোমাকে খোঁজে | পর্ব ৯-১০ | আদিবার বিশ্বাসঘাতকতা ও সায়ানের ভালোবাসার প্রস্তাব

নেহাল আদিবাকে ছলনার অপরাধ দেখায় এবং তাকে ধাক্কা দেয়, আবির চৌধুরী রেগে নেহালকে মারধর করে। সায়ান আদিবাকে ভালোবাসার কথা বলে এবং বিয়ের প্রস্তাব দেয়। নেহাল আদিবার কাছে আসে, সায়ানের সাথে তার দ্বন্দ্ব হয়, মিতি হস্তক্ষেপ করে শান্ত করে।

তোমাকে খোঁজে | পর্ব ৬-৮ | আদিবার ছলনা ও বিয়ের রেজিস্ট্রি প্রকাশ

নেহাল আদিবাকে রক্ত দিয়ে বাঁচায়, কিন্তু আদিবা তাকে অপরাধী সাব্যস্ত করে। মিতির বিয়ের প্রস্তাব হয় সায়ানের সাথে। পুলিশ আদিবার বন্ধুদের কাছ থেকে সত্য জানে। শেষে মিতি বিয়ের রেজিস্ট্রি পেপার দেখায়—আদিবা নেহালের স্ত্রী!

তোমাকে খোঁজে | পর্ব ৫ | আদিবার আত্মহত্যার চেষ্টা ও নেহালের রক্তদান

আদিবা ছুরি দিয়ে নিজেকে আঘাত করে, নেহাল রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে বাঁচাতে ডাক্তার ডাকে। চার ব্যাগ রক্তের প্রয়োজন হয়, নেহাল নিজের রক্ত দিতে বাধ্য করে ডাক্তারকে। জ্ঞান ফেরার পর আদিবা নেহালকে ঘৃণা জানায়, আর মিতি জানায়—আদিবা নেহালের স্ত্রী।

তোমাকে খোঁজে | পর্ব ৩-৪ | আদিবার বিয়ে বাতিল ও নেহালের আবেগের বন্দি

বিয়ের আসর থেকে পালিয়ে আসা আদিবাকে নেহাল জোর করে নিজের কাছে রাখে। আদিবার বাবা-মায়ের অপমানে সায়ান ভেঙে পড়ে। নেহাল আদিবাকে খাওয়াতে জোর করে, শারীরিক ক্ষত হয়। আদিবা আত্মহত্যার চেষ্টা করে, ছুরি নিজের পেটে ঢোকায়।