ক্যাটাগরি রহস্য রোমাঞ্চ

সুখের নেশায় | পর্ব ২৫ | চৈত্রিকার অফিস প্রবেশ, তনয়ের সাক্ষাৎ ও সিনথিয়ার সারপ্রাইজ আগমন

চৈত্রিকা অফিসে কাজ শুরু করে মোনার কঠোর আচরণের মুখোমুখি হয়। ক্যান্টিনে তার ভার্সিটির প্রেমাসক্ত সিনিয়র তনয়ের সাথে দেখা হয়, যা সাফারাতের চোখে পড়ে। সন্ধ্যায় সাফারাত তাকে নিয়ে যায় গ্রামের চিলেকোঠায়, যেখানে চোখ খুলতেই সে দেখে সিনথিয়াকে—তার অতীতের বিশ্বাসঘাতিনী বন্ধু।

সুখের নেশায় | পর্ব ১৯ | চৈত্রিকার বাবার কবর, সাফারাতের আবেগ ও মিমের ফাঁস

চৈত্রিকা বাবার কবর দেখতে চায়, সাফারাত নিয়ে যায়। কবরস্থানে চৈত্রিকার প্রশ্নে সাফারাত রাগান্বিত হয়। পরে তাকে কপালে চুমু দিয়ে বলে, 'আমরা এক হবো'। বাড়িতে ফিরে মিম সাফারাতকে সব ফাঁস করে দেয়। চৈত্রিকা ভয়ে আতঙ্কিত হয়, সাফারাত আসছে জেনে।

সুখের নেশায় | পর্ব ১৭ | সাফারাতের দৃঢ়তা ও চৈত্রিকার বাবার অবস্থা

সাফারাত চাচাতো ভাইয়ের বিরুদ্ধে মামলা নিয়ে চাচা-চাচীর আবেদন উপেক্ষা করে। চৈত্রিকার বাবার অবস্থা অবনতি হয়, তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। সাফারাত চৈত্রিকাকে ফোন করে কিন্তু বাবার মৃত্যুর খবর শুনে হতবাক হয়। অতীতের স্মৃতি ও বর্তমানের চাপে দুজনের মন ভারাক্রান্ত।

সুখের নেশায় | পর্ব ১৬ | চৈত্রিকার আংটি, সাফারাতের রাগ ও তাহাফের হুমকি

চৈত্রিকার আঙ্গুলে সাফারাতের দেওয়া আংটি দেখে তার বাগদত্তা হওয়ার কথা জানতে পারে সাফারাত, রাগে আগুন হয়ে ওঠে সে। চৈত্রিকাকে ফিরে পেতে চায় সে। বাড়ি ফেরার পথে তাহাফ তাকে ছাদে নিয়ে যায়, হুমকি দেয়। চৈত্রিকা প্রতিরোধ করে, তাহাফকে আঘাত করে। মিম সন্দেহ করে তাহাফই গোপন প্রেমিক, কিন্তু চৈত্রিকা তা অস্বীকার করে।

সুখের নেশায় | পর্ব ১৩ | চৈত্রিকার সংকোচ, সাফারাতের রহস্যময় প্রশ্ন ও মিনার ফাঁস করা সত্য

চৈত্রিকা সাফারাতের ঘরে ঢুকতেই তার বুকে হাত পড়ে যায়, লজ্জায় লাল হয়ে যায় সে। সাফারাত রহস্যময়ভাবে প্রশ্ন করে—"আমি কি আপনার প্রেমিক?" চৈত্রিকা বিভ্রান্ত। কিচেনে মিনা ফাঁস করে দেয় সাফারাতের মায়ের মৃত্যুর গোপন কথা। হঠাৎ মিহিতা আসে বাড়িতে, চৈত্রিকা সন্দেহে পড়ে।

সুখের নেশায় | পর্ব ৬ | সাফারাতের গোপন শত্রু, পৃথকের অপরাধ ও চৈত্রিকার বাবার দুর্ঘটনা

সাফারাত জানতে পারে চৈত্রিকার বাবার দুর্ঘটনার পিছনে তার চাচাতো ভাই পৃথকের হাত আছে। পুলিশের কাছে প্রমাণ জমা দেয় সে। চৈত্রিকা বাবার ওষুধ কিনতে ফার্মেসীতে যায়, হঠাৎ শরীরে তীব্র ব্যথা অনুভব করে। সাফারাতের মনের গভীর ব্যথা ও প্রতিশোধের আগুন উন্মোচিত হয়।

সুখের নেশায় | পর্ব ৫ | চৈত্রিকার বাবার অপারেশন, অজানা সাহায্যকারী ও মেহুলের স্মৃতি

চৈত্রিকার বাবার গাড়ি দুর্ঘটনার পর অপারেশনের টাকা অজানা এক ব্যক্তি জমা দেয়, যাকে দেখে চৈত্রিকার মনে সাফারাতের কথা ভাসে। হাসপাতালে মিমের প্রশ্নে ভেঙে পড়ে চৈত্রিকা, আর মেহুলের মৃত্যুর দায় নিজের ঘাড়ে চাপিয়ে নেয়। এদিকে সাফারাত পুলিশ স্টেশনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়, দিহানের চাচাত ভাইয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করতে।

সুখের নেশায় | পর্ব ৪ | চৈত্রিকার অপমান, সাফারাতের রহস্যময় কথা ও বাবার দুর্ঘটনা

চৈত্রিকা বৃষ্টিতে ভিজে সাফারাতের কাছ থেকে জ্যাকেট নেয়, যার ঘ্রাণে অতীতের স্মৃতি ফিরে আসে। সাফারাত রহস্যময় ভাবে বলে, 'অপমান আঁকড়ে ধরে রাখলে সুখ পালিয়ে যাবে'। চৈত্রিকা চাকরি ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেয়, কিন্তু বাড়ির দারোয়ান জানায় তার বাবাকে গাড়ি চাপা দিয়েছে। এদিকে সাফারাত রেগে পৃথককে মারতে থাকে।

সুখের নেশায় | পর্ব ৩ | চৈত্রিকার রহস্যময় ফুল, সাফারাতের আবির্ভাব ও বৃষ্টিতে ভেজা মুহূর্ত

চৈত্রিকা রহস্যময়ভাবে জারবেরা ফুল পায়, যা তার অতীতের স্মৃতি জাগায়। বৃষ্টিতে ভিজতে ভিজতে বাসস্ট্যান্ডে হঠাৎ সাফারাতের আবির্ভাব হয়, যার হিম স্পর্শ ও উত্তপ্ত নিঃশ্বাসে চমকে ওঠে সে। এদিকে সাফারাত পরিবারের সাথে তিক্ততা ও বাবার ফোন এড়ায়, আর চৈত্রিকার বাবা তাকে ছেলের মৃত্যুর জন্য দায়ী করে চলেছেন।

তোমাতেই পূর্ণ আমি | পর্ব ২৮ | শ্রেয়ার মা হওয়ার ইচ্ছা ও তূর্যর আগ্রাসন, প্রিয়ুর হলুদে আতঙ্ক

শ্রেয়া তূর্যকে মা হতে চাওয়ার কথা বলে, কিন্তু তূর্য ভয়ে বিচলিত হয়ে প্রতিক্রিয়া জানায়। প্রিয়ুর গায়েহলুদে এক অচেনা ছেলে শ্রেয়াকে হয়রানি করতে চায়, তূর্য তাকে নির্মমভাবে শাস্তি দেয়। শ্রেয়া ভয়ে অজ্ঞান হয়ে পড়ে। তূর্যর আবেগ, আগ্রাসন ও অতিরিক্ত সুরক্ষার মধ্যে দিয়ে প্রেমের গভীরতা ফুটে ওঠে।

তোমাতেই পূর্ণ আমি | পর্ব ২৬ | শ্রেয়ার বিয়ের পরের সকাল, তূর্যর মায়ের আগমন ও চিরকুটের আবেগঘন স্বীকারোক্তি

বিয়ের পরের সকালে শ্রেয়াকে নিয়ে তূর্য আনন্দে মাতোয়ারা। হঠাৎ তার মায়ের আগমনে বাড়িতে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। তূর্য তাকে স্পষ্ট জানায় তাকে মা হিসেবে মানে না। রাতে চিরকুটে তূর্যর আবেগঘন ভালোবাসা পড়ে শ্রেয়া মুগ্ধ হয় এবং প্রথমবার তার কপালে চুমু খায়।

তোমাতেই পূর্ণ আমি | পর্ব ২৫ | শ্রেয়ার ক্ষমা ও রাতের বিয়ে, তূর্যর কোমার সত্য ও বাসর রাতের হুমকি

শ্রেয়া জানতে পারে তূর্য তিন মাস পনেরো দিন কোমায় ছিলেন এবং তার বাবার মৃত্যুর পর তাকে হারানোর বেদনা সহ্য করেছেন। আরিয়ানা আপুর কাছে সত্য শুনে ভেঙে পড়ে শ্রেয়া, তূর্যর কাছে ছুটে যায় এবং ভালোবাসা স্বীকার করে। রাতের আঁধারে গোপনে বিয়ে হয়, আর বাসর রাতে তূর্য শ্রেয়াকে ভাই ডাকার অপরাধে কান ধরে দাঁড়ানোর হুমকি দেন।