লেখক নৌশিন আহমেদ রোদেলা

#তোকে চাই | পর্ব ৪৩ | রোদেলার গর্ভবতী ভয় ও শুভ্রের নামায় কান্না

রোদেলা ও শুভ্র গায়েনী চেম্বারে অপেক্ষা করছেন, যেখানে সাহেল ভাইয়া তার প্রেগন্যান্ট স্ত্রী নাবিলাকে নিয়ে আসেন। ডাক্টর রোদেলার বয়স ও গর্ভাবস্থার ঝুঁকি নিয়ে সতর্ক করেন, যা শুভ্রকে ভেঙে দেয়। রোদেলা ভয়ে কাঁপছে, কিন্তু শুভ্র বলেন—"আমি মানুষ, খুনী না"। তারপর আপুর অকাল লিভার পেইনের খবর আসে, সব মন ভারাক্রান্ত হয়ে ওঠে।

#তোকে চাই | পর্ব ৪৪ | রুহির প্রসব যন্ত্রণা ও অভ্রের ভাঙা মন

অভ্র ভাইয়া রুহির প্রসব যন্ত্রণায় ভেঙে পড়েন, চোখে অবিরাম জল। ডাক্তার বেবির খবর দিলেও অভ্র চান শুধু রুহির সুস্থতার নিশ্চয়তা। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে এখনো বিপদমুক্ত নন রুহি। শুভ্র ও রোদেলা চিন্তায় আড়ষ্ট। নতুন জীবনের আনন্দ চাপা পড়েছে পুরনো ভালোবাসার বিপদের আশঙ্কায়।

#তোকে চাই | পর্ব ৪৫ | রোদেলার নাম দেওয়ার আনন্দ ও শুভ্রের মাথা নষ্ট ভালোবাসা

রোদেলা ও শুভ্রের পরিবারে আনন্দের ছড়াছড়ি, রুহির ছেলের নামকরণ নিয়ে উচ্ছ্বাস। রোদেলা ও মামানি মিলে নাম সাজেস্ট করেন 'রাফসান আহমেদ তৌফিক'। রাতে শুভ্র রোদেলাকে জড়িয়ে নিয়ে ভবিষ্যতের বাচ্চার নামও ভাবেন—'রোধৌশী' ও 'রেদুয়ান'। মাথা নষ্ট ভালোবাসার এই মুহূর্তে প্রেম ও পরিবারের গরম সম্পর্ক উজাড় হয়।

#তোকে চাই | শেষ পর্ব | শুভ্রতার জন্মদিন ও শুভ্রের চিরন্তন ভালোবাসা

শুভ্রতার তিন বছর পূর্তি উদযাপনে আনন্দে ভরপুর পরিবার। শুভ্র রোদেলাকে জড়িয়ে বলে—"তোকে চাই" তার শেষ নিশ্বাস পর্যন্ত। রোদেলা মনে মনে জানায় ভালোবাসা। পুচকি মামনি, চকলেটের লোভ, ছোট্ট তৌফিকের মিষ্টি কথা—সবেতে মিশে আছে প্রেম, হাসি আর চিরন্তন সম্পর্কের গল্প।