লেখক আরফিন সুমন

আমার একটাই তুমি | পর্ব ১৩ | জুলির মামাবাড়ি ও চাচার হুমকি

আরফিন ও জুলি মামাবাড়ির পথে যাচ্ছে। গাড়িতে তাদের মধ্যে নিরবতা, জুলি লুকোচুরি খেলে আরফিনকে রাগান্বিত করে। পরে আরফিন ক্ষমা চায়। এদিকে জুলির চাচা নানুবাড়িতে হানা দিয়ে তার বিয়ের খবর চায় এবং ঠিকানা না পেয়ে হুমকি দেয়।

আমার একটাই তুমি | পর্ব ১৪ | জুলির সাথে সাগরের কথা ও আরফিনের হিংসা

আরফিন জুলির মামাবাড়িতে এসে তাকে খুঁজে পায় না। পরে দেখে জুলি সাগর নামের এক ছেলের সাথে কথা বলছে। আরফিনের মন খারাপ হয়, সে জুলিকে জিজ্ঞাসা করে। ঘুরতে যাওয়ার সময় জুলি সাগরকে সাথে নেয়, আরফিন হিংসা বোধ করে। ফিরে ঝগড়া হয়, আরফিন জুলিকে ক্যারেক্টারহীন বলে, জুলি রুষ্ট হয়।

আমার একটাই তুমি | পর্ব ১৫ | জুলির চলে যাওয়া ও আরফিনের পুনর্মিলন

জুলি আরফিনের রাগে আহত হয়ে চলে যায়, কিন্তু চাচা তাকে জোর করে ফিরিয়ে আনে। আরফিন তাকে উদ্ধার করে বৃষ্টিতে ভেজা রাস্তায় ভালোবাসা স্বীকার করে। দুজনের মাঝে রাগ ভেঙে পুনর্মিলন হয়, ভালোবাসা চূড়ান্তভাবে পূর্ণতা পায়।

বডিগার্ড থেকে বর | পর্ব ১ | আরফিনের নতুন চাকরি ও রহস্যময় পরিবার

আরফিন সুমন নামের এক যুবক মামার সাহায্যে এক ধনী পরিবারের মেয়ের বডিগার্ড হিসেবে চাকরি পায়। বাড়িটি দেখে মুগ্ধ হয় সে, কিন্তু জানতে পারে না কার পাহারায় রাখা হবে। মামা জানায়, পরিবারটি বড় ব্যবসায়ী, প্রায় সব সময় বিদেশে থাকে। আরফিন বিকালে যোগদানের জন্য প্রস্তুত হয়, অজানা ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে।

বডিগার্ড থেকে বর | পর্ব ২ | রমিওর প্রথম দিন ও জুলির রাগ

রমিও নতুন চাকরিতে যোগ দেয় এবং জুলি নামের রাগী মেয়েটির বডিগার্ড হিসেবে নিযুক্ত হয়। প্রথম দিনেই জুলির কাছ থেকে ঠাসা খায়, খাওয়ার টেবিলে তার উপর তাকানো কাননের সাথে তর্ক হয়। সকালে রুমে ঢুকে কানন তাকে বিরক্ত করে, রমিও বুঝতে পারে এই চাকরি সহজ হবে না।

বডিগার্ড থেকে বর | পর্ব ৩ | ভার্সিটির হয়রানি ও কাননের চ্যালেঞ্জ

রমিও জুলির ভার্সিটিতে প্রথম দিনেই তাকে হয়রানি করা ছেলেদের হাত থেকে বাঁচায়। কানন তাকে চ্যালেঞ্জ করে গাড়িতে উঠতে, আর রমিও মানসিকভাবে চাপে থাকে। পরদিন সে প্রিন্সিপালের সাথে কথা বলে জুলির ক্লাসে উপস্থিত থাকার অনুমতি পায়।

বডিগার্ড থেকে বর | পর্ব ৪ | ক্লাসের কানন ও ম্যাডামের বডিগার্ড

রমিও ভার্সিটি ক্লাসে জুলি ও কাননের বডিগার্ড হিসেবে নিযুক্ত হয়। মেয়েদের মধ্যে তার জনপ্রিয়তা বাড়তে থাকে, কিন্তু কাননের আগ্রাসন ও ম্যাডামের ক্রাশ তাকে চাপে ফেলে। শেষে আন্টি তাকে জানায়—সে আসলে দুজনেরই বডিগার্ড।

বডিগার্ড থেকে বর | পর্ব ৫ | ভয়ংকর জায়গা ও কাননের আগ্রাসন

রমিও পিকনিক স্পটের ভয়ংকর ইতিহাস জানিয়ে রাতে থাকা থেকে বিরত রাখতে চায়। কানন তাকে জোর করে সামনের সিটে বসতে চায় এবং আগ্রাসন চালায়। রমিও প্রতিরোধ করে, আন্টি হস্তক্ষেপ করেন। ম্যাডাম হাসতে হাসতে পিছনে শুয়ে পড়েন, রমিও ভাবে—এই সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নেই।

বডিগার্ড থেকে বর | পর্ব ৬ | ম্যাডামের শপিং মলে হামলা ও রমিওর উদ্ধার

রমিও ক্লাসে মেয়েদের আগ্রাসনে বিরক্ত হয়। বাড়িতে আঙ্কেলের সাথে কথা বলে মন খুলে। ম্যাডাম তাকে শপিং মলে নিয়ে যায়, যেখানে তার উপর ছুরিকাঘাতের চেষ্টা হয়। রমিও তাকে বাঁচাতে নিজে আঘাতপ্রাপ্ত হয় এবং কোলে তুলে নিয়ে পালায়।

বডিগার্ড থেকে বর | পর্ব ৭ | ম্যাডামের হামলা ও রমিওর আত্মত্যাগ

ম্যাডামের শপিং মলে হামলার পর রমিও তাকে কোলে নিয়ে পালায়। গাড়িতে উঠিয়ে বাড়ি ফেরে, কিন্তু নিজে রক্তাক্ত হয়ে অজ্ঞান হয়ে পড়ে। জ্ঞান ফেরার পর ম্যাডামের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন থাকে। ১৮ দিন পর সুস্থ হয়ে ফিরে আসে, কিন্তু ম্যাডামের রাগের কারণ বুঝতে পারে না।

বডিগার্ড থেকে বর | পর্ব ৮ | ম্যাডামের বিয়ের সিদ্ধান্ত ও কাননের প্রস্তাব

ম্যাডামের উপর হামলার পর রমিও তাকে বাঁচায়। আঙ্কেল জানায়, জুলির বিয়ে আমেরিকান বাঙালির সাথে হবে। কানন রমিওকে বিয়ের প্রস্তাব দেয়, রমিও তাকে প্রেত্নি বলে উপহাস করে। বিয়ের আয়োজনে রমিওকে দায়িত্ব দেওয়া হয়।

বডিগার্ড থেকে বর | পর্ব ৯ | বিয়ের পর বাঁশ ও ঢাকার যাত্রা

বিয়ের পর রমিও ম্যাডামের রুমে ঢোকে, কিন্তু ম্যাডাম তাকে স্বামী হিসেবে মানতে অস্বীকার করে। কানন তাকে বাসর রাতের কথা জিজ্ঞাসা করে, রমিও মজার করে বলে—"বাঁশ" দিয়েছে। আঙ্কেল তাদের ঢাকার বাড়িতে পাঠায়। রাত ১২টায় পৌঁছানোর পর ম্যাডাম খাওয়ার দাবি করে।