সিরিজ #না চাহিলে যারে পাওয়া যায়

#না চাহিলে যারে পাওয়া যায় | পর্ব ১৩ | রুহির কৌতূহল ও শশুরবাড়ির গোপন

রুহি শশুরবাড়ির পারিবারিক ছবি না থাকায় কৌতূহল প্রকাশ করে, যা নিয়ে সবাই অস্বস্তিতে পড়ে। শিখা ও রোজী তাকে সতর্ক করে, আর রায়ীন রূঢ়ভাবে মাঝপথে কথা কাটে। বাবার চাপ, শুভের কষ্ট এবং শশুরের ক্যান্সারের কথা নিয়ে রুহি মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে। পরিবারের গোপন রহস্য উঁকি দেয়।

#না চাহিলে যারে পাওয়া যায় | পর্ব ১৪ | রুহির গোপন সন্দেহ ও শুভের অপ্রত্যাশিত আগমন

রুহি শশুরকে খাওয়ানোর দায়িত্ব নেয় এবং ঝিলিকের সাথে আন্তরিক কথোপকথনে সম্পর্ক জোরদার হয়। রায়ীনের সাথে গাড়িতে যাওয়াকালীন ঝিলিকের সাথে তার অতীত নিয়ে তীব্র বিতর্ক হয়। বাড়িতে ফিরে রুহি শুভের অপ্রত্যাশিত উপস্থিতি দেখে চমকে যায়, মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে।

#না চাহিলে যারে পাওয়া যায় | পর্ব ১৫ | রুহির হাসপাতালে জ্ঞান ফেরা ও রায়ীনের যত্ন

রুহি হাসপাতালে জ্ঞান ফিরে পায়, কপালে তিনটি স্টিচ ও হাতে স্যালাইন নিয়ে। রায়ীন তাকে যত্ন করে, মাথা টিপে দেয় আর পানি খাওয়ায়। রুহি নিয়াজের কথা জানতে চায়, কিন্তু ক্লান্তিতে আবার ঘুমিয়ে পড়ে। এদিকে শুভ মায়ের সাথে কথা বলে রায়ীনের ফিরে আসার বিষয়ে বিদ্বেষ পোষণ করে।

#না চাহিলে যারে পাওয়া যায় | পর্ব ১৬ | রুহির সন্দেহ ও শুভের ফিরে আসা

হাসপাতাল থেকে ফিরে আসা রুহি রায়ীনের পরিবর্তিত আচরণে অবাক হয়। নিয়াজ কে সে জানতে চায়, আর রায়ীনের কাছ থেকে শোনে সে পলাতক ছিল। এদিকে রুহির ঘুমের মধ্যে শুভ আসে এবং নিজেকে প্রকাশ করে, যার মুখোমুখি হয়ে রুহি বিস্মিত হয়।

#না চাহিলে যারে পাওয়া যায় | পর্ব ১৭ | শুভের সত্য ও রুহির বিশ্বাসভঙ্গ

রুহি জানতে পারে শুভই নিয়াজ, যে পাঁচ বছর ধরে মিথ্যা পরিচয়ে তার সাথে সম্পর্ক গড়েছে। আবেগে ভেঙে পড়ে রুহি, আর শুভের প্রতি ঘৃণা ও বিতৃষ্ণা প্রকাশ করে। এদিকে শিখা ও আফজাল রাজের ব্যবসায় বাড়াবাড়ির নেপথ্য ষড়যন্ত্র নিয়ে আলোচনা করে।

#না চাহিলে যারে পাওয়া যায় | পর্ব ১৮ | রুহির কক্সবাজার যাত্রা ও শুভের অপ্রত্যাশিত আগমন

রুহি রায়ীনের সাথে কক্সবাজারে যায় এবং হোটেলে নামে। সমুদ্রের পাশে একা হাঁটতে গিয়ে সে শুভের সাথে অপ্রত্যাশিত দেখা পায়, যে তার পিছু নিয়ে এসেছে। রুহি ক্ষুব্ধ হয়ে তাকে তিরস্কার করে এবং বিশ্বাসঘাতক বলে ঘৃণা প্রকাশ করে। শুভ তাকে রায়ীনের বিরুদ্ধে সতর্ক করে, কিন্তু রুহি তার কথা শুনতে অস্বীকার করে।

#না চাহিলে যারে পাওয়া যায় | পর্ব ১৯ | রুহির সংঘাত ও শুভের আত্মহত্যার চেষ্টা

রুহি শুভের কথা মনে করে মানসিক ভাবে ভেঙে পড়ে এবং রায়ীনকে জড়িয়ে কাঁদে, কিন্তু লজ্জায় সব গোপন রাখে। শুভ মাকে চাপ দিয়ে কিছু একটা চায়, হাত কেটে আত্মহত্যার ইঙ্গিত দেয়। রায়ীন রুহির চাকরি চিটাগংয়ে নিতে বলে। আফজাল রায়ীনকে জনসামনে চড় মারে।

#না চাহিলে যারে পাওয়া যায় | পর্ব ২০ | রায়ীনের ব্যবসায়িক সিদ্ধান্ত ও রুহির আদর

রায়ীন একশো কোটি টাকা ব্যাংকে বিনিয়োগ করে আফজাল ও সৌরভের ক্রোধের মুখে পড়ে। সৌরভের গোপন প্রকল্প ফাঁস হওয়ায় তিক্ততা বাড়ে। রুহি আঘাত পাওয়া রায়ীনকে আইস দেয়, আর তাদের মধ্যে আবেগঘন মুহূর্ত তৈরি হয়। রায়ীন স্বীকার করে যে রুহির জন্য সে যেকোনো ব্যথা সহ্য করতে প্রস্তুত।

#না চাহিলে যারে পাওয়া যায় | পর্ব ২১ | রুহি-রায়ীনের আবেগের মুহূর্ত ও রোজীর সতর্কবাণী

রুহি ও রায়ীনের মধ্যে আবেগঘন মুহূর্ত তৈরি হয়, কিন্তু রোজীর আগমনে সব থেমে যায়। রোজী পারিবারিক শান্তি ও ব্যবসার স্থিতিশীলতা নিয়ে সতর্ক করেন। আফজাল-শিখার মধ্যে অতীত নিয়ে তীব্র বিতর্ক হয়। ঝিলিক সৌরভের নির্যাতনের শিকার হয় এবং তার বিরুদ্ধে কথা বললে আরও নির্যাতিত হয়।

#না চাহিলে যারে পাওয়া যায় | পর্ব ২২ | রুহির মনের পরিবর্তন ও শুভের বিপদগ্রস্ত মন

রুহি রায়ীনের প্রতি আন্তরিক হতে শুরু করে, তার যত্ন নেয় এবং মনে মনে তাকে নতুন করে দেখে। শুভ আবেগপ্রবণ হয়ে রুহির সামনে হাজির হয়, নিজের হাতের ক্ষত নিয়ে আত্মশাস্তির কথা বলে। ঝিলিকের গায়ের কালো দাগ ও রাজের প্রতি তার অনুভূতি নিয়ে রুহি সন্দেহ পোষণ করে। পরিবারের গোপন রহস্য আরও গভীর হয়।

#না চাহিলে যারে পাওয়া যায় | পর্ব ২৩ | রুহি-রায়ীনের আবেগঘন মুহূর্ত ও শুভের ভাঙন

রুহি ও রায়ীনের মধ্যে আবেগঘন মুহূর্ত তৈরি হয়, কিন্তু রুহির মনে জাগে প্রশ্ন। শুভ তাদের ঘনিষ্ঠতা দেখে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে এবং ঘরের জিনিসপত্র ভাঙে। শিখা শুভের ভালোবাসা বুঝতে পারে এবং চালাকির পরিকল্পনা ভাবতে শুরু করে।

#না চাহিলে যারে পাওয়া যায় | পর্ব ২৪ | রুহির জন্য শশুরের উপহার ও শুভের বিষোদ্গার

রুহিকে শশুরবাড়ির গয়না ও হীরের হার দেয় রোজী, আশরাফের চোখে জল। শেষ ইচ্ছে পূরণের আহ্বান আসে বংশধরের জন্য। ঝিলিক সৌরভের কাছ থেকে মুক্তির ঘোষণা দেয়। শুভ রুহির মনে সন্দেহ বুনতে থাকে রায়ীন নিয়ে।