গ্রামের ছেলেটি | পর্ব ১৯ | রাইসার বিয়ে ও জাম্বুরা চুরির তামাসা
শিমুল রাইসাকে নিলিমার বিয়ে নিয়ে বিভ্রান্ত করে, রাকিব ভুল বোঝাবাজারে তালেবকে ফাসায়। জাম্বুরা চুরির রাতে শিমুল এক মেয়ের উপর পড়ে যায়, আর সুমার ফোনে নিলিমার নাম্বার দেখে সন্দেহ জাগে।
শিমুল রাইসাকে নিলিমার বিয়ে নিয়ে বিভ্রান্ত করে, রাকিব ভুল বোঝাবাজারে তালেবকে ফাসায়। জাম্বুরা চুরির রাতে শিমুল এক মেয়ের উপর পড়ে যায়, আর সুমার ফোনে নিলিমার নাম্বার দেখে সন্দেহ জাগে।
শিমুল গ্রামে ফিরে মায়ের জ্বর দেখে উদ্বিগ্ন হয়, ডাক্তার দেখায়। রাইসার কাছে রাকিবের ভুল বোঝাবাজার খবর পায়। রাকিবকে নিয়ে আসে, রাতের অপেক্ষায় রাইসার সাথে মজার কথোপকথন। শেষে রাইসার বাবা রাকিবকে জেরা শুরু করেন।
নিলিমা শিমুলের সাথে তামান্নার দেখা হওয়ায় তীব্র ঈর্ষায় জ্বলে, আর তামান্না হাত কেটে জ্ঞান হারায়। শিমুল চাকরি ছাড়ে, বাসা ছাড়ে এবং গ্রামে চলে যায়। নিলিমা রাজিবকে বিয়ে ভাঙার সিদ্ধান্ত নেয়, ভরসা রেখে শিমুলের ফেরার আশায়।
নিলিমার মা শিমুলের সম্পর্কে জানতে চায়, তামান্না শিমুলকে ভালোবাসে বলে মা জানায়। নিলিমা ঈর্ষায় জ্বলে, শিমুলকে কিস করে। তামান্না শিমুলের রুমে ঢুকে ফোনে নিলিমার সাথে কথা বলে, নিলিমা রাগে ফোন কাটে।
তামান্না শিমুলকে ভালোবাসি বলে স্বীকারোক্তি দেয় এবং ফোনে আই লাভ ইউ ম্যাসেজ পাঠায়। নিলিমার মনে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। রাকিব রাইসার প্রতি আকৃষ্ট হয়, আর রাইসার বাবা রমিজ আংকেলের সাথে পরিচয় করায় পরিস্থিতি জটিল হয়ে ওঠে।
নিলিমা ডায়মন্ড রিং দেখায় এবং হানিমুনের পরিকল্পনা শেয়ার করে। রাজিবের সাথে ঘুরতে গিয়ে গাড়ি দুর্ঘটনায় পড়ে তারা। হাসপাতালে সিমুল রাজিবের জন্য রক্তদান করে। নিলিমা সুস্থ হওয়ার পর প্রথমে রাজিবকে দেখতে চায়।
শিমুল নিলিমার হাসি দেখে ভেঙে পড়ে, রাকিব রাইসাকে ভালোবাসি বলে স্বীকারোক্তি দেয়। তামান্না খাবার পাঠায়, নিলিমা শাড়ি পরে অফিসে আসে এবং শিমুলকে মিটিংয়ে পাঠায়।
নিলিমা শিমুলকে বাসায় ডেকে নিজে রান্না করে খাওয়ায়, কিন্তু আগের দিন তার বাসায় রাকিবের মায়ের আসায় শিমুল বিভ্রান্ত। নিলিমার কান্না দেখে ভেঙে পড়ে শিমুল, আর ছাদে তামান্না হঠাৎ আবির্ভূত হয়ে তাকে ভয় দেখায়।
নিলিমা শিমুলের বাসায় আসে এবং তার সাথে আবেগঘন মুহূর্ত কাটায়। ছাদে বসে নিলিমা ভার্সিটির অতীত ও ভুল প্রেমের কথা মনে করে। শিমুল নিজেকে গ্রামের গাইয়াভুত ছেলে হিসেবে চিনিয়ে দেয়, যাকে নিলিমা একসময় অপমান করেছিল।
নিলিমা শিমুলকে বিয়ের প্রস্তাব দেয়, কিন্তু শিমুল পরিবারের কথা ভেবে প্রত্যাখ্যান করে। রাকিব ছাদের ফুল নিয়ে বাড়িওয়ালির মেয়েকে প্রোপোজ করতে গিয়ে ধরা পড়ে। নিলিমা অসুস্থ শুনে শিমুলের বাসায় আসে, কিন্তু পাওয়া যায় না।
রাকিব শিমুলের বাসায় ঢুকে দেখে রাইসা ঘুমাচ্ছে, ভয়ে লাথি খেয়ে অজ্ঞান হয়। জেগে ঝগড়া হয় রাইসার সাথে। শিমুল নিলিমার বাবার কাছে বিয়ের প্রস্তাব পায়, কিন্তু সন্দেহ হয় নিজের যোগ্যতা নিয়ে। অফিসে ম্যাডামের তিরস্কারে সবাই হাসে।
নিলিমা সিমুলকে রিকশায় নিয়ে শহর ঘুরে। সিমুল স্পর্শ এড়াতে চেষ্টা করে, নিলিমা মজা করে টানে তাকে। রাইসা সারারাত ফাইল করে ক্লান্ত, সিমুলের বাসায় ঘুমাতে আসে। রাকিব আসে গ্রাম থেকে, দুজনে মিলে রান্না করে।