ক্যাটাগরি রোমান্টিক গল্প

একদিন তুমিও ভালোবাসবে | পর্ব ৮ | মৌমিতার বিচ্ছেদ ও আদিত্যের অস্বস্তি

আদিত্য জিয়াকে নিয়ে বাড়ি ফেরে, কিন্তু জিয়ার বাবার সাথে তর্ক হয়। মৌমিতা আদিত্যর কথা শুনে ভেঙে পড়ে। নির্জন মাঠে তাদের সাক্ষাৎ হয়, মৌমিতা দূরত্ব বজায় রাখতে চায়। আদিত্য বুঝতে শুরু করে তার অনুভূতি। মৌমিতা হঠাৎ কলকাতায় চলে যায়।

একদিন তুমিও ভালোবাসবে | পর্ব ৭ | আদিত্যের স্বীকারোক্তি ও মৌমিতার বেদনা

ফ্রেশার্স পার্টিতে মৌমিতাকে হয়রানির চেষ্টা করে সৌভিক, আদিত্য তাকে বাঁচায় ও শাস্তি দেয়। জিয়া আদিত্যকে অপমান করে মৌমিতার জন্য। আদিত্য জিয়াকে নিয়ে রাগ করে বলে, 'আই লাভ ইউ'—কথাটি শুনে মৌমিতা ভেঙে পড়ে। তার গন্তব্যহীন পথ চলা শুরু হয়।

একদিন তুমিও ভালোবাসবে | পর্ব ৬ | মৌমিতার খাবার ও আদিত্যের অনুভূতি

মৌমিতা জ্বরে আক্রান্ত কোয়েলের জন্য খাবার আনতে যায় আদিত্যের বাংলো থেকে। বাইকে পিছনে বসে তাদের ঘনিষ্ঠতা বাড়ে। আদিত্য মৌমিতাকে কোয়েলের সঙ্গী হিসেবে মূল্য দেয়। ফিরে যাওয়ার পর মৌমিতার জড়িয়ে ধরা ও আদিত্যের শার্টে তার পারফিউমের গন্ধে আদিত্যের মন বিচলিত হয়।

একদিন তুমিও ভালোবাসবে | পর্ব ৫ | আদিত্যের উদ্বেগ ও মৌমিতার মনের কথা

আদিত্য জিয়াকে মৌমিতাকে বিরক্ত না করার জন্য সতর্ক করে। কোয়েলের জন্য তার উদ্বেগ প্রকাশ করে ফোনে। মৌমিতা আদিত্যের কোয়েলের প্রতি যত্ন দেখে মন খারাপ করে। ফ্রেশার্স পার্টির আমন্ত্রণে জিয়ার আচরণ বদলায়। মৌমিতা ভাবে, আদিত্য কাউকে ভালোবাসে কিনা।

একদিন তুমিও ভালোবাসবে | পর্ব ৪ | আদিত্যের অপরাধবোধ ও মৌমিতার অস্থিরতা

আদিত্য জানতে পারে মৌমিতার বিয়ে হয়েছে, কিন্তু স্বামী মেনে নেয়নি। কোয়েলের কথায় তীব্র অপরাধবোধে ভোগে সে। মৌমিতা আর কোয়েল ঘুরতে বেরোয়, কিন্তু কেউ যে তাদের পিছু করছে তা মৌমিতা অনুভব করে। ফ্রেশার্স পার্টি ও নাচের প্রতিযোগিতার কথা শুনে মৌমিতা নাম দিতে অস্বীকার করে। আদিত্যের কথা ভেবে অস্থির হয় সে।

একদিন তুমিও ভালোবাসবে | পর্ব ৩ | বিয়ের প্রস্তাব ও ভার্সিটিতে প্রথম দিন

মৌমিতার ব্লাউজের চেইন নেমে যায় বিয়েতে, অজ্ঞাত কোনো ব্যক্তি চুপিচুপি সেটা ঠিক করে দেয়। পরে অপ্রত্যাশিত বিয়ের প্রস্তাব আসে, যা মা-বাবার চাপে মেনে নেয় সে। ভার্সিটিতে প্রথম দিনে জিয়া ও তার দল তাকে হয়রানি করে, কিন্তু কোয়েলের সাহসিকতা পরিস্থিতি মোকাবেলা করে।

একদিন তুমিও ভালোবাসবে | পর্ব ২ | ভার্সিটির প্রথম দিন ও স্বামীর সাক্ষাৎ

মৌমিতা ভার্সিটিতে প্রথম দিনে র‍্যাগের মুখোমুখি হয় এবং সাহসের সাথে প্রতিরোধ করে। কোয়েল নামের এক মেয়ে তাকে উদ্ধার করে এবং বন্ধুত্ব গড়ে। হোস্টেলে পৌঁছানোর পর মৌমিতা জানতে পারে তার স্বামী আদিত্য একই ভার্সিটির ছাত্র, যার সাথে সাক্ষাৎ হয়। আদিত্য তাকে আলাদা হওয়ার কথা বলে সরে যায়, কিন্তু অপ্রত্যাশিতভাবে ক্ষমা চায় বিয়ের রাতের আচরণের জন্য।

বডিগার্ড থেকে বর | পর্ব ১৩ | ম্যাডামের জ্বর ও সৌদি পালানোর চেষ্টা

ম্যাডাম ইভার কারণে রমিওকে না বিশ্বাস করে কাঁদেন এবং জ্বরে অসুস্থ হন। রমিও তাঁকে যত্ন করেন, কিন্তু ম্যাডাম তাঁকে খাইয়ে দিতে বাধ্য করেন। রমিও সৌদি চলে যাওয়ার চেষ্টা করেন, কিন্তু আঙ্কেল তাঁকে আটকান। শেষে ম্যাডাম তাঁকে জড়িয়ে ধরে ভালোবাসা স্বীকার করেন।

বডিগার্ড থেকে বর | পর্ব ১২ | ম্যাডামের ঈর্ষা ও ইভার প্রেমের চাপ

ম্যাডাম রমিওকে ইভার সাথে কথা বলার জন্য শাস্তি দেয় এবং তাকে রুমে বন্ধ করে রাখে। ইভা রমিওকে চাঁদের নিচে দেখা করার আমন্ত্রণ জানায়, যা ম্যাডামের কাছে ধরা পড়ে। ম্যাডাম রমিওকে তালাবদ্ধ করে রাখে, কিন্তু সে জানালা দিয়ে বেরিয়ে খাবার চুরি করে। শেষে ম্যাডামের ঈর্ষা চরমে পৌঁছায় এবং সম্পর্ক ছিন্নের হুমকি দেয়।

বডিগার্ড থেকে বর | পর্ব ১১ | ম্যাডামের বাড়িতে যাওয়া ও ইভার প্রেমের প্রস্তাব

ম্যাডামকে নিয়ে রমিও আম্মুর বাড়িতে যায়, যেখানে ম্যাডাম হাসি-খুশিতে আম্মুর সাথে মিশে যায়। ফিরে ঢাকায় ইভা রমিওকে ভালোবাসে বলে ঘোষণা করে এবং ম্যাডামকে ডিভোর্স করে তাকে বিয়ের প্রস্তাব দেয়। ম্যাডাম গোপনে শুনে রমিওকে লাঠি দিয়ে মারতে আসে এবং সারারাত পাহারা দিতে বাধ্য করে।

বডিগার্ড থেকে বর | পর্ব ১০ | ম্যাডামের খাবারের দাবি ও রাতের ঝগড়া

ম্যাডাম বিরিয়ানি ও প্রাণ আপ আনতে বলেন, কিন্তু টাকা দিতে অস্বীকার করেন। রমিও ব্যাগে টাকা রাখার কথা বলে চাপ দেয়। রাতে খাবার নিয়ে ঝগড়া, ম্যাডাম বিছানায় পানি ঢালেন। আম্মুর কলে বউমা নিয়ে আসার চাপ পড়ে।

বডিগার্ড থেকে বর | পর্ব ৯ | বিয়ের পর বাঁশ ও ঢাকার যাত্রা

বিয়ের পর রমিও ম্যাডামের রুমে ঢোকে, কিন্তু ম্যাডাম তাকে স্বামী হিসেবে মানতে অস্বীকার করে। কানন তাকে বাসর রাতের কথা জিজ্ঞাসা করে, রমিও মজার করে বলে—"বাঁশ" দিয়েছে। আঙ্কেল তাদের ঢাকার বাড়িতে পাঠায়। রাত ১২টায় পৌঁছানোর পর ম্যাডাম খাওয়ার দাবি করে।