ক্যাটাগরি রোমান্টিক গল্প

তোমাতেই পূর্ণ আমি | পর্ব ১২ | শ্রেয়ার চিরকুট লেখক, ডায়মন্ড পায়েল ও অপ্রত্যাশিত টাকা

শ্রেয়া রাতে গোপনে ডায়মন্ডের পায়েল ও ভালোবাসার চিরকুট খুলে মুগ্ধ হয়। কলেজে প্রিয়ুকে দেখায় উপহারটি। দাড়োয়ান চাচা তাকে এক হাজার টাকা ও নতুন চিরকুট দেয়, যেখানে চিরকুট লেখক ওড়না কেনার জন্য টাকা পাঠায় এবং শ্রেয়াকে ঘোমটা দিতে বলে। শ্রেয়া আবেগে অচল হয়ে পড়ে।

তোমাতেই পূর্ণ আমি | পর্ব ১১ | শ্রেয়ার ব্যাথা, তূর্যর রাগ ও রাতের অশ্রু

শ্রেয়ার পায়ের ব্যান্ডেজের পর তূর্য তাকে বউ বলে পরিচয় দেয়, কিন্তু পরক্ষণেই কঠোর শব্দে অপমান করে। হৃদয় ভেঙে কাঁদে শ্রেয়া। রাতে ঘুমন্ত শ্রেয়াকে কাঁদতে দেখে নিজেও কাঁদে তূর্য। অতীতের স্মৃতিতে ফিরে শ্রেয়া মনে করে প্রথম দেখা, যখন অজানা তূর্য তাকে 'শুভ্রপরী' বলে ডাকে।

তোমাতেই পূর্ণ আমি | পর্ব ১০ | শ্রেয়ার আঘাত, তূর্যর কোলে উঠানো ও হিমছড়ির মুগ্ধতা

শ্রেয়া হিমছড়িতে পা কেটে রক্তাক্ত হয়। তূর্য ঝড়ের বেগে এসে তার পা বাঁধেন রুমাল দিয়ে এবং কোলে তুলে নেন। সবাই অবাক, আয়ুশ পিছিয়ে যান। তূর্যের লাল চোখ ও ক্রোধে ভরা কথায় শ্রেয়া লজ্জায় গুটিয়ে যায়। পাহাড়ে দাঁড়িয়ে শ্রেয়া প্রকৃতির মাঝে মুগ্ধ হয়, আর তূর্য দূর থেকে তাকে ছবি তোলেন।

তোমাতেই পূর্ণ আমি | পর্ব ৯ | শ্রেয়ার ভয়, বাসের ঝাঁকি ও সমুদ্রের পাশে রহস্যময় স্পর্শ

শ্রেয়া কক্সবাজার ট্যুরে বাসে তূর্যের পাশে বসতে বাধ্য হয়। ওড়না নিয়ে তাকে অপমান করে তূর্য, কিন্তু বাসের ঝাঁকিতে তাকে কোমর ধরে রাখে। ঘুমের মধ্যে সে জানালার পাশের সিটে চলে যায়। রাতে সমুদ্রের পাশে কেউ তাকে পিছন থেকে জড়িয়ে ধরে এবং রাগান্বিত কণ্ঠে বলে—"তুই আমার শুভ্রপরী"। শ্রেয়া চিনতে পারে সে তূর্যই।

তোমাতেই পূর্ণ আমি | পর্ব ৮ | শ্রেয়ার নতুন টিউশনি, রহস্যময় চাচ্চু ও কালো গোলাপের বাগান

শ্রেয়া নতুন টিউশনির জন্য এক বিলাসবহুল বাড়িতে যায়, যেখানে মালিক আরিয়ানা আপু ও তার মেয়ে তিতিশা তাকে সাদরে গ্রহণ করে। তিতিশা তার রহস্যময় চাচ্চুর কথা বলে এবং দাবি করে শ্রেয়াও তাকে দেখে মুগ্ধ হবে। বাড়ির বারান্দায় এক অচেনা পুরুষ শ্রেয়ার ছবি দেখে মুগ্ধ হয় এবং কালো গোলাপের বাগানের সামনে তাকে ভালোবাসার কবিতা উৎসর্গ করে।

তোমাতেই পূর্ণ আমি | পর্ব ৭ | শ্রেয়ার ভয়, চিরকুট ও ওয়াশরুমের অচেনা আক্রমণ

শ্রেয়া প্রিয়ুর সাথে পুকুরপাড়ে বসে থাকাকালীন আয়ুশ ভাইয়া তার বই ফেরত দেন। পরে বইয়ের মধ্যে লুকানো চিরকুট দেখে সন্দেহ জাগে। ওয়াশরুমে অন্ধকারে এক অচেনা মানুষ তাকে আক্রমণ করে, গলা চেপে ধরে হুমকি দেয়। পরিচিত স্পর্শ ও কণ্ঠে শ্রেয়া বিভ্রান্ত হয়—আয়ুশ নাকি অন্য কেউ?

তোমাতেই পূর্ণ আমি | পর্ব ৬ | শ্রেয়ার অপমান, থাপ্পড় ও নিশির চুরি

শ্রেয়াকে গাড়িতে তুলতে জোর করে তূর্য, গালে থাপ্পড় মারে এবং পেইনকিলার দেয়। ভার্সিটিতে নিশি আপু শ্রেয়ার প্র্যাকটিক্যাল খাতা চুরি করে শাস্তি দিতে চায়। তূর্য রেগে নিশিকে ধমক দেয়, বলে শ্রেয়াকে কষ্ট দেওয়ার অধিকার শুধু তার। উত্তেজনা, অপমান ও আবেগের মধ্যে ভরপুর পর্বটি সম্পর্কের গভীরতা নিয়ে আসে।

তোমাতেই পূর্ণ আমি | পর্ব ৫ | শ্রেয়ার নতুন টিউশনি ও তূর্যর অপ্রত্যাশিত আচরণ

শ্রেয়া পায় নতুন টিউশনির সুযোগ, কিন্তু শশুরবাড়িতে তূর্যের সাথে অপ্রত্যাশিত সাক্ষাত। তূর্য আশ্চর্যজনকভাবে তাকে সম্মান দেখায়, ভাবিদের রাগ উগরে দেয়। শ্রেয়া বিস্মিত হয় তার এই পরিবর্তনে। পারিবারিক টানাপোড়েন ও আবেগের মধ্যে ভরপুর পর্বটি সম্পর্কের নতুন দিগন্ত খুলে দেয়।

তোমাতেই পূর্ণ আমি | পর্ব ৪ | শ্রেয়ার ভয়, প্রেকটিক্যাল খাতা ও আয়ুশের রহস্য

শ্রেয়া তূর্যের রাগের মুখে প্রেকটিক্যাল খাতা কমপ্লিট করার নির্দেশ পায়। লাইব্রেরিতে এক রহস্যময় চিরকুট পায়, যেখানে তাকে 'নীল পরী' বলা হয়। আয়ুশের আচরণ ও তূর্যের অপমানে মন ভাঙে। কে লিখেছে চিরকুটটি? প্রশ্ন জমে তার মনে।

তোমাতেই পূর্ণ আমি | পর্ব ৩ | শ্রেয়ার নাচ ও অচেনা আক্রমণ

শ্রেয়া ভার্সিটির নবীবরণে শাড়ি পরে উপস্থিত হয়। প্রিয়ুর উৎসাহে আলতা পড়ে নাচের প্রস্তুতি নেয়। তূর্য তাকে উপহাস করে, কিন্তু পরে তার জন্য আবেগপ্রবণ গান গায়। নাচের আগে অন্ধকার কক্ষে কেউ তাকে আটকে যৌন হয়রানি করে, শাড়ি খুলে ফেলার হুমকি দেয়। শ্রেয়া ভয়ে কাঁপছে, অতীতের স্মৃতি ফিরে আসে।

তোমাতেই পূর্ণ আমি | পর্ব ২ | শ্রেয়ার সংগ্রাম ও তূর্যর অদ্ভুত শর্ত

শ্রেয়া বিধবা হওয়ার পর সমাজের কঠোরতা ও বাড়িওয়ালার চাপে লড়াই করছে। তূর্য তার গাড়িতে কাদা ছোঁড়ায় রেগে গিয়ে নিজের গাড়ির কাঁচ ভাঙে এবং শ্রেয়াকে শাসায়। রাস্তায় তার পিছু নেয় তূর্যর বন্ধু আয়ুশ। ক্লাসে তূর্য শ্রেয়াকে ক্ষমা দেবে শর্ত করে নাচতে বাধ্য করে, যা তাকে নাড়া দেয়।

তোমাতেই পূর্ণ আমি | পর্ব ১ | শ্রেয়ার সাজসজ্জার অধিকার ও ক্যাম্পাসের অপমান

বিধবা হওয়ার পর থেকে শ্রেয়াকে সমাজ অপয়া ভাবে, কিন্তু বন্ধু প্রিয়ু তাকে জীবনে এগিয়ে যেতে উৎসাহ দেয়। ক্যাম্পাসে তুর্যর গাড়িতে কাদা ছিটানোয় শ্রেয়া রুখে দাঁড়ায়, টাকা ছুড়ে দেওয়া হলে গাড়ির কাচ ভাঙে। অপমানিত হয়ে টিউশনি চলে যায়, কিন্তু সেখানেও বিদায় নেয় মালিক। হতাশায় কান্নার মধ্যে তাকে লক্ষ্য করে এক অচেনা দৃষ্টি।