ক্যাটাগরি রহস্য রোমাঞ্চ

কনফিউশন | পর্ব ২২ | কাব্যর রহস্যময় স্বপ্ন ও আরশির লাল শাড়ি

কাব্য আরশির সাথে বনে হাঁটার রহস্যময় স্বপ্ন দেখে ঘুম থেকে চমকে ওঠে। স্বপ্নের প্রতিটি দৃশ্য বিশ্লেষণ করে সে আশঙ্কা করে আসন্ন দূর্ঘটনার। আরশির লাল শাড়ি ও গর্তে পতনের ইঙ্গিত তাকে নাড়া দেয়। তিরা যাদিদের পাশে শেষ রাত কাটায়, মন খারাপ হয়ে যায় বিদায়ের আগে।

নাইওরি | পর্ব ১৪ | রঞ্জুর মৃত্যু ও জেসমিনের পলায়ন

রঞ্জুকে ময়নার বিলে খুন করা হয়, জেসমিন তার মৃত্যুর খবর পেয়ে ভেঙে পড়ে। গর্ভবতী জেসমিন মায়ের সাহায্যে পালায়, কিন্তু শ্বশুরবাড়িতে হারুন ব্যাপারীর ভয়ানক হুমকি শুনে আবার পালায়। চিঠি আঁকড়ে ধরে সে নদীর ঘাট থেকে নৌকায় উঠে অজানা গন্তব্যে চলে যায়, সন্তান নিয়ে নিরাপদ জীবনের আশায়।

নাইওরি | পর্ব ১২ | উকিল আলমগীরের মৃত্যু ও জমির আদালত রায়

উকিল আলমগীর মৃধার রহস্যময় মৃত্যুর পর হারুন ব্যাপারী আদালতে তার রেখে যাওয়া প্রমাণ নিয়ে হাজির হন। বিবাদী পক্ষ অনুপস্থিত থাকায় কালিসুরির জমি আদালত হারুনের নামে ঘোষণা করে। এদিকে, জেসমিন রঞ্জুর কবিতার চিঠি পায় এবং তার ভালোবাসায় মুগ্ধ হয়।

নাইওরি | পর্ব ১১ | জমির মামলা ও জেসমিনের বাড়িতে অপেক্ষা

জয়নাল মির্জার বিরুদ্ধে জমির মামলা দায়ের করেছেন হারুন ব্যাপারী। আদালতের সমন পেয়ে জয়নাল মির্জা উকিল আলমগীর মৃধার কাছে যান, কিন্তু উকিল তাকে ৫ হাজার টাকা দিতে বলেন হারার বিনিময়ে। এদিকে, জেসমিন রঞ্জুকে চিঠিতে বাড়িতে অপেক্ষার ডাক দেয়, কামিনী ফুলের গাছের মতো তার ভালোবাসাও ফুটবে না বলে আবেগঘন আহ্বান জানায়।

নাইওরি | পর্ব ৭ | সালিশের আগে জেসমিনের সাহসী স্বীকারোক্তি

রঞ্জুকে গাছে বাঁধা অবস্থায় সালিশের জন্য অপেক্ষা করতে হচ্ছে। জেসমিনকে ঘরে বন্দি করা হয়েছে। সালিশে ডাকা হলে সে সাহস নিয়ে ঘোষণা করে, রঞ্জু তাকে উত্যক্ত করেনি, তারা পরস্পরকে ভালোবাসে। এই স্বীকারোক্তিতে গোটা উপস্থিত সালিশ ও পরিবার চমকে যায়।

নাইওরি | পর্ব ৬ | জেসমিন-রঞ্জুর গোপন দেখা ও মিত্তির দিঘির রহস্য

জেসমিন কুটুমবাড়িতে এসেছে, আর রঞ্জু অপ্রত্যাশিতভাবে তার কাছে আসে। মানিকের সাহায্যে ঠিকানা পেয়ে রঞ্জু জেসমিনকে দেখতে আসে। দুজন মিত্তির দিঘিতে ডোঙায় বসে কথা বলে, যেখানে জেসমিন দিঘির রহস্যময় কাহিনী শোনায়। কিন্তু ইয়াসিন আলী তাদের দেখে ফেলে, আর তারা সাঁতরে পালায়। রাতে রঞ্জু জেসমিনের জ্বরের খবর পেয়ে জানালায় আসে।

নাইওরি | পর্ব ৩ | রঞ্জুর চিঠি ও জেসমিনের অপেক্ষা

জেসমিন রঞ্জুর চিঠি পায়, যেখানে কামিনী ফুল ও কবিতার মাধ্যমে তার ভালোবাসা জানানো হয়। চিঠির রহস্যময় প্রেরক কে সে নিয়ে জেসমিনের মন ঘোরে। সপ্তাহখানেক পর আবার চিঠি আসে, আর জেসমিন ধীরে ধীরে রঞ্জুর প্রতি আকৃষ্ট হয়।

#না চাহিলে যারে পাওয়া যায় | পর্ব ৩৫ | ঝিলিকের বিশ্বাসভঙ্গ ও রায়ীন-রুহির রহস্যময় অদৃশ্য হওয়া

ঝিলিক সৌরভের সাথে অন্য মেয়ের ঘনিষ্ঠ ছবি দেখে বিশ্বাসভঙ্গের আঘাত পায় এবং তীব্র মানসিক সংগ্রামে ভোগে। অন্যদিকে, রায়ীন ও তার শিশু ছেলে রাহি রহস্যজনকভাবে অদৃশ্য হয়ে যায়, রুহি ও পরিবার হন্যে হয়ে খোঁজে। শুভ অনুশোচনায় ভুগছে, আর রোজীর মাথা ঘুরে মাটিতে পড়ে যায়।

#না চাহিলে যারে পাওয়া যায় | পর্ব ৩০ | রুহির বাচ্চা বাঁচার আনন্দ ও শিখার প্রতিহিংসার বিষ

রুহি পড়ে যাওয়ার পর শুভের হাতে বেঁচে যায়, রায়ীন জানায় বাচ্চা ঠিক আছে। ঝিলিক সৌরভের হাত থেকে প্রাণে বেঁচে, শিখা রোজীর কাছে রুহির ক্ষতি না করার অনুরোধ শুনে কঠিন হয়ে ওঠে। প্রতিহিংসার বিষ তার হৃদয় জুড়েছে।

#না চাহিলে যারে পাওয়া যায় | পর্ব ২৭ | রায়ীনের পরিবারের গোপন রহস্য ও ভাইয়ের আত্মহত্যা

রুহি রায়ীনের পরিবারের গোপন রহস্য জানতে চায় এবং জানতে পারে তার বড় ভাই আলিফ ছাদের তালাবদ্ধ ঘরে আত্মহত্যা করেছিলেন। রায়ীন জানায়, ভাই আর বোন নুরী আপু প্রেমে ছিলেন, যা পরিবারে ধামাচাপা পড়ে। রুহি রহস্যের গভীরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।

#না চাহিলে যারে পাওয়া যায় | পর্ব ১৬ | রুহির সন্দেহ ও শুভের ফিরে আসা

হাসপাতাল থেকে ফিরে আসা রুহি রায়ীনের পরিবর্তিত আচরণে অবাক হয়। নিয়াজ কে সে জানতে চায়, আর রায়ীনের কাছ থেকে শোনে সে পলাতক ছিল। এদিকে রুহির ঘুমের মধ্যে শুভ আসে এবং নিজেকে প্রকাশ করে, যার মুখোমুখি হয়ে রুহি বিস্মিত হয়।

#না চাহিলে যারে পাওয়া যায় | পর্ব ১২ | রুহির বাড়ির গোপন রহস্য ও রেনুর আবেগ

রুহি বাড়ির ছাদে একটি তালাবদ্ধ ঘর দেখে কৌতূহলী হয়। মর্জিনা জানায়, সবাইকে সেখানে যেতে মানা। ঝিলিক রুহির চায়ে সুগার না দিতে বলে, তার স্বামী রায়ীনের অভ্যাসের কথা উল্লেখ করে। রেনু রাতে রুহির ঘরে এসে কাঁদতে কাঁদতে বলে, সে অনেকদিন পর নিজের মানুষ পেয়েছে। রায়ীন হঠাৎ ঢুকে পড়ে তাদের কথোপকথন বাধা দেয়।