ক্যাটাগরি রহস্য রোমাঞ্চ

অনুভবে আজো তুমি | পর্ব ১৫ | মেহেরের গালে থাপ্পড় ও ফায়াজের হৃদয় ভাঙা বিদায়

ফায়াজ মেহেরকে আলিফের সাথে কথা বলতে দেখে রেগে গালে থাপ্পড় মারে। মেহের কাঁদে, ফায়াজ আঘাত করে নিজেকে। লন্ডন যাওয়ার আগে গাড়িতে শেষ বিদায়ে ফায়াজ মেহেরকে চুম্বন করে। কিন্তু এটাই ছিল শেষ দেখা—মেহের হারিয়ে যায় তার জীবন থেকে।

অনুভবে আজো তুমি | পর্ব ৩+৪ | মেহেরের ভয়াবহ রাত ও ফায়াজের প্রতিশোধ

মেহেরের শ্বশুরবাড়িতে আনন্দের মুহূর্ত কেটে যায়, কিন্তু ফায়াজের মদ্যপ অবস্থায় তার ভয়াবহ আচরণে মেহের ভীত। শ্বশুর-শাশুড়ি চলে যাওয়ার পর ফায়াজ সব কর্মচারীকে ছুটি দিয়ে বাড়ি ফাঁকা করে। রাতে ছুরি হাতে মেহেরকে হুমকি দেয়, তাকে রক্ষিতা বলে ঘৃণা জানায়।

সারপ্রাইজ লাভার | পর্ব ৩৩ | আয়ানের দুর্ঘটনা, রক্তদান ও আবার প্রেমের প্রস্তাব

আয়ানের দুর্ঘটনার পর আরোহি হাসপাতালে ছুটে আসে। আয়ানের জন্য জরুরি রক্তের ব্যবস্থা করে সানভি। ২৪ ঘন্টার মধ্যে জ্ঞান ফেরায় আয়ান। সুস্থ হওয়ার পর আয়ান আরোহিকে আবার বিয়ের প্রস্তাব দেয়, আর আরোহি 'হ্যাঁ' বলে। গল্পের সমাপ্তি ঘটে পুনর্মিলনের আনন্দে।

সারপ্রাইজ লাভার | পর্ব ৩১+৩২ | আরোহির ব্রিজে মুখোমুখি আয়ান, রায়ার ষড়যন্ত্রের রহস্য ও সাজির ফ্ল্যাশব্যাক

আরোহি আয়ানের সাথে ব্রিজে মুখোমুখি হয়, ক্ষোভে তাকে ঘৃণা জানায়। আয়ান সব বলতে চায়, কিন্তু আরোহি শুনতে নারাজ। সাজির ফোনে জানা যায়—রায়া আয়ানকে বলি দিয়েছিল আরোহির জীবনের মূল্যে। আরোহির মনে হতাশা ও বিভ্রান্তি ছড়িয়ে পড়ে।

সিঁদুরশুদ্ধি | পর্ব ৫০ | বিদ্যার মুক্তির চেষ্টা, অভির বার্থডে ও পরিবারের গ্রহণ

বিদ্যা অভির মায়া থেকে মুক্তি পাওয়ার চেষ্টা করে চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। অভির বার্থডেতে জুলিয়া তাকে থাপ্পড় মারে। বিদ্যা হেমক লতার রস পান করে আত্মঘাতী হতে চায়। আশিষ ও অপু মায়াজগতে বিদ্যাকে উদ্ধার করে। অভি বিদ্যাকে ফিরে পায়, জুলিয়া তাকে মেনে নেয়। গল্পের সমাপ্তি।

সিঁদুরশুদ্ধি | পর্ব ৪৯ | বিদ্যার সন্তানদের উদ্ধার, অভির ক্রাউন ও কুন্তী দেবীর প্রশ্ন

বিদ্যা পাঁচ সর্পকে নিয়ে ঝাউগাছের জঙ্গলে আক্রান্ত হয়। অভি তার কান্না শুনে ছুটে আসে। বিদ্যার শক্তি দিয়ে সুরক্ষা বলয় তৈরি করে অভি। আহত কনিষ্ঠ সাপকে উদ্ধার করে অভি উষ্ণ সরোবরে রাখে। বিদ্যা মারাত্মক আঘাত পায়। অভি নিষিদ্ধ ক্রাউন ব্যবহার করে অশরীদের নিয়ন্ত্রণ করে বিদ্যাকে বাড়ি নিয়ে আসে। কুন্তী দেবী জানতে চায়—বিদ্যা কে? অভি স্পষ্ট করে—"আমার ওয়াইফ সে"।

সিঁদুরশুদ্ধি | পর্ব ৪৮ | বিদ্যার গোপন চিহ্ন, অভির কঠোর সতর্কতা ও শশুড়ের অপ্রত্যাশিত সমর্থন

বিদ্যা অভির বাবার কাছে জুলিয়ার নৃশংসতা উন্মোচন করে। আশিষ ওকে সমর্থন করেন এবং অভির সাথে বিয়ের প্রস্তাব দেন। অভি বিদ্যাকে চেনার জন্য জোরপূর্বক পরিচয় উদ্ঘাটন করে, তারপর কঠোরভাবে সতর্ক করে যায়। বিদ্যা অভির ভালোবাসার আবেগ অনুভব করে।

সিঁদুরশুদ্ধি | পর্ব ৪৭ | বিদ্যার সন্তান হারানো, অভির মায়া ও পাঁচ সর্পের উদ্ধার

বিদ্যার সন্তান হারানোর পর অভি তাকে মায়া প্রয়োগ করে বোতলে বন্দী করে। পাঁচ সর্প বুদ্ধি দিয়ে টুইংকেলের মায়াজাল ভাঙে ও বিদ্যাকে উদ্ধার করে। বিদ্যা ছদ্মবেশে অভির বাসায় প্রবেশ করে আশিষকে দেখায়, কিন্তু অভি হঠাৎ ফিরে এসে তাকে প্রশ্ন করে—“হু আর ইউ?”

সিঁদুরশুদ্ধি | পর্ব ৪৬ | অভির প্রতিশোধ, বিদ্যার গোপন গর্ভাবস্থা ও জুলিয়ার আক্রমণ

অভি আশিষকে উদ্ধার করে অশরীদের শাস্তি দেয়, জুলিয়া তাকে থামায়। বিদ্যা টুইংকেলের কাছে অপমানিত হয়ে দেশে ফিরতে সিদ্ধান্ত নেয়। অভি তাকে তুষারময় রাস্তায় উদ্ধার করে, কিন্তু জুলিয়া বিদ্যাকে ধাক্কা দেয়। অভি চিৎকার করে জানায়—বিদ্যা গর্ভবতী।

সিঁদুরশুদ্ধি | পর্ব ৪৫ | অভির আত্মদান, বিদ্যার গর্ভবতী সত্য ও আশিষের মৃত্যু

অভি বিদ্যাকে লুকিয়ে রাখে বাবার রুমে, জুলিয়া সন্দেহ করে। বিদ্যার গর্ভবতী হওয়ার সত্য ফাঁস হয়। অভি বিদ্যাকে টুইংকেলের কাছে পাঠায়। মায়া বাধন ভাঙার পর শত্রু অশরীরা আশিষকে খেয়ে ফেলে। বিছানায় লেখা থাকে—"হি ইজ ডেড"।

সিঁদুরশুদ্ধি | পর্ব ৪৪ | বিদ্যার শক্তি জাগরণ, সাপদের আবির্ভাব ও অভির খোঁজে যাত্রা

বিদ্যার শক্তি পূর্ণাঙ্গভাবে জাগরণ ঘটে, সাগরতটে সাপদের আবির্ভাব হয়। দেবকী বিদ্যাকে বন্ধন করে অতীত স্মরণ করায়। সব মনে পড়ার পর বিদ্যা অভিকে খুঁজতে টুইংকেলের সাথে যাত্রা করে। রাতে অভির ঘরে ঢুকে পড়ে বিদ্যা, কিন্তু অভি তাকে চেপে ধরে নীরব করে দেয়।

সিঁদুরশুদ্ধি | পর্ব ৪৩ | বিদ্যার শক্তি পুনরুদ্ধার, সাপের আবির্ভাব ও লালপ্রভার পতন

বিদ্যার শরীরে জ্বলন্ত আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে না। গালিব ও তাহেরা শক্তি খোঁজার চেষ্টায় ব্যর্থ হয়। অঞ্জনা দেবী রনককে অভির প্রকৃত পরিচয় ফাঁস করেন। লালপ্রভা চেনাবতী ডাকিনী ডাকে, কিন্তু পাঁচ সাপ তাকে ধ্বংস করে। সাপরা বিদ্যাকে চিনে তাকে রক্ষা করে এবং তার শক্তি ফিরিয়ে দেয়। বিদ্যা জাগ্রত হয়ে লালপ্রভাকে শাসায়।